উদ্দীপকে প্রদত্ত কার্যক্রমের সাথে আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফের কার্যক্রমের সাদৃশ্য রয়েছে। ব্যাখ্যা করা হলো-দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইউরোপ এবং এশিয়ার বিভিন্ন, যুদ্ধাক্রান্ত দেশের শিশুদের জরুরি ভিত্তিতে খাদ্য, বস্ত্র, ওষুধ সরবরাহের জন্য ১৯৪৬ সালের ১১ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক শিশু তহবিল বা ইউনিসেফ (UNICEF) আত্মপ্রকাশ করে। পরবর্তীতে বিশ্বের অনুন্নত, স্বল্প উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুষ্টিসহ সার্বিক কল্যাণে দীর্ঘমেয়াদি সহায়তাদানের লক্ষ্যে ইউনিসেফ কাজ করে যাচ্ছে।। শিশুদের পুষ্টির উন্নয়ন, শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষা, রোগ প্রতিরোধ ও শিশু মৃত্যুহার কমিয়ে এইচআইভি বা এইডসের ভয়াবহতা থেকে শিশুদের রক্ষা করা, ছেলে ও মেয়ে শিশুদের মধ্যে বৈষম্য রোধকল্পে সহায়তা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য রক্ষায় হাসপাতাল ও সদন নির্মাণ, শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা, স্কুলগামী শিশুদের স্বাস্থ্যরক্ষায় বিদ্যালয় খাদ্য প্রকল্প চালু করা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে শিশুদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করাসহ শিশুকল্যাণমূলক অন্য সংস্থাগুলোকে গঠনমূলক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান প্রভৃতির মাধ্যমে পৃথিবীর সকল শিশুর মৌলিক মানবিক চাহিদা পূরণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে ইউনিসেফ দৃঢ অঙ্গীকারাবদ্ধ। তাই বলা যায় , উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি নারী ও শিশুকল্যাণমূলক সংস্থা ইউনিসেফ।