উক্ত ঘটনা দুটিতে লীলা মাঠকর্ম অনুশীলনের সমর্থনদান, ব্যাখ্যাকরণ, সাক্ষাৎকার গ্রহণ, পেশাগত সম্পর্ক স্থাপন, পরিসমাপ্তি ও মূল্যায়ন কৌশল নির্বাচন করেছিলেন।
মাঠকর্ম অনুশীলনের কর্মী সাহায্যার্থীর আত্মবিশ্বাস ফিরে আনতে এবং তাকে/তাদেরকে সক্ষম করে তুলতে এ কৌশলটি প্রয়োগ করে থাকেন। মাঠকর্ম অনুশীলনে কর্মী সাহায্যার্থীর সমস্যার সাথে সংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয়ের সুস্পষ্ট, তথ্যসংবলিত ব্যাখ্যা প্রদান করতে এ কৌশলটি ব্যবহার করেন। এ কৌশল প্রয়োগে কর্মী ও সাহায্যার্থীর মধ্যে যেকোনো প্রকৃতির ভুল বুঝাবুঝির অবসান ঘটে। তাছাড়া সাহায্যার্থীর সমস্যা সংশ্লিষ্ট অজানা ও ভ্রান্ত ধারণা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা অর্জিত হয়। মাঠকর্ম অনুশীলনে কর্মীকে এ কৌশল প্রতিনিয়ত ব্যবহার করতে হয়। সাক্ষাৎকার গ্রহণের সময় কর্মীকে অত্যন্ত সজাগ ও সতর্ক থাকতে হয়। সাহায্যার্থীর চাহিদা নিরূপণ থেকে এ কৌশল ব্যবহার শুরু হয় এবং পেশাগত সম্পর্ক ইতি টানার মাধ্যমে শেষ হয়। মাঠকর্ম অনুশীলন কর্মীকে কর্মক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত অসংখ্য মানুষের সাথে পেশাগত সম্পর্ক সৃষ্টি করতে হয়। বিশেষ করে সাহায্যার্থীর সাথে পেশাগত সম্পর্ক তৈরি করা কর্মীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পেশাগত সম্পর্ক স্থাপন কৌশল যেকোনো সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়ার আত্মাস্বরূপ। যেকোনো ধরনের সমস্যা সমাধান শেষে মাঠকর্ম অনুশীলন কর্মীকে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সম্পর্কের পরিসমাপ্তি টানতে হয়। সমাপ্ত কাজে সফলতা-বিফলতাসহ আত্মমূল্যায়ন করতে হয় এর দ্বারা মাঠকর্ম অনুশীলন কর্মী যেমন তার ভুল বুঝে সংশোধন হতে পারে তেমনি অন্যান্যদের জন্য হয়ে ওঠে শিক্ষণীয়।
উপরিউক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, মাঠকর্মে সফলতার জন্য লীলা আলোচ্য কৌশলগুলো নির্বাচন করেছিলেন।