শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নিয়োজিত সমাজকর্মের একটি বিশেষ শাখা হলো বিদ্যালয় সমাজকর্ম। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে তা মূল্যায়ণ করা হলো-বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শারীরিক, মানসিক, নৈতিক ও চারিত্রিক দিক বিকাশে সমাজকর্মের এ শাখা সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বিদ্যালয়গামী ছাত্রছাত্রীদের ক্ষতিকর পারিপার্শ্বিকতার হাত থেকে রক্ষা এবং সেই সাথে স্কুল জীবনের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে তাদের সফল জীবনের ভিত্তি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষার্থীর গৃহ, স্কুল, ও কমিউনিটিতে এমন অনেক সমস্যা রয়েছে, যেগুলো শিক্ষার্থীর স্কুল পরিবেশে খাপ খাওয়াতে নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় বিদ্যালয় সমাজকর্মী সাহায্য করে থাকেন। সমস্যাগ্রস্ত এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বিকাশে এবং সামাজিক পরিবেশগত তথ্যাদি সংগ্রহের ক্ষেত্রেসমাজকর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বিদ্যালয় সমাজকর্মীরা স্কুল ও সামাজিক এজেন্সির মধ্যে সংযোগকারী ভূমিকা পালন করেন। দুর্বল, অমনোযোগী ও কম মেধাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের যথাযথ যত্ন। দেওয়া শিক্ষক, অভিভাবক কারোর পক্ষে সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে সমাজকর্মীর প্রয়োজন রয়েছে।তাই বলা যায়, , উদ্দীপকে অনুশীলনকৃত সমাজকর্মের শাথাটির কার্যকারিতা বাংলাদেশ অনন্য।