আমাদের নতুন গৌরবগাথা বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর আমাদের নতুন গৌরবগাথা অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১৪৭

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

আঠারো বছর বয়সে নেই ভয় পদাঘাতে ভাঙতে চায় পাথর বাধা, এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়- আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা। ..\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots.. এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে, প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে।
আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কোনটি?

উত্তর

আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো ছাত্রীদের সর্বাত্মক অংশগ্রহণ।
"সেদিন ৫ই আগস্ট ২০২৪ – ৩৬শে জুলাই।” ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

"সেদিন ৫ই আগস্ট ২০২৪ – ৩৬শে জুলাই।"- কথাটি বাঙালির প্রতিবাদী চেতনার ধারক। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাংলার ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। এই আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে স্বৈরাচারী সরকার ছাত্রসহ সাধারণ জনতার ওপর অকথ্য নির্যাতন চালায়। ক্যালেন্ডারের পাতায় জুলাই পেরিয়ে আগস্ট মাস আসে। কিন্তু স্বৈরাচারের অত্যাচারের অবসান হয় না। যেন ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে দুর্বিষহ জুলাই শেষই হচ্ছে না। সেই ধারাবাহিকতায় আগের জুলাই মাসের দিনের সঙ্গে আগস্ট মাসের ৫ দিন যোগ করে বলা হয়েছে ৩৬শে জুলাই, যা বাঙালির হার না-মানা প্রতিবাদী চেতনার প্রকাশ ঘটিয়েছে।
উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় উল্লিখিত বৈষম্য নিরসনে তরুণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন গড়ে তোলার দিককে নির্দেশ করে। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় দেখানো হয়েছে শিক্ষার্থী তথা তরুণরাই হচ্ছে দেশের ভবিষ্যৎ। তারুণ্যের অমিতশক্তি যেকোনো অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে সাম্যবাদী সমাজ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি আঠারো বছর বয়সি তারুণ্যের জয়গান গেয়েছেন। তার মতে, এ বয়সিরা পাথর বাধাকে চূর্ণ করে নতুন কিছু করার প্রত্যয়ে নিজেদের শপথের কোলাহলে সঁপে দেয়। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনে তারা বুকের রক্ত ঢেলে দিতেও পিছপা হয় না। একইভাবে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায়ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এমন বৈশিষ্ট্যই ফুটে উঠেছে। সেখানে বৈষম্যমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে আত্মশপথে বলীয়ান হয়ে তারা আন্দোলনে নামে। উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার এ দিকটিকেই নির্দেশ করে।
“উদ্দীপকের কবিতাংশে ফুটে ওঠা তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার তরুণ শিক্ষার্থীদের মনোভাবকে যথাযথ প্রতিফলিত করতে পেরেছে।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

তরুণদের অদম্য সাহস ও সংগ্রামী চেতনার দিক থেকে বলা যায়, "উদ্দীপকের কবিতাংশে ফুটে ওঠা তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার তরুণ শিক্ষার্থীদের মনোভাবকে যথাযথ প্রতিফলিত করতে পেরেছে" মন্তব্যটি যথার্থ। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় ফ্যাসিবাদী সরকারের বিপক্ষে গণমানুষের আন্দোলনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে সম্মিলিত শক্তির কাছে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটে। এই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের সকল মানুষের জন্য একটা সুন্দর দেশ বিনির্মাণের সুযোগ এনে দিয়েছে। উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি তারুণ্যের নানা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। এ বয়সি তরুণরা অকুতোভয় ও স্বাধীনচেতা মনোভাবের হয়ে থাকে। আত্মশপথে বলীয়ান এসব তরুণের কাছে পথের যেকোনো বাধাই যেন তুচ্ছ। মাতৃভূমির প্রয়োজনে এরাই সবার আগে এগিয়ে আসে। শুধু তাই নয়, এ বয়সিরা আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে রক্তমূল্য দিতেও পিছপা হয় না। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে উপজীব্য করা হয়েছে। এ আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাদেশে স্বৈরশাসনের অবসান হয় এবং এ দেশের মানুষ নতুন করে স্বাধীনতার স্বাদ পায়। আলোড়ন সৃষ্টিকারী এই আন্দোলনে তরুণ শিক্ষার্থীদের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। বলতে গেলে তারাই ছিল এই আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি। বৈষম্যমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে আত্মশপথে বলীয়ান হয়ে তারা আন্দোলনে নামে এবং বহু প্রাণের মূল্যে শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হয়। এর পশ্চাতে ছিল তারুণ্যের অমিতশক্তি, ভেজ ও আত্মত্যাগের দৃপ্ত শপথ, যা কবিতাংশটিতে বর্ণিত তারুণ্যের বৈশিষ্ট্যকেই নির্দেশ করে। এ দিক বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

আঠারো বছর বয়সে নেই ভয় পদাঘাতে ভাঙতে চায় পাথর বাধা, এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়- আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা। ..\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots.. এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে, প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে।
আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কোনটি?

উত্তর

আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো ছাত্রীদের সর্বাত্মক অংশগ্রহণ।
"সেদিন ৫ই আগস্ট ২০২৪ – ৩৬শে জুলাই।” ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

"সেদিন ৫ই আগস্ট ২০২৪ – ৩৬শে জুলাই।"- কথাটি বাঙালির প্রতিবাদী চেতনার ধারক। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাংলার ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। এই আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে স্বৈরাচারী সরকার ছাত্রসহ সাধারণ জনতার ওপর অকথ্য নির্যাতন চালায়। ক্যালেন্ডারের পাতায় জুলাই পেরিয়ে আগস্ট মাস আসে। কিন্তু স্বৈরাচারের অত্যাচারের অবসান হয় না। যেন ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে দুর্বিষহ জুলাই শেষই হচ্ছে না। সেই ধারাবাহিকতায় আগের জুলাই মাসের দিনের সঙ্গে আগস্ট মাসের ৫ দিন যোগ করে বলা হয়েছে ৩৬শে জুলাই, যা বাঙালির হার না-মানা প্রতিবাদী চেতনার প্রকাশ ঘটিয়েছে।
উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় উল্লিখিত বৈষম্য নিরসনে তরুণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন গড়ে তোলার দিককে নির্দেশ করে। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় দেখানো হয়েছে শিক্ষার্থী তথা তরুণরাই হচ্ছে দেশের ভবিষ্যৎ। তারুণ্যের অমিতশক্তি যেকোনো অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে সাম্যবাদী সমাজ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি আঠারো বছর বয়সি তারুণ্যের জয়গান গেয়েছেন। তার মতে, এ বয়সিরা পাথর বাধাকে চূর্ণ করে নতুন কিছু করার প্রত্যয়ে নিজেদের শপথের কোলাহলে সঁপে দেয়। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনে তারা বুকের রক্ত ঢেলে দিতেও পিছপা হয় না। একইভাবে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায়ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এমন বৈশিষ্ট্যই ফুটে উঠেছে। সেখানে বৈষম্যমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে আত্মশপথে বলীয়ান হয়ে তারা আন্দোলনে নামে। উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার এ দিকটিকেই নির্দেশ করে।
“উদ্দীপকের কবিতাংশে ফুটে ওঠা তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার তরুণ শিক্ষার্থীদের মনোভাবকে যথাযথ প্রতিফলিত করতে পেরেছে।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

তরুণদের অদম্য সাহস ও সংগ্রামী চেতনার দিক থেকে বলা যায়, "উদ্দীপকের কবিতাংশে ফুটে ওঠা তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার তরুণ শিক্ষার্থীদের মনোভাবকে যথাযথ প্রতিফলিত করতে পেরেছে" মন্তব্যটি যথার্থ। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় ফ্যাসিবাদী সরকারের বিপক্ষে গণমানুষের আন্দোলনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে সম্মিলিত শক্তির কাছে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটে। এই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের সকল মানুষের জন্য একটা সুন্দর দেশ বিনির্মাণের সুযোগ এনে দিয়েছে। উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি তারুণ্যের নানা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। এ বয়সি তরুণরা অকুতোভয় ও স্বাধীনচেতা মনোভাবের হয়ে থাকে। আত্মশপথে বলীয়ান এসব তরুণের কাছে পথের যেকোনো বাধাই যেন তুচ্ছ। মাতৃভূমির প্রয়োজনে এরাই সবার আগে এগিয়ে আসে। শুধু তাই নয়, এ বয়সিরা আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে রক্তমূল্য দিতেও পিছপা হয় না। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে উপজীব্য করা হয়েছে। এ আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাদেশে স্বৈরশাসনের অবসান হয় এবং এ দেশের মানুষ নতুন করে স্বাধীনতার স্বাদ পায়। আলোড়ন সৃষ্টিকারী এই আন্দোলনে তরুণ শিক্ষার্থীদের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। বলতে গেলে তারাই ছিল এই আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি। বৈষম্যমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে আত্মশপথে বলীয়ান হয়ে তারা আন্দোলনে নামে এবং বহু প্রাণের মূল্যে শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হয়। এর পশ্চাতে ছিল তারুণ্যের অমিতশক্তি, ভেজ ও আত্মত্যাগের দৃপ্ত শপথ, যা কবিতাংশটিতে বর্ণিত তারুণ্যের বৈশিষ্ট্যকেই নির্দেশ করে। এ দিক বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিক্ষার্থীরা যেকোনো জাতির জন্যই অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ। কেননা এসময়ে তারা শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যতের সুনাগরিক হিসেবে তৈরি করে। ফলে শিক্ষার্থীদের সমাজের সচেতন ও প্রতিবাদী অংশ বলা চলে। এ কারণে সমাজ ও রাষ্ট্রে ঘটে চলা যেকোনো ঘটনা নিয়েই তারা চিন্তা করে এবং প্রয়োজনে তাদের অভিমত ব্যক্ত করে। বিভিন্ন দেশে সংঘটিত ছাত্র-আন্দোলন মূলত তাদের সম্মিলিত প্রতিবাদেরই ফল।
৫ই আগস্টকে কত তারিখ বলা হয়েছে?

উত্তর

৫ই আগস্টকে ৩৬শে জুলাই বলা হয়েছে।
"আসছে ফাগুনে আমরা দ্বিগুণ হবো।"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে বেগবান করতে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে। বাঙালির ইতিহাস হলো সংগ্রামের ইতিহাস। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান আর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্যে সাযুজ্য রয়েছে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন নিয়ে রচিত জহির রায়হানের উপন্যাস 'আরেক ফাল্গুন' থেকে চরণটি নেওয়া হয়েছে। সেই সময় অনেক বেশি শিক্ষার্থী আটক করা হয়েছিল ফলে জেলখানায় জায়গা সংকুলান হচ্ছিল না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে এসেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। তাই দেয়ালে দেয়ালে গ্রাফিতিতে এই চরণ লেখা হয়, যা আন্দোলনকারীদের মধ্যে প্রতিরোধস্পৃহা জাগিয়ে তোলে।
উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার কোন দিককে তুলে ধরে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় উল্লিখিত শিক্ষার্থীদের আন্দোলন গড়ে তোলার দিকটিকে তুলে ধরে। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কথা তুলে ধরা হয়েছে। ছাত্ররা শিক্ষাজীবন শেষে মেধার ভিত্তিতে কর্মজীবনে প্রবেশ করার জন্য কোটা ব্যবস্থার সংস্কার চায়। কিন্তু সরকার তা মেনে না নিয়ে দমন করার চেষ্টা করলে একদফা আন্দোলন শুরু হয় এবং সরকারের পতন ঘটে। উদ্দীপকে শিক্ষার্থীদের সমাজের সচেতন ও প্রতিবাদী অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সংগত কারণেই তারা আত্মসচেতন ও. চিন্তাশীল হয়ে থাকে। ফলে রাষ্ট্র ও সমাজ নিয়ে তারা প্রায়শই তাদের অভিমত ব্যক্ত করে, যা থেকে ছাত্র-আন্দোলনের জন্ম হয়। একইভাবে, 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায়ও ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের কথা তুলে ধরা হয়েছে, যার সৃষ্টি হয় শিক্ষার্থীদের হাত ধরে। পরবর্তী সময়ে তা আরও বড়ো হয়ে গণআন্দোলনে রূপ নেয়। উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার শিক্ষার্থীদের আন্দোলন গড়ে তোলার দিকটিকেই নির্দেশ করে।
উদ্দীপকের ভাবনা 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার বিষয়বস্তুকে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত করে কি? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, বিজয় ও মানুষের প্রত্যাশার দিক থেকে উদ্দীপকের ভাবনা 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার বিষয়বস্তুকে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত করে না। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের অবদানের কথা তুলে ধরা হয়েছে। যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রাম শিক্ষার্থীরাই মূলত প্রধান ভূমিকা পালন করে। যুগে যুগে তাদের উদ্যমী শক্তির মাধ্যমেই প্রায় সকল প্রকার আন্দোলন-সংগ্রাম সফলতা অর্জন করছে। উদ্দীপকে জাতীয় জীবনে শিক্ষার্থীদের গুরুত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ সময় শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে শিক্ষাগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। আর তা করতে গিয়ে তারা আত্মসচেতন হওয়ার পাশাপাশি রাজনীতি সচেতনও হয়ে ওঠে। ফলে সমাজ ও রাষ্ট্রে ঘটমান যেকোনো বিষয় নিয়ে ভাবার পাশাপাশি তা নিয়ে তারা প্রতিক্রিয়াও জানায়। আর কোনো ঘটনা বা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাদের সম্মিলিত প্রতিক্রিয়া থেকেই সৃষ্টি হয় আন্দোলনের। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও এ আন্দোলনে বিজয়ের অনিবার্যতাকে। উপস্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি সেখানে ৫ই আগস্ট বিজয় উদ্যাপনের জন্য গণমানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং এ আন্দোলনকে ঘিরে মানুষের প্রত্যাশার কথাও বলা হয়েছে। এসব বিষয় উদ্দীপকে ফুটে ওঠেনি। সেখানে কেবল ছাত্র আন্দোলন গড়ে ওঠার পেছনে শিক্ষার্থীদের মনোজাগতিক অবস্থা ও প্রতিবাদী মানসিকতার কথা ফুটে উঠেছে, 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার অন্যান্য বিষয় নয়। এদিক থেকে উদ্দীপকের ভাবনা এই রচনার বিষয়বস্তুকে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত করে না।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিক্ষার্থীরা যেকোনো জাতির জন্যই অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ। কেননা এসময়ে তারা শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যতের সুনাগরিক হিসেবে তৈরি করে। ফলে শিক্ষার্থীদের সমাজের সচেতন ও প্রতিবাদী অংশ বলা চলে। এ কারণে সমাজ ও রাষ্ট্রে ঘটে চলা যেকোনো ঘটনা নিয়েই তারা চিন্তা করে এবং প্রয়োজনে তাদের অভিমত ব্যক্ত করে। বিভিন্ন দেশে সংঘটিত ছাত্র-আন্দোলন মূলত তাদের সম্মিলিত প্রতিবাদেরই ফল।
৫ই আগস্টকে কত তারিখ বলা হয়েছে?

উত্তর

৫ই আগস্টকে ৩৬শে জুলাই বলা হয়েছে।
"আসছে ফাগুনে আমরা দ্বিগুণ হবো।"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে বেগবান করতে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে। বাঙালির ইতিহাস হলো সংগ্রামের ইতিহাস। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান আর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্যে সাযুজ্য রয়েছে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন নিয়ে রচিত জহির রায়হানের উপন্যাস 'আরেক ফাল্গুন' থেকে চরণটি নেওয়া হয়েছে। সেই সময় অনেক বেশি শিক্ষার্থী আটক করা হয়েছিল ফলে জেলখানায় জায়গা সংকুলান হচ্ছিল না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে এসেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। তাই দেয়ালে দেয়ালে গ্রাফিতিতে এই চরণ লেখা হয়, যা আন্দোলনকারীদের মধ্যে প্রতিরোধস্পৃহা জাগিয়ে তোলে।
উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার কোন দিককে তুলে ধরে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় উল্লিখিত শিক্ষার্থীদের আন্দোলন গড়ে তোলার দিকটিকে তুলে ধরে। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কথা তুলে ধরা হয়েছে। ছাত্ররা শিক্ষাজীবন শেষে মেধার ভিত্তিতে কর্মজীবনে প্রবেশ করার জন্য কোটা ব্যবস্থার সংস্কার চায়। কিন্তু সরকার তা মেনে না নিয়ে দমন করার চেষ্টা করলে একদফা আন্দোলন শুরু হয় এবং সরকারের পতন ঘটে। উদ্দীপকে শিক্ষার্থীদের সমাজের সচেতন ও প্রতিবাদী অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সংগত কারণেই তারা আত্মসচেতন ও. চিন্তাশীল হয়ে থাকে। ফলে রাষ্ট্র ও সমাজ নিয়ে তারা প্রায়শই তাদের অভিমত ব্যক্ত করে, যা থেকে ছাত্র-আন্দোলনের জন্ম হয়। একইভাবে, 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায়ও ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের কথা তুলে ধরা হয়েছে, যার সৃষ্টি হয় শিক্ষার্থীদের হাত ধরে। পরবর্তী সময়ে তা আরও বড়ো হয়ে গণআন্দোলনে রূপ নেয়। উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার শিক্ষার্থীদের আন্দোলন গড়ে তোলার দিকটিকেই নির্দেশ করে।
উদ্দীপকের ভাবনা 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার বিষয়বস্তুকে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত করে কি? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, বিজয় ও মানুষের প্রত্যাশার দিক থেকে উদ্দীপকের ভাবনা 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার বিষয়বস্তুকে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত করে না। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের অবদানের কথা তুলে ধরা হয়েছে। যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রাম শিক্ষার্থীরাই মূলত প্রধান ভূমিকা পালন করে। যুগে যুগে তাদের উদ্যমী শক্তির মাধ্যমেই প্রায় সকল প্রকার আন্দোলন-সংগ্রাম সফলতা অর্জন করছে। উদ্দীপকে জাতীয় জীবনে শিক্ষার্থীদের গুরুত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ সময় শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে শিক্ষাগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। আর তা করতে গিয়ে তারা আত্মসচেতন হওয়ার পাশাপাশি রাজনীতি সচেতনও হয়ে ওঠে। ফলে সমাজ ও রাষ্ট্রে ঘটমান যেকোনো বিষয় নিয়ে ভাবার পাশাপাশি তা নিয়ে তারা প্রতিক্রিয়াও জানায়। আর কোনো ঘটনা বা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাদের সম্মিলিত প্রতিক্রিয়া থেকেই সৃষ্টি হয় আন্দোলনের। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও এ আন্দোলনে বিজয়ের অনিবার্যতাকে। উপস্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি সেখানে ৫ই আগস্ট বিজয় উদ্যাপনের জন্য গণমানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং এ আন্দোলনকে ঘিরে মানুষের প্রত্যাশার কথাও বলা হয়েছে। এসব বিষয় উদ্দীপকে ফুটে ওঠেনি। সেখানে কেবল ছাত্র আন্দোলন গড়ে ওঠার পেছনে শিক্ষার্থীদের মনোজাগতিক অবস্থা ও প্রতিবাদী মানসিকতার কথা ফুটে উঠেছে, 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার অন্যান্য বিষয় নয়। এদিক থেকে উদ্দীপকের ভাবনা এই রচনার বিষয়বস্তুকে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত করে না।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ থেকে ইংরেজ শাসনের অবসান ঘটে। এ সময় ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামের দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের অব্যবহতিকাল পরেই বাংলার মানুষের মোহভঙ্গ হয়। কারণ দেশ বিভাগের পর থেকেই শাসকগোষ্ঠী এ দেশের মানুষের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করতে শুরু করে। তাদের এই অপশাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালিরা বহুবার প্রতিবাদ করেছে। প্রতিবারই বাঙালিকে বুকের রক্ত দিয়ে অধিকার আদায় করতে হয়েছে। অবশেষে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে লাখো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।
দৃঢ়চেতা ও স্থিরপ্রতিজ্ঞ মানুষের সামনে কী টেকে না?

উত্তর

দৃঢ়চেতা ও স্থিরপ্রতিজ্ঞ মানুষের সামনে কোনো প্রতিরোধই টেকে না।
তরুণ সমাজ দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করছিল কেন? বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

তরুণ সমাজ কোটা ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাসের দাবিতে দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করছিল। স্বৈরাচারী সরকারের শাসনামলে সরকারি বেশিরভাগ চাকরি বরাদ্দ ছিল নানা গোষ্ঠীর জন্য। সেই সময় বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পোষ্যকোটার ব্যাপক অপব্যবহার চলছিল। এমতাবস্থায় তরুণ সমাজ সরকারি চাকরি পাওয়ার তেমন সম্ভাবনা দেখছিল না।তাই তারা কোটা পুনর্বিন্যাসের দাবিতে দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করছিল।
উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

অপশক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামে দেশবাসীর আত্মত্যাগের চিত্র উপস্থাপনের দিক থেকে উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার সাদৃশ্য রয়েছে। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় দেখা যায়, ফ্যাসিবাদী সরকার এ দেশের মানুষকে অনবদমিত করে রাখতে চাইলে মানুষ সচেতন হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। দেশের মানুষের সম্মিলিত শক্তির কছে পরাভূত হয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকারের অপশক্তি। উদ্দীপকে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের পর থেকে বাঙালিদের ওপর পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ-নির্যাতনের চিত্র ফুটে উঠেছে। তবে বাঙালিরাও তাদের এই অত্যাচার-নির্যাতনকে মুখ বুজে মেনে নেয়নি। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে নিজেদের অধিকার আদায় করে নিয়েছে। একইভাবে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায়ও ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে রংপুরের ছাত্রনেতা আবু সাঈদের আত্মত্যাগের কথা উপস্থাপন করা হয়েছে। তার সেই আত্মত্যাগ আন্দোলনের গতিপ্রকৃতিই ঘুরিয়ে দেয়। এদিক থেকে উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার সাদৃশ্য প্রতীয়মান হয়।
"উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার চেতনাগত ঐক্য বিদ্যমান।” – মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

স্বৈরাচারী সরকারের শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন হাজারো আত্মত্যাগের মাধ্যমে সফল হওয়ায় "উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার চেতনাগত ঐক্য বিদ্যমান"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় চিরকাল স্বাধীনচেতা বাঙালি জাতির সংগ্রামের কথা তুলে ধরা হয়েছে। বারবার পরাধীনতা ও বৈষম্যের শিকার হওয়া দৃঢ়চেতা বাঙালি জাতি প্রত্যেকবার অপশক্তিকে শক্ত হাতে মোকাবিলা করেছে। যার ধারাবাহিকতায় গণমানুষের সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে তারা' ২০২৪-এর আন্দোলনে অংশ নেয়। উদ্দীপকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামের দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। কিন্তু এর পর থেকেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী এ দেশের মানুষের ওপর বৈষম্য করতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, তাদের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনেও অনেক লোক প্রাণ হারায়। অবশেষে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে লাখ লাখ মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনাটি ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে লেখা। স্বৈরাচার সরকারের শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে এ দেশের ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন গড়ে তোলে। একইভাবে উদ্দীপকের ঘটনাবর্তেও পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামের কথা বলা হয়েছে, যার চূড়ান্ত পরিণতি বাংলাদেশের স্বাধীনতা। এদিক বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ থেকে ইংরেজ শাসনের অবসান ঘটে। এ সময় ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামের দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের অব্যবহতিকাল পরেই বাংলার মানুষের মোহভঙ্গ হয়। কারণ দেশ বিভাগের পর থেকেই শাসকগোষ্ঠী এ দেশের মানুষের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করতে শুরু করে। তাদের এই অপশাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালিরা বহুবার প্রতিবাদ করেছে। প্রতিবারই বাঙালিকে বুকের রক্ত দিয়ে অধিকার আদায় করতে হয়েছে। অবশেষে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে লাখো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।
দৃঢ়চেতা ও স্থিরপ্রতিজ্ঞ মানুষের সামনে কী টেকে না?

উত্তর

দৃঢ়চেতা ও স্থিরপ্রতিজ্ঞ মানুষের সামনে কোনো প্রতিরোধই টেকে না।
তরুণ সমাজ দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করছিল কেন? বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

তরুণ সমাজ কোটা ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাসের দাবিতে দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করছিল। স্বৈরাচারী সরকারের শাসনামলে সরকারি বেশিরভাগ চাকরি বরাদ্দ ছিল নানা গোষ্ঠীর জন্য। সেই সময় বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পোষ্যকোটার ব্যাপক অপব্যবহার চলছিল। এমতাবস্থায় তরুণ সমাজ সরকারি চাকরি পাওয়ার তেমন সম্ভাবনা দেখছিল না।তাই তারা কোটা পুনর্বিন্যাসের দাবিতে দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করছিল।
উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

অপশক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামে দেশবাসীর আত্মত্যাগের চিত্র উপস্থাপনের দিক থেকে উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার সাদৃশ্য রয়েছে। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় দেখা যায়, ফ্যাসিবাদী সরকার এ দেশের মানুষকে অনবদমিত করে রাখতে চাইলে মানুষ সচেতন হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। দেশের মানুষের সম্মিলিত শক্তির কছে পরাভূত হয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকারের অপশক্তি। উদ্দীপকে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের পর থেকে বাঙালিদের ওপর পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ-নির্যাতনের চিত্র ফুটে উঠেছে। তবে বাঙালিরাও তাদের এই অত্যাচার-নির্যাতনকে মুখ বুজে মেনে নেয়নি। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে নিজেদের অধিকার আদায় করে নিয়েছে। একইভাবে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায়ও ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে রংপুরের ছাত্রনেতা আবু সাঈদের আত্মত্যাগের কথা উপস্থাপন করা হয়েছে। তার সেই আত্মত্যাগ আন্দোলনের গতিপ্রকৃতিই ঘুরিয়ে দেয়। এদিক থেকে উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার সাদৃশ্য প্রতীয়মান হয়।
"উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার চেতনাগত ঐক্য বিদ্যমান।” – মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

স্বৈরাচারী সরকারের শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন হাজারো আত্মত্যাগের মাধ্যমে সফল হওয়ায় "উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার চেতনাগত ঐক্য বিদ্যমান"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় চিরকাল স্বাধীনচেতা বাঙালি জাতির সংগ্রামের কথা তুলে ধরা হয়েছে। বারবার পরাধীনতা ও বৈষম্যের শিকার হওয়া দৃঢ়চেতা বাঙালি জাতি প্রত্যেকবার অপশক্তিকে শক্ত হাতে মোকাবিলা করেছে। যার ধারাবাহিকতায় গণমানুষের সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে তারা' ২০২৪-এর আন্দোলনে অংশ নেয়। উদ্দীপকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামের দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। কিন্তু এর পর থেকেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী এ দেশের মানুষের ওপর বৈষম্য করতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, তাদের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনেও অনেক লোক প্রাণ হারায়। অবশেষে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে লাখ লাখ মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনাটি ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে লেখা। স্বৈরাচার সরকারের শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে এ দেশের ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন গড়ে তোলে। একইভাবে উদ্দীপকের ঘটনাবর্তেও পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামের কথা বলা হয়েছে, যার চূড়ান্ত পরিণতি বাংলাদেশের স্বাধীনতা। এদিক বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSC বাংলা ১ম পত্র — আমাদের নতুন গৌরবগাথা MCQ | Prosthuti