রোগীর সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতকরণে চিকিৎসা সমাজকর্ম শাখার ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে।সমাজকর্মীরা রোগীকে পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্য বিধান, মানসিক সমর্থন দান, বস্তুগত ও অবস্তুগত সেবার মাধ্যমে সক্ষম করে তোলেন। বস্তুগত সেবার মধ্যে রয়েছে ওষুধপথ্য, রোগের ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় উপকরণ প্রদান এবং অবস্তুগত সেবার মধ্যে রয়েছে সামাজিক ও মানসিক সমর্থন, সামাজিক যোগাযোগ, রোগীর গৃহ পরিদর্শন, পরামর্শ সহায়তা, কাউন্সেলিং সেবা, বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রভৃতি। আর এসব কারণে চিকিৎসা সমাজকর্মের গুরুত্ব দিন দিন বেড়েই চলেছে। এছাড়াও রোগ ও রোগীর কার্যর ও ফলপ্রসূ নিরাময়ের জন্য প্রয়োজন অনুধ্যান, রোগ নির্ণয় ও সমাধান। হাসপাতাল সমাজসেবা এক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। হাসপাতালে ভর্তির পর নতুন পরিবেশে রোগী ঠিকমতো খাপ খাওয়াতে পারে না। তাই চিকিৎসক, নার্স, অন্য ব্যক্তিদের সাথে রোগীর সামঞ্জস্য বিধানে হাসপাতাল সমাজকর্মী সহায়তা করেন। রোগীদের মানসিক তৃপ্তি, একাকিত্ব দূরীকরণ ও বিনোদনের ব্যবস্থাকরণে হাসপাতাল সমাজসেবা অতি প্রয়োজনীয় চিকিৎসায় সফলতা অর্জনে রোগীর মনস্থাত্বিক অবস্থার উন্নয়ন একান্ত প্রয়োজন; যা সমাজসেবা বিভাগ সম্পাদন করতে পারে। আবার রোগীর রোগ-পরবর্তী সেবা যেমন গৃহ পরিদর্শন, অনুসরণ, মূল্যায়ন প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নির্দেশনা প্রদান ইত্যাদি প্রয়োজন হয়। এসব ক্ষেত্রে হাসপাতাল সমাজসেবা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাই বলা যায়, রোগীর সার্বিক কল্যাণে চিকিৎসা সমাজকর্মের ভূমিকা অনস্বীকার্য।