প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রজননের তুলনায় উদ্দীপকের দ্বিতীয় পদ্ধতিটি অধিক কার্যকর- বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকের কৃষিমেলার প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত জিন পরিবর্তনের মাধ্যমে ফসলের বিভিন্ন জাত উদ্ভাবনের প্রক্রিয়াটি হলো জিন প্রকৌশল পদ্ধতি। এই পদ্ধতিটি প্রচলিত প্রজনন পদ্ধতির তুলনায় অধিক কার্যকর। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- প্রচলিত প্রজনন প্রক্রিয়ায় জিন স্থানান্তর একই বা খুব নিকটবর্তী প্রজাতির মাঝে সীমাবদ্ধ, জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে নিকটবর্তী বা দূরবর্তী যেকোনো প্রজাতির মাঝে এক বা একাধিক জিন সরাসরি স্থানান্তর করা সম্ভব। প্রচলিত প্রজননে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করতে দীর্ঘসময় প্রয়োজন। তবে জিন প্রকৌশলের সাহায্যে খুব দ্রুত কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন উদ্ভিদ বা প্রাণী বা অণুজীব পাওয়া সম্ভব। প্রচলিত প্রজননে কাঙ্ক্ষিত জিনের স্থানান্তরও অনিশ্চিত। জিন প্রকৌশলে অনাকাঙ্ক্ষিত জিন স্থানান্তরের সম্ভাবনা নেই এবং কাঙ্ক্ষিত জিন স্থানান্তর নিশ্চিত। প্রচরিত প্রজনন কোনো রকম জীব নিরাপত্তা নিযম পদ্ধতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়। কিন্তু জিন প্রকৌশল আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জীব নিরাপত্তা নিয়ম-নীতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। প্রচলিত প্রজননে বিষাক্ততা পরীক্ষা করা হয় না, কিন্তু জিন প্রকৌশলে বিষাক্ততা পরীক্ষা করা হয়। উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রজননের তুলনায় উদ্দীপকে উল্লিখিত জিন প্রকৌশল পদ্ধতি অধিক কার্যকর।
SSC জীববিজ্ঞান অধ্যায়-১৪ : জীবপ্রযুক্তি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · জীববিজ্ঞান · অধ্যায়-১৪ : জীবপ্রযুক্তি · সৃজনশীল
প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রজননের তুলনায় উদ্দীপকের দ্বিতীয় পদ্ধতিটি অধিক কা…
উদ্দীপক
Rajshahi · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
iii . জীবাণুমুক্ত আবাদ প্রতিষ্ঠা: আবাদ মাধ্যমকে কাচের পাত্রে নিয়ে তুলা বা প্লাস্টিকের ঢাকনা দিয়ে মুখ বন্ধ করা হয়। পরবর্তীতে অটোক্লেভ যন্ত্রে ১২১° সে. তাপমাত্রায় ১৫ /b/sq.inch চাপে ২০ মি. রেখে জীবাণুমুক্ত করা হয়। জীবাণুমুক্ত তরল আবাদকে ঠান্ডা ও জমাট বাঁধার পর এক্সপ্ল্যান্টগুলোকে নির্দিষ্ট আলো ও তাপমাত্রা (২৫ + ২° সে.) সম্পন্ন নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বর্ধনের জন্য রাখা হয়। এ পর্যায়ে আবাদে স্থাপিত টিস্যু বারবার বিভাজনের মাধ্যমে সরাসরি অণুচারা তৈরি হয় বা অবয়বহীন টিস্যুমন্ডে পরিণত হয়। এ টিস্যুমণ্ড হতে পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে একাধিক অণুচারা উৎপন্ন হয়।
iv. মূল উৎপাদক মাধ্যমে স্থানান্তর: এ সমস্ত উৎপাদিত চারাগাছে যদি মূল উৎপন্ন হয় তবে একটি নির্দিষ্ট উচ্চতা লাভের পর বিটপগুলোকে বিচ্ছিন্ন করে নেওয়া হয় এবং তাদেরকে পুনরায় মূল উৎপাদনকারী আবাদ মাধ্যমে স্থাপন করা হয়।
V. প্রাকৃতিক পরিবেশে তথা মাঠপর্যায়ে স্থানান্তর: মূলযুক্ত চারাগুলোকে পানিতে ধুয়ে অ্যাগারমুক্ত অবস্থায় ল্যাবরেটরিতে মাটি ভরা ছোট ছোট পাত্রে স্থানান্তর করা যায়। পাত্রে লাগানো চারাগুলো কক্ষের বাইরে রেখে মাঝে মাঝে বাইরের প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হয়। পূর্ণাঙ্গ চারাগুলো সজীব ও সবল হয়ে উঠলে সেগুলোকে একপর্যায়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে মাটিতে লাগানো হয়।উত্তর