উদ্দীপকে ইঙ্গিত মৌল মানবিক চাহিদা পূরণের অন্তরায় সমূহ নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো: মানবজীবনে বস্ত্রের চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিভিন্ন অন্তরায় বিদ্যমান । মানুষের মৌল মানবিক চাহিদাগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিক থেকে বস্ত্রের এর গুরুত্ব অপরিহার্য। কারণ মানব সভ্যতার ধারক ও বাহক বলা হয় বস্ত্রকে। এটি মানুষকে প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আর মানব সভ্যতার প্রধান নির্দেশক ও নির্দেশন হলো বস্ত্র। উদ্দীপকে নির্দেশিত মৌল মানবিক চাহিদাকে মানব সভ্যতার ধারক ও গ্রাহক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সামাজিকতা রক্ষা এবং প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষার জন্য মানব জীবনে বছরে চাহিদা পূরণ অত্যাবশ্যাক। কিন্তু বিভিন্ন কারণে এদেশের মানুষের বস্ত্রের চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে না। এক্ষেত্রে দারিদ্রকে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বর্তমান এদেশে ২০.৫ শতাংশ মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বাস করে। এবং আর্থিক সংকটের কারণে তারা বস্ত্রের চাহিদা যথাযথভাবে পূরণ করতে পারছে না। আবার জনসংখ্যাস্ফীত এদেশের বস্ত্রে চাহিদা পূরণে এটি প্রধান অন্তরায়। এদেশের অত্যাধিক জনসংখ্যার জন্য প্রয়োজনীয় বস্ত্র দেশে উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে সাধারণ মানুষ বস্ত্রের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। এছাড়াও বস্ত্র নীতি, বস্ত্র খাতের অনিয়ম, বস্ত্রখাতে শিল্পায়নের অভাব, দ্রব্যমূল্য উর্ধ্বগতি ইত্যাদি বস্ত্রের চাহিদা পূরণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকে নির্দেশিত বস্ত্রের চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে দারিদ্র, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, বস্ত্রের উৎপাদন স্বপ্লতাসহ বিভিন্ন বিষয় প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করছে।