শেয়ারFacebookWhatsApp

আনোয়ার সাহেবের শেষ বাক্যগুলো মহানবি (স) এর জীবনের বিদায় হজের ভাষণের আলোকে মূল্যায়ন করো।

উত্তর: আনোয়ার সাহেবের শেষ বাক্যগুলো মহানবি (স) এর জীবনের বিদা হজের ভাষণের আলোকে যথার্থ। দশম হিজরির জিলহজ মাসের নয় তারিখে (৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে) মহানবি (স বিশ্বমানবতার জীবন পরিচালনার সার্বিক নির্দেশনাস্বরূপ মক্কার আরাফাতেন ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। মহানবির (স) জীবনের শেষ তম একমাত্র হজ বলে তা 'বিদায় হজের ভাষণ' নামে খ্যাত। এ ভাষণে তিনি মুসলিমদের তথা মানবজাতিকে সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার সার্বিন উপদেশ প্রদান করেন। অধীন বা দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহার, ধর্ম নিে বাড়াবাড়ি না করা, স্ত্রীদের প্রতি সদয় আচরণ ছিল এ ভাষণের অন্যতম কিন গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ। আনোয়ার সাহেবের শেষ বাক্যগুলো উপদেশগুলোকেই ধারণ করেছে। আনোয়ার সাহেব তার শেষ বাক্যগুলোতে দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহা করা, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করা এবং স্ত্রীদের সাথে সদয় আচরণ করা ঘোষণা দেন। তার এ ধরনের মনোভাব মহানবি (স) এর বিদায় হজে ভাষণের আদর্শের প্রতিফলন। এ ভাষণে তিনি বলেছেন, 'দাস-দাসীদে সাথে সদয় ব্যবহার করো। তাদের ওপর কোনোরূপ অত্যাচার করবে না তোমরা যা খাবে, তাদেরও তাই খাওয়াবে, তোমরা যা পরবে, তাদেরও তা পরাবে। তারা যদি কোনো অমার্জনীয় অপরাধ করে ফেলে, তবে তাদের মু করে দেবে, তবুও তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করবে না। কেননা তারা তোমাদের মতোই মানুষ, আল্লাহর সৃষ্টি। সব মুসলিম একে অন্যের ভাঙ এবং তোমরা একই ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ।' তিনি আরও বলেন, 'তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সদয় ব্যবহার করবে, তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করবে না। তাদের ওপর তোমাদের যেমন অধিকার রয়েছে তেমনি তোমাদের ওপরও তাদের অধিকার রয়েছে।' এ ভাষণে তিনি আরও ঘোষণা দেন, 'ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না; আগের অনেক জাতি এ কারণেই ধ্বংস হয়েছে।' পরিশেষে বলা যায়, বিদায় হজের ভাষণে মহানবি (স) মানবজাতির জীবন পরিচালনার সার্বিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ ভাষণের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক আনোয়ার সাহেবের বক্তব্যে প্রকাশিত হয়েছে। সুতরাং মহানবি (স) এর জীবনের বিদায় হজের ভাষণের আলোকে তার শেষ বাক্যগুলো সঠিক।

SSC ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা · অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত · সৃজনশীল

আনোয়ার সাহেবের শেষ বাক্যগুলো মহানবি (স) এর জীবনের বিদায় হজের ভাষণের…

উদ্দীপক

জনাব মনোয়ার ও আনোয়ার একই এলাকার অধিবাসী। সামাজিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে মনোয়ার আনোয়ার সাহেবের উপর চড়াও হন। এমনকি তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে তাকে নির্যাতন করেন। পরবর্তীতে আনোয়ার সাহেব প্রতিশোধ নেয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও মনোয়ার সাহেবকে ক্ষমা' করে দেন। পরবর্তীতে আনোয়ার সাহেব ঘোষণা করেন- দাস-দাসীদের প্রতি তোমরা সদ্ব্যবহার করবে। ধর্ম নিয়ে বাড়া-বাড়ি করবে না। স্ত্রীদের সাথে সদয় আচরণ করবে।

Combined · 2018

উত্তর

'শরিয়ত' শব্দের অর্থ পথ, রাস্তা, আইন-কানুন, বিধি-বিধান প্রভৃতি।

উত্তর

ইসলামের প্রাথমিক যুগে হাদিস লিখে রাখলে তা আল-কুরআনের বাণীর সাথে সংমিশ্রণের আশঙ্কা ছিল। তাই তখন হাদিস লেখা নিষেধ ছিল। রাসুলুল্লাহ (স)-এর বাণী, কাজ ও মৌন সম্মতিকে সাধারণভাবে হাদিস বলা হয়। সুতরাং রাসুলুল্লাহ (স) থেকেই হাদিসের উৎপত্তি। ইসলামের প্রাথমিক যুগে তিনি হাদিস লিখে রাখতে নিষেধ করেন। কেননা তখন কুরআন নাজিল হচ্ছিল। এ অবস্থায় হাদিস লিখে রাখলে তা আল কুরআনের বাণীর সাথে মিশে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল যা নিয়ে পরবর্তী সময়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে মহানবি (স) তাঁর বেঁচে থাকাকালীন হাদিস লিখে রাখতে নিষেধ করেন।

উত্তর

এ মনোয়ার সাহেবের প্রতি আনোয়ার সাহেবের আচরণের সাথে মক্কা বিজয়ের সময় মহানবি (স) এর কুরাইশদেরকে ক্ষমা করার ঘটনার মিল রয়েছে। ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে নবুয়ত লাভের পর মহানবি (স) মক্কাবাসীর কাছে ইসলাম প্রচার শুরু করেন। কিন্তু তারা ইসলামের সুমহান আদর্শ গ্রহণ না করে তাঁকে এ কাজ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করে। তারা তাঁর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। একপর্যায়ে তারা মহানবি (স) কে হত্যার ষড়যন্ত্র করে। এ অবস্থায় তিনি আল্লাহর নির্দেশে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেন। পরবর্তী সময়ে রাসুল (স) কুরাইশদের ওপর প্রতিশোধ গ্রহণের সুযোগ পেয়েও প্রতিশোধ না নিয়ে ক্ষমার আদর্শ প্রতিষ্ঠা করেন। আনোয়ার সাহেবের আচরণেও এ আদর্শের প্রতিফলন লক্ষণীয়। হিজরতের পর মদিনায় ইসলামের দ্রুত প্রচার ও প্রসার ঘটতে থাকে। ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে হুদায়বিয়া নামক স্থানে মক্কার কুরাইশদের সাথে মহানবি (স)-এর দশ বছর ব্যাপী যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কুরাইশরা এ চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করায় রাসুল (স) ৬৩০ খ্রিষ্টাব্দে মক্কায় অভিযান পরিচালনা করেন এবং বিনা বাধায় মক্কা জয় করেন। কুরাইশরা একসময় তাঁর ওপর অত্যাচার-নির্যাতন করলেও মক্কা বিজয়ের পর তিনি তাদের প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। সে সময় তিনি ইসলামের চরম শত্রু আবু সুফিয়ানসহ সবাইকে হাতের নাগালে পেয়েও যেভাবে ক্ষমা করে দিয়েছেন মানবতার ইতিহাসে তা বিরল। উদ্দীপকেও ক্ষমার এমন দৃষ্টান্ত দেখা যায়। সামাজিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে জনাব মনোয়ার আনোয়ার সাহেবের ওপর মারাত্মক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালান। কিছুদিন পর আনোয়ার সাহেব প্রতিশোধ নেয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও এ গর্হিত কাজ থেকে বিরত থাকেন। অর্থাৎ তিনি মনোয়ারকে ক্ষমা করে দিয়ে উদারতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন যা কুরাইশদের প্রতি মহানবি (স)-এর ক্ষমার আদশেরই প্রতিফলন।

উত্তর

আনোয়ার সাহেবের শেষ বাক্যগুলো মহানবি (স) এর জীবনের বিদা হজের ভাষণের আলোকে যথার্থ। দশম হিজরির জিলহজ মাসের নয় তারিখে (৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে) মহানবি (স বিশ্বমানবতার জীবন পরিচালনার সার্বিক নির্দেশনাস্বরূপ মক্কার আরাফাতেন ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। মহানবির (স) জীবনের শেষ তম একমাত্র হজ বলে তা 'বিদায় হজের ভাষণ' নামে খ্যাত। এ ভাষণে তিনি মুসলিমদের তথা মানবজাতিকে সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার সার্বিন উপদেশ প্রদান করেন। অধীন বা দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহার, ধর্ম নিে বাড়াবাড়ি না করা, স্ত্রীদের প্রতি সদয় আচরণ ছিল এ ভাষণের অন্যতম কিন গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ। আনোয়ার সাহেবের শেষ বাক্যগুলো উপদেশগুলোকেই ধারণ করেছে। আনোয়ার সাহেব তার শেষ বাক্যগুলোতে দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহা করা, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করা এবং স্ত্রীদের সাথে সদয় আচরণ করা ঘোষণা দেন। তার এ ধরনের মনোভাব মহানবি (স) এর বিদায় হজে ভাষণের আদর্শের প্রতিফলন। এ ভাষণে তিনি বলেছেন, 'দাস-দাসীদে সাথে সদয় ব্যবহার করো। তাদের ওপর কোনোরূপ অত্যাচার করবে না তোমরা যা খাবে, তাদেরও তাই খাওয়াবে, তোমরা যা পরবে, তাদেরও তা পরাবে। তারা যদি কোনো অমার্জনীয় অপরাধ করে ফেলে, তবে তাদের মু করে দেবে, তবুও তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করবে না। কেননা তারা তোমাদের মতোই মানুষ, আল্লাহর সৃষ্টি। সব মুসলিম একে অন্যের ভাঙ এবং তোমরা একই ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ।' তিনি আরও বলেন, 'তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সদয় ব্যবহার করবে, তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করবে না। তাদের ওপর তোমাদের যেমন অধিকার রয়েছে তেমনি তোমাদের ওপরও তাদের অধিকার রয়েছে।' এ ভাষণে তিনি আরও ঘোষণা দেন, 'ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না; আগের অনেক জাতি এ কারণেই ধ্বংস হয়েছে।' পরিশেষে বলা যায়, বিদায় হজের ভাষণে মহানবি (স) মানবজাতির জীবন পরিচালনার সার্বিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ ভাষণের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক আনোয়ার সাহেবের বক্তব্যে প্রকাশিত হয়েছে। সুতরাং মহানবি (স) এর জীবনের বিদায় হজের ভাষণের আলোকে তার শেষ বাক্যগুলো সঠিক।
SSCইসলাম ও নৈতিক শিক্ষাঅধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ইয়াওমুল বা'আছ বলতে কী বোঝায়?

ইয়াওমুল বা'আছ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।ইয়াওমুল বা'আছ বলতে কী বোঝায়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

আনোয়ার সাহেবের শেষ বাক্যগুলো মহানবি (স) এর জীবনের বিদায় হজের ভাষণের… | Prosthuti