শেয়ারFacebookWhatsApp

আজফার সাহেবের কার্যাবলি মহানবি (স.)-এর মদিনা সনদের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: আজফার সাহেবের কার্যাবলি মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। রাসুল (সা.) প্রণীত মদিনা সনদ মানব ইতিহাসের সর্বপ্রথম লিখিত সংবিধান। এ সনদে মোট ৪৭টি ধারা ছিল। এসব ধারার সবগুলো ছিল মদিনাবাসীর অনুকূলে। এ সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাসুল (সা.) বিশৃঙ্খল মদিনাবাসীকে ঐক্যবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল জাতিতে পরিণত করেছিলেন। যা আজফার সাহেবের কর্মকাণ্ডেও প্রকাশ পায়। উদ্দীপকের আজফার সাহেব জনপ্রতিনিধি নিযুক্ত হয়ে এলাকায় মারামারি ও বিশৃঙ্খলা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন শ্রেণি ও গোষ্ঠীর প্রধান ব্যক্তিদের সাথে বৈঠক করে এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নীতিমালা প্রণয়ন করেন। তার এ কাজটি মহানবি (সা.)-এর 'মদিনা সনদ' প্রণয়নকে নির্দেশ করে। এই সনদের মোট ৪৭টি ধারার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো- সনদে স্বাক্ষরকারী মুসলমান, ইহুদি, খ্রিষ্টান ও পৌত্তলিক সম্প্রদায়সমূহ সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করবে। মহানবি (সা.) হবেন প্রজাতন্ত্রের প্রধান এবং প্রধান বিচারপতি। সবাই নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবে এবং বহিঃশত্রু দ্বারা মদিনা আক্রান্ত হলে সবাই সম্মিলিতভাবে শত্রুর মোকাবিলা করবে এবং প্রত্যেকে স্ব-স্ব গোত্রের যুদ্ধভার গ্রহণ করবে। ইসলামের ইতিহাসে মদিনা সনদের প্রভাব সুদূরপ্রসারী। এই মদিনা সনদে ইসলাম ও মহানবি (সা.)-এর শ্রেষ্ঠত্ব ফুটে উঠেছে। মদিনা সনদের ফলে মুসলমানরা একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিজ ধর্ম পালন ও প্রচারের সুযোগ লাভ করে। এছাড়া মদিনা সনদের কারণে ইসলামের শত্রুরা মুসলমানদের সমীহ করতে বাধ্য হয়। সর্বোপরি মদিনা সনদের প্রভাবে মদিনার গোত্রীয় যুদ্ধভাব প্রশমিত হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তাই এ সনদের প্রভাব অপরিসীম।

SSC ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা · অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত · সৃজনশীল

আজফার সাহেবের কার্যাবলি মহানবি (স.)-এর মদিনা সনদের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অনেক লোক রক্তাক্ত ও জখম হয়। এভাবে বেশ কিছুদিন মারামারি, অরাজকতা চলতে থাকলে অত্র এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক আবুজার সাহেব বিবদমান পক্ষের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি এবং এলাকার শান্তিকামী যুবকদেরকে নিয়ে একটি সংঘ গঠন করে দুই পক্ষের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন। অপরদিকে আজফার সাহেব জনপ্রতিনিধি নিযুক্ত হয়ে তার এলাকায় রক্তপাত মারামারি বিশৃঙ্খলা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন এবং বিভিন্ন শ্রেণি ও গোষ্ঠীর প্রধান ব্যক্তিদের সাথে বৈঠক করে এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করেন।

Dinajpur · 2023

উত্তর

পবিত্র মক্কা নগরিতে আরাফাতের ময়দানের পাশে যে পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে রাসূল (সা.) বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন তাই জাবালে রহমত।

উত্তর

মহানবি হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর ইন্তিকালের পর মুসলিম রাষ্ট্রে কতিপয় সমস্যা দেখা দেয়। হযরত আবু বকর (রা) অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে এসব মোকাবেলা করে ইসলাম ও মুসলমানদের বিশৃঙ্খলা থেকে রক্ষা করেন। এছাড়াও ইয়ামামার যুদ্ধে কুরআনের অনেক হাফিয শাহাদাতবরণ করেন। এতে কুরআন বিলুপ্তির আশঙ্কা দেখা দিলে হযরত আবু বকর (রা) পবিত্র কুরআনকে একত্র করে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন। এসব যুগান্তকারী পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করায় তাঁকে ইসলামের 'ত্রাণকর্তা' বলা হয়।

উত্তর

আবুজার সাহেব কর্তৃক গঠিত সংঘের সাথে মহানবি (সা.)-এর প্রতিষ্ঠিত যে সংঘের সাদৃশ্য রয়েছে তা হিলফুল ফুযুল এর অন্তর্ভুক্ত। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে মহানবি (সা.) আরবের শান্তিকামী যুবকদের নিয়ে যে সংঘ প্রতিষ্ঠা করেন তাকে হিলফুল ফুযুল বলে। এ সংঘের উদ্দেশ্য ছিল সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা এবং গোত্রে-গোত্রে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করা। এ সংঘের আদর্শের আলোকেই তৎকালীন আরবে গোত্রকলহ বন্ধ হয়ে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আবুজার সাহেবের কর্মকান্ডে এ সংঘেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে। রাসুল (সা.)-এর বয়স যখন পঁয়ত্রিশ বছর, তখন তিনি 'হিলফুল ফুযুল' গঠন করেন। এটি গঠনের প্রত্যক্ষ কারণ হলো- ফিজার যুদ্ধের বিভীষিকা তাঁর কোমল মনকে আন্দোলিত করে। তাই তিনি শান্তির লক্ষ্যে ৫টি উদ্দেশ্যকে সামনে নিয়ে এ শান্তিসংঘ গঠন করেন। ৫টি উদ্দেশ্য হলো- ১. আর্তের সেবা করা, ২. অত্যাচারীকে প্রতিরোধ করা, ৩. অত্যাচারিতকে সাহায্য করা, ৪. শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা এবং ৫. গোত্রে গোত্রে শান্তি সম্প্রীতি বজায় রাখা। উদ্দীপকে তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এভাবে অরাজকতা চলতে থাকলে আবুজার সাহেব এলাকার শান্তিকামী যুবকদের নিয়ে একটি সংঘ গঠন করেন। যা রাসুল (সা.)-এর হিলফুল ফুযুল এর অনরূপ। সুতরাং বলা যায়, রাসূল (সা.)-এর হিলফুল ফুযুল এর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আবুজার সাহেব একটি শান্তি সংঘ গঠন করেন।

উত্তর

আজফার সাহেবের কার্যাবলি মহানবি (সা.)-এর মদিনা সনদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। রাসুল (সা.) প্রণীত মদিনা সনদ মানব ইতিহাসের সর্বপ্রথম লিখিত সংবিধান। এ সনদে মোট ৪৭টি ধারা ছিল। এসব ধারার সবগুলো ছিল মদিনাবাসীর অনুকূলে। এ সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাসুল (সা.) বিশৃঙ্খল মদিনাবাসীকে ঐক্যবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল জাতিতে পরিণত করেছিলেন। যা আজফার সাহেবের কর্মকাণ্ডেও প্রকাশ পায়। উদ্দীপকের আজফার সাহেব জনপ্রতিনিধি নিযুক্ত হয়ে এলাকায় মারামারি ও বিশৃঙ্খলা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন শ্রেণি ও গোষ্ঠীর প্রধান ব্যক্তিদের সাথে বৈঠক করে এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নীতিমালা প্রণয়ন করেন। তার এ কাজটি মহানবি (সা.)-এর 'মদিনা সনদ' প্রণয়নকে নির্দেশ করে। এই সনদের মোট ৪৭টি ধারার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো- সনদে স্বাক্ষরকারী মুসলমান, ইহুদি, খ্রিষ্টান ও পৌত্তলিক সম্প্রদায়সমূহ সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করবে। মহানবি (সা.) হবেন প্রজাতন্ত্রের প্রধান এবং প্রধান বিচারপতি। সবাই নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবে এবং বহিঃশত্রু দ্বারা মদিনা আক্রান্ত হলে সবাই সম্মিলিতভাবে শত্রুর মোকাবিলা করবে এবং প্রত্যেকে স্ব-স্ব গোত্রের যুদ্ধভার গ্রহণ করবে। ইসলামের ইতিহাসে মদিনা সনদের প্রভাব সুদূরপ্রসারী। এই মদিনা সনদে ইসলাম ও মহানবি (সা.)-এর শ্রেষ্ঠত্ব ফুটে উঠেছে। মদিনা সনদের ফলে মুসলমানরা একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিজ ধর্ম পালন ও প্রচারের সুযোগ লাভ করে। এছাড়া মদিনা সনদের কারণে ইসলামের শত্রুরা মুসলমানদের সমীহ করতে বাধ্য হয়। সর্বোপরি মদিনা সনদের প্রভাবে মদিনার গোত্রীয় যুদ্ধভাব প্রশমিত হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তাই এ সনদের প্রভাব অপরিসীম।
SSCইসলাম ও নৈতিক শিক্ষাঅধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ইয়াওমুল বা'আছ বলতে কী বোঝায়?

ইয়াওমুল বা'আছ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।ইয়াওমুল বা'আছ বলতে কী বোঝায়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।