শেয়ারFacebookWhatsApp

হযরত মূসা (আ.)-এর ঘটনাটি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর জীবনের কোন বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-১-এ বর্ণিত হযরত মূসা (আ.)-এর ঘটনাটি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর জীবনের নবুয়তপ্রাপ্তি ও ইসলাম প্রচার বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। হযরত মুহাম্মদ (স.) মক্কার অদূরে হেরা পর্বতের গুহায় গভীর ধ্যানে মগ্ন থাকতেন। দীর্ঘদিন ধ্যানে মগ্ন থাকার পর ৪০ বছর বয়সে ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে পবিত্র রমযান মাসের ২৭ তারিখ রাতে হযরত জিবরাইল (আ.) তাঁর নিকট ওহি নিয়ে এসে মহানবি (স.)-কে বললেন, إِقْرَأْ بِأَسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ অর্থ : "পড়ুন! আপনার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন।" (সূরা আলাক: ১) উত্তরে মহানবি মুহাম্মদ (স.) বললেন, আমি পড়তে জানি না। জিবরাইল (আ.) তাঁকে জড়িয়ে ধরে বললেন, পড়ুন! তিনি বললেন, আমি পড়তে জানি না। এভাবে তিনবার মহানবি (স.)-কে জড়িয়ে ধরলেন। অতঃপর তৃতীয়বারের সময় তিনি পড়তে সক্ষম হলেন। এভাবে ওহি অবতরণের মাধ্যমে মহানবি (স.) নবুয়াতপ্রাপ্ত হলেন। নবুয়ত প্রাপ্তির পর রাসুল (স.) ইসলাম প্রচারের কাজ শুরু করেন। বিপদগামী মক্কাবাসীকে হিদায়েত করার জন্য দাওয়াত প্রদান করেন। তিনি ঘোষণা করেন, আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো ইলাহ নেই এবং হযরত মুহাম্মদ (স.) আল্লাহর রাসুল। তিনি আরও ঘোষণা করেন, ইসলামই আল্লাহর একমাত্র মনোনীত জীবনব্যবস্থা। আল কুরআন ইসলাম ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ। আল্লাহ সমগ্র বিশ্বের সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, নিয়ামক এবং সবকিছুর মালিক। তিনি সকল সৃষ্টির জীবন ও মৃত্যুদানকারী। উদ্দীপকে দেখা যায়, হযরত মুসা (আ.) তুর পর্বতে অবস্থানকালে নবুয়তপ্রাপ্তি হয়ে নিজ সম্প্রদায়ের নিকট আল্লাহর বাণী পৌঁছে দেন। তেমনি মহানবি (স.) ও অনুরূপভাবে নবুয়তপ্রাপ্তি হয়ে আল্লাহর বাণী পৌছে দেন। তাই বলা যায়, হযরত মুসা (আ.)-এর ঘটনাটি মহানবি (স.)-এর জীবনের নবুয়তপ্রাপ্তি ও ইসলাম প্রচার বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

SSC ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা · অধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত · সৃজনশীল

হযরত মূসা (আ.)-এর ঘটনাটি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর জীবনের কোন বিষয়ের সা…

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: এক রাতে তুর পাহাড়ে অবস্থানকালে আল্লাহ তায়ালার নিকট থেকে হযরত মূসা (আ.)-এর প্রতি ওহি অবতীর্ণ হয়। অতঃপর তিনি তাঁর সম্প্রদায় ও ফেরআউনের নিকট আল্লাহর বাণী পৌঁছে দেন। দৃশ্যকল্প-২: জনাব হামীম একজন বিখ্যাত আলেম। দেশ-বিদেশে তাঁর প্রচুর পরিচিতি ও সুনাম রয়েছে। ইদানীং তাঁর এলাকার লোকজন ছোটখাটো মাসআলায় বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে পড়ছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য তিনি এলাকার সকল মসজিদের খতিবের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করেন। কোনো নতুন সমস্যার উদ্ভব হলে কমিটি বৈঠক করে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত দেয়। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে গ্র্যান্ড মুফতি (প্রধান মুফতি) পদে নিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয়। হামীম সাহেব উক্ত পদে যোগদান করেন।

Chittagong · 2025

উত্তর

হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনায় বসবাসকারী বিভিন্ন ধর্ম ও গোত্রের লোকদের নিয়ে একটি ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে যে লিখিত সনদ প্রণয়ন করেন, তাই ইসলামের ইতিহাসে 'মদিনা সনদ' হিসেবে খ্যাত।

উত্তর

ইমাম বুখারি দীর্ঘ ষোলো বছর সাধনা করে ৬ লক্ষ হাদিস থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ৭২৭৫টি হাদিস বুখারি শরিফে লিপিবদ্ধ করেন। হাদিসবিশারদ ও উলামায়ে কেরামগণ ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, পৃথিবীতে আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফই হলো সবচেয়ে বিশুদ্ধ গ্রন্থ। তাঁর এ অবদানের কারণে তাঁকে 'আমিরুল মুমিনুন ফিল হাদিস' (হাদিস বর্ণনায় মুমিনদের নেতা) বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-১-এ বর্ণিত হযরত মূসা (আ.)-এর ঘটনাটি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর জীবনের নবুয়তপ্রাপ্তি ও ইসলাম প্রচার বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। হযরত মুহাম্মদ (স.) মক্কার অদূরে হেরা পর্বতের গুহায় গভীর ধ্যানে মগ্ন থাকতেন। দীর্ঘদিন ধ্যানে মগ্ন থাকার পর ৪০ বছর বয়সে ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে পবিত্র রমযান মাসের ২৭ তারিখ রাতে হযরত জিবরাইল (আ.) তাঁর নিকট ওহি নিয়ে এসে মহানবি (স.)-কে বললেন, إِقْرَأْ بِأَسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ অর্থ : "পড়ুন! আপনার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন।" (সূরা আলাক: ১) উত্তরে মহানবি মুহাম্মদ (স.) বললেন, আমি পড়তে জানি না। জিবরাইল (আ.) তাঁকে জড়িয়ে ধরে বললেন, পড়ুন! তিনি বললেন, আমি পড়তে জানি না। এভাবে তিনবার মহানবি (স.)-কে জড়িয়ে ধরলেন। অতঃপর তৃতীয়বারের সময় তিনি পড়তে সক্ষম হলেন। এভাবে ওহি অবতরণের মাধ্যমে মহানবি (স.) নবুয়াতপ্রাপ্ত হলেন। নবুয়ত প্রাপ্তির পর রাসুল (স.) ইসলাম প্রচারের কাজ শুরু করেন। বিপদগামী মক্কাবাসীকে হিদায়েত করার জন্য দাওয়াত প্রদান করেন। তিনি ঘোষণা করেন, আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো ইলাহ নেই এবং হযরত মুহাম্মদ (স.) আল্লাহর রাসুল। তিনি আরও ঘোষণা করেন, ইসলামই আল্লাহর একমাত্র মনোনীত জীবনব্যবস্থা। আল কুরআন ইসলাম ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ। আল্লাহ সমগ্র বিশ্বের সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, নিয়ামক এবং সবকিছুর মালিক। তিনি সকল সৃষ্টির জীবন ও মৃত্যুদানকারী। উদ্দীপকে দেখা যায়, হযরত মুসা (আ.) তুর পর্বতে অবস্থানকালে নবুয়তপ্রাপ্তি হয়ে নিজ সম্প্রদায়ের নিকট আল্লাহর বাণী পৌঁছে দেন। তেমনি মহানবি (স.) ও অনুরূপভাবে নবুয়তপ্রাপ্তি হয়ে আল্লাহর বাণী পৌছে দেন। তাই বলা যায়, হযরত মুসা (আ.)-এর ঘটনাটি মহানবি (স.)-এর জীবনের নবুয়তপ্রাপ্তি ও ইসলাম প্রচার বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-২-এ উল্লিখিত জনাব হামীমের কর্মকাণ্ডে হযরত ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর জীবনীর সাথে সম্পূর্ণ মিল খুঁজে পাইনি। বরং আংশিক মিল পাওয়া যায়। ফিকাহ শাস্ত্রের জনক ইমাম আবু হানিফা (র.) ছিলেন তীক্ষ্ণ মেধার অধিকারী। সতেরো বছর বয়স থেকে জ্ঞান সাধনা আরম্ভ করলেও তিনি অতি অল্প দিনের মধ্যে হাদিস, তাফসির, ফিকাহ ইত্যাদি বিষয়ে গভীর পাণ্ডিত্য অর্জন করেন। তিনি ফিকাহশাস্ত্রের উদ্ভাবক ছিলেন। তিনি তাঁর চল্লিশজন ছাত্রের সমন্বয়ে 'ফিকাহ সম্পাদনা বোর্ড' গঠন করেন। এই বোর্ড দীর্ঘ বাইশ বছর কঠোর সাধনা করে ফিকাহকে একটি পূর্ণাঙ্গ শাস্ত্র হিসেবে রূপদান করেন। পরবর্তীতে তিনি বোর্ডের চল্লিশজন সদস্য হতে দশজনকে নিয়ে একটি বিশেষ বোর্ড গঠন করেন। ফিকাহশাস্ত্র প্রচার ও প্রসারের ক্ষেত্রে এই বোর্ডের অবদান সবচেয়ে বেশি। তিনি ছিলেন যুগশ্রেষ্ঠ আলেম, আবিদ ও বুদ্ধিমান। তৎকালীন বাগদাদের খলিফা আল মানসুর ইমাম আবু হানিফা (র.)-কে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব নিতে প্রস্তাব দিলে তিনি তা গ্রহণ করেননি। ফলে তাঁকে জেলখানায় আবদ্ধ করে রাখা হয়। সরকার কর্তৃক দেওয়া সুযোগ-সুবিধা প্রত্যাখ্যান করে ইমাম আবু হানিফা নৈতিক ও দীনি ইলমের মর্যাদা সমুন্নত রেখেছেন। উদ্দীপকে জনাব হামীমের কর্মকাণ্ডের প্রথম দিকে হযরত ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর জীবনীর সাথে মিল থাকলেও তার পরবর্তীতে জীবনে দেখা যায় ইমাম আবু হানিফা (রহ.) খলিফা আল মানসুর কর্তৃক প্রধান বিচারপতির দায়িত্বের প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। কিন্তু জনাব হামীম সাহেব রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রস্তাবকৃত পদে যোগদান করেন। যাতে ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর জীবনাদর্শের সম্পূর্ণ বিপরীত দিক ছিল। তাই বলা যায়, জনাব হামীমের কর্মকাণ্ডে ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর জীবনীর সাথে সম্পূর্ণ মিল খুঁজে পাওয়া যায় না।
SSCইসলাম ও নৈতিক শিক্ষাঅধ্যায়-৫ : আদর্শ জীবনচরিত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

ফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ইয়াওমুল বা'আছ বলতে কী বোঝায়?

ইয়াওমুল বা'আছ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?মিযানের বয়স ৭ বছর। সে পবিত্র কুরআন ৬ মাসে মুখস্থ করে। তোমার পাঠ্যবইয়ে মিযানের সাফিকাহ বোর্ড কী? ব্যাখ্যা করো।'মদিনা সনদ' কী? এর দুটি ধারা লেখো।আল-কুরআনের পর বুখারি শরিফ বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।'আইয়্যামে জাহেলিয়্যা' কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।ইসলামে বিদায় হজের ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন?মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করেন কেন?“আজ তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।” তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।“মানুষ ফিকাহশাস্ত্রে ইমাম আবু হানিফা (র.)-এর মুখাপেক্ষী।" - ব্যাখ্যা করো।ইমাম বুখারি (র.) কেন বুখরা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।ইয়াওমুল বা'আছ বলতে কী বোঝায়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।