শেয়ারFacebookWhatsApp

আব্দুল মুনিম কর্তৃক 'আহবাব' সংস্থা প্রতিষ্ঠা মহানবি (স.)-এর কোন বিষয়টির অনুসরণ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: আব্দুল মুনিম কর্তৃক 'আহবাব' সংস্থা প্রতিষ্ঠা মহানবি (স.)-এর 'হিলফুল ফুযুল' এর অনুসরণ। মহানবি (স.)-এর শৈশবকালে কায়স গোত্র অন্যায়ভাবে নিষিদ্ধ মাসে কুরাইশদের ওপর হারবুল ফিজার নামক একটি যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছিল। 'হারবুল ফিজার' বা অন্যায় যুদ্ধ পাঁচ বছর যাবৎ স্থায়ী হয়। হযরত মুহাম্মদ (স.) এ যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেননি। তবে যুদ্ধের ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করেছিলেন। এ যুদ্ধে বহু মানুষ আহত ও নিহত হন। তাতে তাঁর কোমল হৃদয় কেঁপে ওঠে। আহতদের আর্তনাদ শুনে তিনি অস্থির হয়ে পড়লেন। শান্তিকামী মানুষ হিসেবে এ অশান্তি তাঁর সহ্য হলো না। তাই তিনি আরবের শান্তিকামী যুবকদের নিয়ে 'হিলফুল ফুযুল' (শান্তি সংঘ) গঠন করলেন। এই সংঘের উদ্দেশ্য ছিল আর্তের সেবা, অত্যাচারীকে প্রতিরোধ ও অত্যাচারিতকে সাহায্য করা, শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা এবং গোত্রে গোত্রে শান্তি, সম্প্রীতি বজায় রাখা। উদ্দীপকে আব্দুল মুনিমের প্রতিষ্ঠিত 'আহবাব' নামক সংস্থা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যও গ্রামে শান্তি স্থাপন করা। তুচ্ছ বিষয়ে মারামারি রোধ করা। সর্বোপরি শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা। রাসুল (স.)-এর 'হিলফুল ফুযুল'ও একই উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছিল। তাই বলা যায়, আব্দুল মুনিমের 'আহবাব' সংস্থা মহানবি (স.) প্রতিষ্ঠিত 'হিলফুল ফুযুলের' অনুসরণে গঠিত।

SSC ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা · অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত · সৃজনশীল

আব্দুল মুনিম কর্তৃক 'আহবাব' সংস্থা প্রতিষ্ঠা মহানবি (স.)-এর কোন বিষ…

উদ্দীপক

রসুলপুর গ্রামে আব্দুল মুনিম নামে এক কিশোর দেখল, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে লোকেরা মারামারি পর্যন্ত করছে। তাই শান্তি স্থাপনের জন্য সে সমমনা কয়েকজন সহপাঠীকে সাথে নিয়ে 'আহবাব' নামে একটি সংস্থা গড়ে তোলে। অপরদিকে, তার ভাই আব্দুল করিম একজন জনপ্রতিনিধি। তিনি বন্যার্তদের জন্য নিজ হাতে ত্রাণ বিতরণ করেছেন এবং তার অধীনস্থদের সুশৃঙ্খলরূপে পরিচালনা করেছেন। তবে তার ভাতিজা একটি চুরি মামলায় আটক হলে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি তাকে ছাড়িয়ে আনেন।

Comilla · 2025

উত্তর

প্রাক-ইসলামি যুগে আরবের লোকজন নবি ও রাসুল (স.)-এর শিক্ষা ভুলে নানা অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত ছিল। তাদের আচার-ব্যবহার ও চালচলন ছিল বর্বর ও মানবতাবিরোধী। সেই যুগকে 'আইয়্যামে জাহেলিয়া' বা অজ্ঞতার যুগ বলা হয়।

উত্তর

মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর ইন্তেকালের পর মুসলিম রাষ্ট্রে কতিপয় সমস্যা দেখা দেয়। কেউ কেউ মিথ্যা নবুয়তের দাবি করে, কতিপয় লোক যাকাত দিতে অস্বীকার করে, আবার কতিপয় লোক ইসলাম ত্যাগ করে। হযরত আবু বকর (রা.) অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে এসব মোকাবিলা করেন, ইসলাম ও মুসলমানদের বিশৃঙ্খলা থেকে রক্ষা করেন। অন্যদিকে, ইয়ামামার যুদ্ধে কুরআনের অনেক হাফিয শাহাদাতবরণ করেন। এতে কুরআন বিলুপ্তির আশঙ্কা দেখা দিলে তিনি পবিত্র কুরআনকে একত্র করে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন। এসব যুগান্তকারী পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করার কারণে হযরত আবু বকর (রা.)-কে ইসলামের 'ত্রাণকর্তা' বলা হয়।

উত্তর

আব্দুল মুনিম কর্তৃক 'আহবাব' সংস্থা প্রতিষ্ঠা মহানবি (স.)-এর 'হিলফুল ফুযুল' এর অনুসরণ। মহানবি (স.)-এর শৈশবকালে কায়স গোত্র অন্যায়ভাবে নিষিদ্ধ মাসে কুরাইশদের ওপর হারবুল ফিজার নামক একটি যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছিল। 'হারবুল ফিজার' বা অন্যায় যুদ্ধ পাঁচ বছর যাবৎ স্থায়ী হয়। হযরত মুহাম্মদ (স.) এ যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেননি। তবে যুদ্ধের ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করেছিলেন। এ যুদ্ধে বহু মানুষ আহত ও নিহত হন। তাতে তাঁর কোমল হৃদয় কেঁপে ওঠে। আহতদের আর্তনাদ শুনে তিনি অস্থির হয়ে পড়লেন। শান্তিকামী মানুষ হিসেবে এ অশান্তি তাঁর সহ্য হলো না। তাই তিনি আরবের শান্তিকামী যুবকদের নিয়ে 'হিলফুল ফুযুল' (শান্তি সংঘ) গঠন করলেন। এই সংঘের উদ্দেশ্য ছিল আর্তের সেবা, অত্যাচারীকে প্রতিরোধ ও অত্যাচারিতকে সাহায্য করা, শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা এবং গোত্রে গোত্রে শান্তি, সম্প্রীতি বজায় রাখা। উদ্দীপকে আব্দুল মুনিমের প্রতিষ্ঠিত 'আহবাব' নামক সংস্থা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যও গ্রামে শান্তি স্থাপন করা। তুচ্ছ বিষয়ে মারামারি রোধ করা। সর্বোপরি শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা। রাসুল (স.)-এর 'হিলফুল ফুযুল'ও একই উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছিল। তাই বলা যায়, আব্দুল মুনিমের 'আহবাব' সংস্থা মহানবি (স.) প্রতিষ্ঠিত 'হিলফুল ফুযুলের' অনুসরণে গঠিত।

উত্তর

আব্দুল করিমের কর্মকাণ্ডে খলিফা হযরত উমর ফারুক (রা.) সার্বিক চরিত্র ফুটে ওঠেনি। হযরত উমর ফারুক (রা.) ছিলেন ন্যায় ও ইনসাফের এক মূর্ত প্রতীক। আইনের চোখে তিনি ধনী-গরিব, উঁচু-নীচু, আপন-পরের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ করতেন না। মদ্যপানের অপরাধে স্বীয় পুত্র আবু শাহমাকে তিনি অত্যন্ত কঠোর শাস্তি দিয়েছিলেন। তিনি রাষ্ট্রের সকল অধিবাসীর খোঁজখবর রাখার জন্য পুলিশ বিভাগ ও গোয়েন্দা বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। সেনাবাহিনীকে সুশৃঙ্খল করার জন্য প্রতি চার মাস পর বাধ্যতামূলক ছুটির ব্যবস্থা করেন। কৃষি কাজের উন্নয়নে খাল খননের ব্যবস্থা করেন। জনসাধারণের অবস্থা স্বচক্ষে দেখার জন্য তিনি রাতের অন্ধকারে পাড়া-মহল্লায় ঘুরে বেড়াতেন। ক্ষুধার্ত শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনে নিজ কাঁধে করে আটার বস্তা নিয়ে তিনি তাঁবুতে দিয়ে আসেন। সর্বোপরি হযরত উমর ফারুক (রা.) ছিলেন একজন ন্যায়বিচারক ও মানবদরদি শাসক। উদ্দীপকে উল্লিখিত আব্দুল করিম ও খলিফা হযরত উমর ফারুক (রা.)-এর ন্যায় মানবদরদি। আব্দুল করিম বন্যার্তদের জন্য নিজ হাতে ত্রাণ বিতরণ করেছেন এবং তার অধীনস্থদের সুশৃঙ্খলরূপে পরিচালনা - করেছেন। এসব কর্মকাণ্ডে হযরত উমর ফারুক (রা.)-এর আদর্শ ফুটে উঠেছে। তবে তিনি খলিফার ন্যায় ন্যায়পরায়ণ নয়, আব্দুল করিম ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্বজনপ্রীতি করেছেন। তাই তার কর্মকান্ডে হযরত উমর (রা.)-এর পরিপূর্ণ চরিত্র ফুটে ওঠেনি।
SSCইসলাম ও নৈতিক শিক্ষাঅধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ইয়াওমুল বা'আছ বলতে কী বোঝায়?

ইয়াওমুল বা'আছ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।ইয়াওমুল বা'আছ বলতে কী বোঝায়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।