"বিশ্বব্যাপী শিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্যপুষ্টি বিকাশ ও উন্নয়নে সংস্থাটির ভূমিকা অপরিসীম"। নিম্নে মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করা হলো : ১৯৪৬ সালে ইউনিসেফ প্রতিষ্ঠার পর থেকে সারা বিশ্বের শিশুদের অধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নে এই সংস্থাটি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, ত্রাণ বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। শিশুদের অধিকার রক্ষার জন্য অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও সংস্কার, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দানে দেশগুলোর সরকারকে সহায়তা করে আসছে ইউনিসেফ। এছাড়াও দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করছে ইউনিসেফ। একই সাথে ইউনিসেফ শিশুদের স্বাস্থ্ রক্ষায়ও কাজ করে আসছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে মাতৃমঙ্গল ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র স্থাপন, গ্রামীণ স্বাস্থ্যকর্মী প্রশিক্ষণ, ওষুদ ও যন্ত্রপাতি সরবরাহ, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, সংক্রামক ব্যাধির ও প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি প্রভৃতি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। শিশুদের রক্ষা ও কল্যাণের জন্য এবং একই সাথে তাদের বিকাশ ও উন্নয়নের জন্য সারা বিশ্বে ইউনিসেফ বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম, শিশু পাচার, শিশুদের উপর শারীরিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। সর্বোপরি শিশুদের শারীরিক, মানসিক, শিক্ষাগত ও নিরাপত্তাগত উন্নয়নে ইউনিসেফ কাজ করে যাচ্ছে। তাই বলা যায়, "বিশ্বব্যাপী শিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্যপুষ্টি বিকাশ ও উন্নয়নে সংস্থাটির ভূমিকা অপরিসীম" উক্তিটি যথার্থ।