ঘটনা-২ এ সেলিমের পরিবারের বর্তমান অবস্থার জন্য সড়ক দুর্ঘটনা দায়ী। সড়ক দুর্ঘটনা নিরসনে বহুমুখী পদক্ষেপ নেওয়া আবশ্যক। চালক, মালিক, ট্রাফিক পুলিশ এবং রাস্তার ত্রুটি ও দুর্বলতা জনিত সড়ক কেন্দ্রিক যে দুর্ঘটনা তাই সড়ক দুর্ঘটনা। সড়ক দুর্ঘটনা নিরসনে পদক্ষেপ গুলো হলো-
১. চালক নিয়োগের ক্ষেত্রে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ ও যোগ্যতাকে সুনিশ্চিত করা;
২. গাড়ির চালককে ট্রাফিক আইন মেনে গাড়ি চালাতে উদ্বুদ্ধ ও অভ্যস্ত করা;
৩. বেপরোয়া ও নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি না চালানো, গাড়িতে অতিরিক্ত যাত্রী ও মাল পরিবহন না করা;
৪. ভারী যানবাহনের জন্য আলাদা লেনের ব্যবস্থা করা;
৫. ঝুঁকিপূর্ণ গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা এবং গাড়ি বের করার পূর্বে যান্ত্রিক ত্রুটি পরীক্ষা করে দেখা;
৬. লাইসেন্সবিহীন কোনো ড্রাইভারকে গাড়ি চালাতে না দেওয়া;
৭. রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে সাদকাসক্ত চালকদের শনাক্ত করে লাইসেন্স প্রত্যাহার করা;
৮. সড়ক পথের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা;
৯. ট্রাফিক আইন মেনে চলতে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা;
১০. অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা;
১১. আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে কার্যকর ও সক্রিয় করে তোলা প্রভৃতি।
মোটকথা যাত্রী, চালক, যোগাযোগ পথ ও বাহন সকল ক্ষেত্রের সম্মিলিত প্রয়াসই পারে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস করতে।