উদ্দীপকে নাজিম উদ্দিনের প্রচেষ্টা মৌল মানবিক চাহিদা পূরণ খাদ্যকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়। তার গুরুত্ব নিচে বিশ্লেষণ কর:পৃথিবীতে বেঁচে থাকায় এবং শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশ ঘটাতে খাদ্যের প্রয়োজন আছে। তাই মানব জীবনে সবচেয়ে প্রথম ও প্রয়োজনীয় মৌলিক চাহিদা হল খাদ্য। আর খাদ্য বলতে ঐসব বস্তুু বা দ্রব্যকে বোঝানো হয় যা শরীরে হজম এবং শরীরের বৃদ্ধি ও কর্মশক্তি যোগান এর সাহায্য করে। তো ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। আর খাদ্য বলতে মূলত মানউপযোগী খাদ্য দ্রব্য কে বোঝানো হয়। যেমন মাছ, ভাত, মাংস, ডাল ও আলু ইত্যাদি। উদ্দীপকে বগুড়ার দরিদ্র নাজিমুদ্দিন তার ঘর বাড়ানোর জন্য জমানো টাকা করোনায় কর্মহীন দরিদ্র, ক্ষুধার্ত, অসহায় মানুষের মাঝে চাল, ডাল,আমু ইত্যাদি বিতরণে ব্যয় করেছেন। নাজিম উদ্দিনের এই কার্যক্রম মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণ কে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়েছে। কারণ খাদ্য মানুষের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় চাহিদা। শিশু জন্মগ্রহণ এর আগে থেকে শুরু করে জন্মগ্রহণের পর বেঁচে থাকা বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য খাদ্যের দরকার হয়। আর মানুষের অস্তিত্ব রক্ষা মানসিক ও দৈহিক বিকাশের জন্য এর গুরুত্ব অপরিসীম। দেহের ক্ষয় পূরণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য খাদ্য অপরিহার্য। প্রয়োজনীয় খাদ্যের অভাবে মানুষের শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশে বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। সমাজে পুষ্টিহীনতা ও স্বাস্থ্যহীনতা দেখা দেয়। আর খাদ্যের অভাবে মানুষ কর্মশক্তিহীন হয়ে পড়ে, যা ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও জাতীয় জীবনে অত্যন্ত নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দরপকে উল্লেখিত নাজিমুদ্দিন প্রচেষ্টা খাদ্য চাহিদা পূরণকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়েছে। যা মানুষের বেঁচে থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।