শেয়ারFacebookWhatsApp

"উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার চেতনাগত ঐক্য বিদ্যমান।” – মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: স্বৈরাচারী সরকারের শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন হাজারো আত্মত্যাগের মাধ্যমে সফল হওয়ায় "উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার চেতনাগত ঐক্য বিদ্যমান"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় চিরকাল স্বাধীনচেতা বাঙালি জাতির সংগ্রামের কথা তুলে ধরা হয়েছে। বারবার পরাধীনতা ও বৈষম্যের শিকার হওয়া দৃঢ়চেতা বাঙালি জাতি প্রত্যেকবার অপশক্তিকে শক্ত হাতে মোকাবিলা করেছে। যার ধারাবাহিকতায় গণমানুষের সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে তারা' ২০২৪-এর আন্দোলনে অংশ নেয়। উদ্দীপকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামের দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। কিন্তু এর পর থেকেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী এ দেশের মানুষের ওপর বৈষম্য করতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, তাদের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনেও অনেক লোক প্রাণ হারায়। অবশেষে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে লাখ লাখ মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনাটি ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে লেখা। স্বৈরাচার সরকারের শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে এ দেশের ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন গড়ে তোলে। একইভাবে উদ্দীপকের ঘটনাবর্তেও পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামের কথা বলা হয়েছে, যার চূড়ান্ত পরিণতি বাংলাদেশের স্বাধীনতা। এদিক বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

SSC বাংলা ১ম পত্র আমাদের নতুন গৌরবগাথা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ১ম পত্র · আমাদের নতুন গৌরবগাথা · সৃজনশীল

"উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার চেতনাগত ঐক্য বিদ্যমান।…

উদ্দীপক

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ থেকে ইংরেজ শাসনের অবসান ঘটে। এ সময় ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামের দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের অব্যবহতিকাল পরেই বাংলার মানুষের মোহভঙ্গ হয়। কারণ দেশ বিভাগের পর থেকেই শাসকগোষ্ঠী এ দেশের মানুষের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করতে শুরু করে। তাদের এই অপশাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালিরা বহুবার প্রতিবাদ করেছে। প্রতিবারই বাঙালিকে বুকের রক্ত দিয়ে অধিকার আদায় করতে হয়েছে। অবশেষে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে লাখো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।

উত্তর

দৃঢ়চেতা ও স্থিরপ্রতিজ্ঞ মানুষের সামনে কোনো প্রতিরোধই টেকে না।

উত্তর

তরুণ সমাজ কোটা ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাসের দাবিতে দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করছিল। স্বৈরাচারী সরকারের শাসনামলে সরকারি বেশিরভাগ চাকরি বরাদ্দ ছিল নানা গোষ্ঠীর জন্য। সেই সময় বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পোষ্যকোটার ব্যাপক অপব্যবহার চলছিল। এমতাবস্থায় তরুণ সমাজ সরকারি চাকরি পাওয়ার তেমন সম্ভাবনা দেখছিল না।তাই তারা কোটা পুনর্বিন্যাসের দাবিতে দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করছিল।

উত্তর

অপশক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামে দেশবাসীর আত্মত্যাগের চিত্র উপস্থাপনের দিক থেকে উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার সাদৃশ্য রয়েছে। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় দেখা যায়, ফ্যাসিবাদী সরকার এ দেশের মানুষকে অনবদমিত করে রাখতে চাইলে মানুষ সচেতন হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। দেশের মানুষের সম্মিলিত শক্তির কছে পরাভূত হয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকারের অপশক্তি। উদ্দীপকে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের পর থেকে বাঙালিদের ওপর পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ-নির্যাতনের চিত্র ফুটে উঠেছে। তবে বাঙালিরাও তাদের এই অত্যাচার-নির্যাতনকে মুখ বুজে মেনে নেয়নি। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে নিজেদের অধিকার আদায় করে নিয়েছে। একইভাবে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায়ও ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে রংপুরের ছাত্রনেতা আবু সাঈদের আত্মত্যাগের কথা উপস্থাপন করা হয়েছে। তার সেই আত্মত্যাগ আন্দোলনের গতিপ্রকৃতিই ঘুরিয়ে দেয়। এদিক থেকে উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার সাদৃশ্য প্রতীয়মান হয়।

উত্তর

স্বৈরাচারী সরকারের শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন হাজারো আত্মত্যাগের মাধ্যমে সফল হওয়ায় "উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার চেতনাগত ঐক্য বিদ্যমান"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় চিরকাল স্বাধীনচেতা বাঙালি জাতির সংগ্রামের কথা তুলে ধরা হয়েছে। বারবার পরাধীনতা ও বৈষম্যের শিকার হওয়া দৃঢ়চেতা বাঙালি জাতি প্রত্যেকবার অপশক্তিকে শক্ত হাতে মোকাবিলা করেছে। যার ধারাবাহিকতায় গণমানুষের সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে তারা' ২০২৪-এর আন্দোলনে অংশ নেয়। উদ্দীপকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামের দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। কিন্তু এর পর থেকেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী এ দেশের মানুষের ওপর বৈষম্য করতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, তাদের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনেও অনেক লোক প্রাণ হারায়। অবশেষে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে লাখ লাখ মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনাটি ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে লেখা। স্বৈরাচার সরকারের শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে এ দেশের ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন গড়ে তোলে। একইভাবে উদ্দীপকের ঘটনাবর্তেও পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামের কথা বলা হয়েছে, যার চূড়ান্ত পরিণতি বাংলাদেশের স্বাধীনতা। এদিক বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
SSCবাংলা ১ম পত্রআমাদের নতুন গৌরবগাথা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আঠারো বছর বয়সে নেই ভয় পদাঘাতে ভাঙতে চায় পাথর বাধা, এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়- আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা। ..\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots.. এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে, প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে।
আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কোনটি?
"সেদিন ৫ই আগস্ট ২০২৪ – ৩৬শে জুলাই।” ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
“উদ্দীপকের কবিতাংশে ফুটে ওঠা তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার তরুণ শিক্ষার্থীদের মনোভাবকে যথাযথ প্রতিফলিত করতে পেরেছে।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আঠারো বছর বয়সে নেই ভয় পদাঘাতে ভাঙতে চায় পাথর বাধা, এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়- আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা। ..\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots.. এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে, প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে।
আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কোনটি?
"সেদিন ৫ই আগস্ট ২০২৪ – ৩৬শে জুলাই।” ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
“উদ্দীপকের কবিতাংশে ফুটে ওঠা তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার তরুণ শিক্ষার্থীদের মনোভাবকে যথাযথ প্রতিফলিত করতে পেরেছে।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3."সেদিন ৫ই আগস্ট ২০২৪ – ৩৬শে জুলাই।” ব্যাখ্যা করো।

"সেদিন ৫ই আগস্ট ২০২৪ – ৩৬শে জুলাই।” ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কোনটি?

আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কোনটি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষার্থীরা যেকোনো জাতির জন্যই অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ। কেননা এসময়ে তারা শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যতের সুনাগরিক হিসেবে তৈরি করে। ফলে শিক্ষার্থীদের সমাজের সচেতন ও প্রতিবাদী অংশ বলা চলে। এ কারণে সমাজ ও রাষ্ট্রে ঘটে চলা যেকোনো ঘটনা নিয়েই তারা চিন্তা করে এবং প্রয়োজনে তাদের অভিমত ব্যক্ত করে। বিভিন্ন দেশে সংঘটিত ছাত্র-আন্দোলন মূলত তাদের সম্মিলিত প্রতিবাদেরই ফল।
৫ই আগস্টকে কত তারিখ বলা হয়েছে?
"আসছে ফাগুনে আমরা দ্বিগুণ হবো।"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার কোন দিককে তুলে ধরে? ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকের ভাবনা 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার বিষয়বস্তুকে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত করে কি? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষার্থীরা যেকোনো জাতির জন্যই অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ। কেননা এসময়ে তারা শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যতের সুনাগরিক হিসেবে তৈরি করে। ফলে শিক্ষার্থীদের সমাজের সচেতন ও প্রতিবাদী অংশ বলা চলে। এ কারণে সমাজ ও রাষ্ট্রে ঘটে চলা যেকোনো ঘটনা নিয়েই তারা চিন্তা করে এবং প্রয়োজনে তাদের অভিমত ব্যক্ত করে। বিভিন্ন দেশে সংঘটিত ছাত্র-আন্দোলন মূলত তাদের সম্মিলিত প্রতিবাদেরই ফল।
৫ই আগস্টকে কত তারিখ বলা হয়েছে?
"আসছে ফাগুনে আমরা দ্বিগুণ হবো।"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার কোন দিককে তুলে ধরে? ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকের ভাবনা 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার বিষয়বস্তুকে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত করে কি? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7."আসছে ফাগুনে আমরা দ্বিগুণ হবো।"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।

"আসছে ফাগুনে আমরা দ্বিগুণ হবো।"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.৫ই আগস্টকে কত তারিখ বলা হয়েছে?

৫ই আগস্টকে কত তারিখ বলা হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ থেকে ইংরেজ শাসনের অবসান ঘটে। এ সময় ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামের দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের অব্যবহতিকাল পরেই বাংলার মানুষের মোহভঙ্গ হয়। কারণ দেশ বিভাগের পর থেকেই শাসকগোষ্ঠী এ দেশের মানুষের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করতে শুরু করে। তাদের এই অপশাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালিরা বহুবার প্রতিবাদ করেছে। প্রতিবারই বাঙালিকে বুকের রক্ত দিয়ে অধিকার আদায় করতে হয়েছে। অবশেষে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে লাখো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।
দৃঢ়চেতা ও স্থিরপ্রতিজ্ঞ মানুষের সামনে কী টেকে না?
তরুণ সমাজ দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করছিল কেন? বুঝিয়ে লেখো।
উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
"উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার চেতনাগত ঐক্য বিদ্যমান।” – মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.তরুণ সমাজ দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করছিল কেন? বুঝিয়ে লেখো।

তরুণ সমাজ দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করছিল কেন? বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.দৃঢ়চেতা ও স্থিরপ্রতিজ্ঞ মানুষের সামনে কী টেকে না?

দৃঢ়চেতা ও স্থিরপ্রতিজ্ঞ মানুষের সামনে কী টেকে না?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সাল। সারা দেশে যুদ্ধের দামামা বাজছে। একে তো পাকিস্তানি শাসকদের অপশাসনে বাংলার মানুষ অতিষ্ঠ, তার ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নির্বিচারে মানুষ মারছে, ঘরবাড়ি-দোকানপাট জ্বালিয়ে দিচ্ছে। এমতাবস্থায় বৃদ্ধ সুরুজ আলির ছেলে মকবুল যুদ্ধে যোগ দিয়েছে। তবে সুরুজ আলি এতসব বোঝে না। তার স্বপ্ন একটাই; তা হলো- যুদ্ধ জয়ের পর গরিব বলে তারা বৈষম্যের শিকার হবে না। দুবেলা দুমুঠো ভাত খেতে পারবে আর সম্মানের সাথে বাঁচতে পারবে।
স্বৈরাচারী শাসকের সময়ে বছরের পর বছর মানুষ কী লুট হতে দেখেছে?
স্বৈরাচারী সরকারের সময়ে এ দেশের মানুষ ভয়াবহ অসম্মান ও অনিশ্চয়তায় পড়ে গিয়েছিল কেন?
উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার কোন দিক থেকে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার মূলভাবকে সম্পূর্ণ তুলে ধরে কি?- বিচার করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

“উদ্দীপকের কবিতাংশে ফুটে ওঠা তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার তরউদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।"সেদিন ৫ই আগস্ট ২০২৪ – ৩৬শে জুলাই।” ব্যাখ্যা করো।আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কোনটি?উদ্দীপকের ভাবনা 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার বিষয়বস্তুকে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত করে উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার কোন দিককে তুলে ধরে? ব্যাখ্যা করো।"আসছে ফাগুনে আমরা দ্বিগুণ হবো।"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।৫ই আগস্টকে কত তারিখ বলা হয়েছে?উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।তরুণ সমাজ দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করছিল কেন? বুঝিয়ে লেখো।দৃঢ়চেতা ও স্থিরপ্রতিজ্ঞ মানুষের সামনে কী টেকে না?উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার মূলভাবকে সম্পূর্ণ তুলে ধরে কি?- বিচার করো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।