বাংলাদেশে শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের উন্নয়নে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রতিষ্ঠান ইউনিসেফের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পরবর্তী সময় থেকে ইউনিসেফ বাংলাদেশে কাজ করে আসছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের শিশুদের স্বাস্থ্যরক্ষা ও পুষ্টি কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের শিশুদের কল্যাণে খাদ্য, চিকিৎসা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, বিশুদ্ধ পানি, টিকা ইত্যাদি বিষয়ে কাজ করে থাকে।
বাংলাদেশে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবায় ইউনিসেফের গৃহীত কর্মসূচিগুলো হচ্ছে- স্বাস্থ্যকর্মী প্রশিক্ষণ, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, পয়ঃপ্রণালি ব্যবস্থা, যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া ইত্যাদি থেকে প্রতিকার ও প্রতিরোধ। আমাদের দেশের শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূর করতে ইউনিসেফ পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ, পুষ্টি সংক্রান্ত জ্ঞান দান এবং বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার সাথে যৌথভাবে ওষুধ সরবরাহ করে থাকে। শিক্ষাক্ষেত্রেও ইউনিসেফের অবদান অপরিসীম। বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা কর্মসূচির পাশাপাশি ইউনিসেফ নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ, পুরাতন প্রতিষ্ঠান সংস্কার, শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। তাছাড়া ইউনিসেফের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম, এইচআইভি আক্রান্ত শিশুদের জন্য কার্যক্রম, জন্ম নিবন্ধন, নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রভৃতি।
তাই বলা যায়, উল্লিখিত কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ইউনিসেফ বাংলাদেশে শিশুদের কল্যাণে কার্যকর ও ফলপ্রসূ ভূমিকা রেখে চলেছে।