হযরত মূসা (আ.)-এর ঘটনাটি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর জীবনের কোন বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-১-এ বর্ণিত হযরত মূসা (আ.)-এর ঘটনাটি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর জীবনের নবুয়তপ্রাপ্তি ও ইসলাম প্রচার বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। হযরত মুহাম্মদ (স.) মক্কার অদূরে হেরা পর্বতের গুহায় গভীর ধ্যানে মগ্ন থাকতেন। দীর্ঘদিন ধ্যানে মগ্ন থাকার পর ৪০ বছর বয়সে ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে পবিত্র রমযান মাসের ২৭ তারিখ রাতে হযরত জিবরাইল (আ.) তাঁর নিকট ওহি নিয়ে এসে মহানবি (স.)-কে বললেন, إِقْرَأْ بِأَسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ অর্থ : "পড়ুন! আপনার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন।" (সূরা আলাক: ১) উত্তরে মহানবি মুহাম্মদ (স.) বললেন, আমি পড়তে জানি না। জিবরাইল (আ.) তাঁকে জড়িয়ে ধরে বললেন, পড়ুন! তিনি বললেন, আমি পড়তে জানি না। এভাবে তিনবার মহানবি (স.)-কে জড়িয়ে ধরলেন। অতঃপর তৃতীয়বারের সময় তিনি পড়তে সক্ষম হলেন। এভাবে ওহি অবতরণের মাধ্যমে মহানবি (স.) নবুয়াতপ্রাপ্ত হলেন। নবুয়ত প্রাপ্তির পর রাসুল (স.) ইসলাম প্রচারের কাজ শুরু করেন। বিপদগামী মক্কাবাসীকে হিদায়েত করার জন্য দাওয়াত প্রদান করেন। তিনি ঘোষণা করেন, আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো ইলাহ নেই এবং হযরত মুহাম্মদ (স.) আল্লাহর রাসুল। তিনি আরও ঘোষণা করেন, ইসলামই আল্লাহর একমাত্র মনোনীত জীবনব্যবস্থা। আল কুরআন ইসলাম ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ। আল্লাহ সমগ্র বিশ্বের সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, নিয়ামক এবং সবকিছুর মালিক। তিনি সকল সৃষ্টির জীবন ও মৃত্যুদানকারী। উদ্দীপকে দেখা যায়, হযরত মুসা (আ.) তুর পর্বতে অবস্থানকালে নবুয়তপ্রাপ্তি হয়ে নিজ সম্প্রদায়ের নিকট আল্লাহর বাণী পৌঁছে দেন। তেমনি মহানবি (স.) ও অনুরূপভাবে নবুয়তপ্রাপ্তি হয়ে আল্লাহর বাণী পৌছে দেন। তাই বলা যায়, হযরত মুসা (আ.)-এর ঘটনাটি মহানবি (স.)-এর জীবনের নবুয়তপ্রাপ্তি ও ইসলাম প্রচার বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
SSC ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা · অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত · সৃজনশীল
হযরত মূসা (আ.)-এর ঘটনাটি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর জীবনের কোন বিষয়ের সা…
উদ্দীপক
Chittagong · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর