জীবের গুণগতমান উন্নয়নে দ্বিতীয় প্রযুক্তির ব্যবহার কী ধরনের সুফল বয়ে আনবে বলে তুমি মনে কর? যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: তামিম সাহেব দ্বিতীয় প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কোষকেন্দ্রের জিন কণার পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন চারা তৈরিতে সফল হয়েছিলেন। জিন কণা কোষের DNA-তে অবস্থান করে। সুতরাং দ্বিতীয় প্রযুক্তিটি প্রকৃতপক্ষে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি। এটি ব্যবহার করে আমরা বিভিন্ন ধরনের সুফল পেতে পারি। রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির মাধ্যমে অধিক ফলনশীল, কীটপতঙ্গ প্রতিরোধী, আগাছানাশক সহিষ্ণু ইত্যাদি উন্নত বৈশিষ্ট্যের উদ্ভিদ তৈরি করা সম্ভব। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে DNA পর্যায়ে অর্থাৎ জিন কণার পরিবর্তন ঘটিয়ে ফসলের পুষ্টিমানের উন্নয়ন ঘটানো হয়েছে। যেমন- এ প্রযুক্তির মাধ্যমে ভিটামিন-এ এবং আয়রণ সমৃদ্ধ 'সুপার রাইস' উদ্ভাবিত হয়েছে। আবার গরুর দুধে প্রোটিনের পরিমান বৃদ্ধির জন্য Protein C চিকিৎসা ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহৃত হয়। রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিতে জিন স্থানান্তরের মাধ্যমে ঈস্ট থেকে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের টিকা (ইন্টারফেরন) তৈরি করা হয়েছে। মানুষের ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসায় যে ইনসুলিন ব্যবহৃত হয় তাও আজ এ প্রযুক্তি ব্যবহারে E. coli থেকে বাণিজ্যিকভাবে তৈরি হচ্ছে। শুধু তাই নয় মৎস্য উন্নয়নেও জিন স্থানান্তরের মাধ্যমে মাছের আকার প্রায় ৬০ ভাগ বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে, যা আমাদের আমিষের চাহিদা মেটাতে বিশেষভাবে সক্ষম। তাই, আমি মনে করি, জীবের গুণগতমান উন্নয়নে দ্বিতীয় প্রযুক্তির ব্যবহার শস্য উন্নয়নে, প্রাণী ও মৎস্য উন্নয়নে এবং চিকিৎসাক্ষেত্রে বিপুল পরিমান সুফল বয়ে আনবে।
SSC জীববিজ্ঞান অধ্যায়-১৪ : জীবপ্রযুক্তি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · জীববিজ্ঞান · অধ্যায়-১৪ : জীবপ্রযুক্তি · সৃজনশীল
জীবের গুণগতমান উন্নয়নে দ্বিতীয় প্রযুক্তির ব্যবহার কী ধরনের সুফল বয়…
উদ্দীপক
Dinajpur · 2016
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর