একটি শিশুর সার্বিক বিকাশে উক্ত প্রতিষ্ঠান তথা পরিবার অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
স্বামী-স্ত্রীর বৈবাহিক সম্পর্কের দ্বারা পরিবার গঠিত হয়। এই পরিবারেই শিশু জন্মলাভ করে। জন্মলাভের পর পিতা-মাতার স্নেহ, ভালোবাসা এবং যত্নে শিশু বেড়ে উঠতে থাকে।" পরিবার শিশুর মৌলিক চাহিদা তথা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা করে থাকে। পরিবারের মাধ্যমেই শিশু জন্মসূত্রে বিশেষ সামাজিক পরিচিতি ও মর্যাদা লাভ করে থাকে ।
শিশুকে সমাজের রীতিনীতি, আচার-ব্যবহার, নিয়মকানুন, অভ্যাস প্রভৃতি শিক্ষা দিয়ে শিশুর সামাজিকীকরণে অবদান রাখে। পরিবার যদিও শিশুর শিক্ষা লাভের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে তথাপি পরিবার হচ্ছে শিশুর প্রাথমিক পাঠশালা তাদের প্রাথমিক পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয় মানব শিশুর ব্যক্তিত্ব গঠন ও মানবিক বিকাশে মমত্ববোধের গুরুত্ব অপরিসীম। পারিবারিক পরিবেশে স্নেহে, আদর, মায়া, মমতা ও ভালবাসার মাধ্যমে শিশুর সুষ্ঠু মানসিক বিকাশ ও ভারসাম্যপূর্ণ ব্যক্তিত্ব গঠিত হয়। পরিবারই অনানুষ্ঠানিক উপায়ে সন্তানের নীতিবোধ ও ধর্মীয় শিক্ষা প্রদানসহ বিদ্যালয়ে ভর্তি এবং গৃহে নিয়মিত পড়ার ব্যবস্থা করে। বিশেষ করে, সন্তানদের ধর্মীয় এবং নীতিবোধভিত্তিক শিক্ষাদানে পরিবার অনন্য ভূমিকা পালন করে।
তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বলা যায়, পরিবার শিশুর সার্বিক বিকাশে অত্যন্ত কার্যকরি ভূমিকা পালন করে।