বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চিকিৎসা সমাজকর্ম শাখার নিরাময়মূলক, প্রতিরোধমূলক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের গুরুত্ব অপরিসীম।বাংলাদেশে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চিকিৎসা সমাজকর্মীরা রোগীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি করে এবং রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করে। এটি স্বাস্থ্যসেবার খরচ কমাতে এবং জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা এখনও কম। চিকিৎসা সমাজকর্মের প্রতিরোধমূলক ও নিরাময়মূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে রোগীদের মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধান করা হয়। এই কার্যক্রম রোগীর সামগ্রিক সুস্থতা নিশ্চিত করে এবং মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।এছাড়া বাংলাদেশে রোগীদের দৈহিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, মনস্তাত্ত্বিক, আবেগীয়, বুদ্ধিবৃত্তিক ইত্যাদি সমস্যা সমাধান এবং সার্বিক কল্যাণ সাধন করে তাদেরকে স্বাভাবিকভাবে পুনর্বাসন কিংবা, সামাজিক ভূমিকা পালনে সক্ষম করে তোলার ক্ষেত্রে চিকিৎসা সমাজকর্মের প্রতিরোধমূলক, নিরাময়মূলক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের গুরুত্ব খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। চিকিৎসা সমাজকর্মীরা সাধারণত ওষুধ প্রদান, সেবা প্রদান এবং রোগ সংক্রমণ কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এক্ষেত্রে নিরাময়মূলক কার্যক্রম ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। এছাড়া বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে রোগীদের মনোবল, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে প্রতিকূল পরিবেশে মানিয়ে নিতে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। সুতরাং বলা যায়, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চিকিৎসা সমাজকর্মের নিরাময়মূলক, প্রতিরোধমূলক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের গুরুত্ব অপরিসীম।