'T [গণিত] ও 'J [গণিত] এর মধ্যে একটি অংশ খাদ্য পরিপাকে ভূমিকা পালন করে – বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত 'I [গণিত] অংশটি হলো ক্ষুদ্রান্ত্র' এবং 'J [গণিত] হলো বৃহদন্ত্র। 'I [গণিত] অংশটি অর্থাৎ ক্ষুদ্রান্ত্র খাদ্য পরিপাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে তা বিশ্লেষেণ করা হলো- পাকস্থলী থেকে পাকমণ্ড ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনামে প্রবেশ করে। এ সময় অগ্ন্যাশয় থেকে একটি ক্ষারীয় পাচকরস ডিওডেনামে আসে। এই পাচকরস খাদ্যমণ্ডের অম্লভাব প্রশমিত করে। পাচকরসের এনজাইম দিয়ে' শর্করা এবং আমিষ পরিপাকের কাজ চলতে থাকে এবং স্নেহপদার্থের পরিপাক শুরু হয়। যকৃত থেকে পিত্তরস নিঃসৃত হয়। এটি অম্লীয় অবস্থায় খাদ্যকে ক্ষারীয় করে পরিপাকের উপযোগী করে তোলে। পিত্ত-লবণ স্নেহপদার্থের ক্ষুদ্র কণাগুলোকে পানির সাথে মিশতে সাহায্যে করে। পিত্ত লবণ পিত্তরসের অন্যতম উপাদান। লাইপেজ নামক এনজাইমের কাজ যথাযথ সম্পাদনের জন্য পিত্ত-লবণের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এ লবণের সংস্পর্শে স্নেহপদার্থ সাবানের ফেনার মতো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দানায় পরিণত হয়। স্নেহবিশ্লেষক লাইপেজ এই দানাগুলোকে ভেঙে ফ্যাটি এসিড এবং গ্লিসারলে পরিণত করে। [চিত্র] অগ্ন্যাশয় রসে অ্যামাইলেজ, লাইপেজ ও ট্রিপসিন নামক এনজাইম থাকে। আন্ত্রিক রসে আন্ত্রিক অ্যামাইলেজ, লাইপেজ, মলটেজ, ল্যাকটেজ ও সুক্রেজ ইত্যাদি এনজাইম থাকে। আংশিক পরিপাককৃত আমিষ ক্ষুদ্রান্ত্রে ট্রিপসিনের সাহায্যে ভেঙে অ্যামাইনো এসিড এবং সরল পেপটাইডে পরিণত হয়। [চিত্র] ক্ষুদ্রান্ত্রে সব ধরনের খাদ্যই সম্পূর্ণভাবে নির্দিষ্ট এনজাইমের ক্রিয়ায় পরিপাক হয়ে সরল, শোষণযোগ্য খাদ্য উপাদানে পরিবর্তিত হয়। অন্যদিকে বৃহদন্ত্রের কোলনে পাকমন্ডের কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া বা পরিপাক ঘটে না। তবে খাদ্যের অসার অংশের সাথে যে পানি তাকে, তা এখানে শোষিত হয়। উপরোক্ত আলোচনা থেকে দেখা যায় যে, ক্ষুদ্রান্ত্রে সব ধরনের খাদ্যই কোন না কোন এনজাইম দ্বারা পরিপাক হয়ে সরল এবং শোষণযোগ্য খাদ্যে পরিণত হয়। তাই 'I [গণিত] অর্থাৎ ক্ষুদ্রান্ত্র খাদ্য পরিপাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
SSC জীববিজ্ঞান অধ্যায়-৫ : খাদ্য, পুষ্টি এবং পরিপাক (Full Syllabus) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · জীববিজ্ঞান · অধ্যায়-৫ : খাদ্য, পুষ্টি এবং পরিপাক (Full Syllabus) · সৃজনশীল
'T ও 'J এর মধ্যে একটি অংশ খাদ্য পরিপাকে ভূমিকা পালন করে – বিশ্লেষ…
উদ্দীপক

Comilla · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
শর্করা এবং স্নেহজাতীয় খাদ্য সাধারণত পাকস্থলীতে পরিপাক হয় না। কারণ এদের পরিপাকের জন্য গ্যাস্ট্রিক রসে নির্দিষ্ট কোনো এনজাইম থাকে না। পাকস্থলীতে খাদ্যদ্রব্য পৌছানো মাত্র উপরোক্ত রসগুলো নিঃসৃত হয়। পাকস্থলীর অনবরত সংকোচন ও প্রসারণ এবং এনজাইমের ক্রিয়ার ফলে খাদ্য মিশ্র মণ্ডে পরিণত হয়। একে পাকমণ্ড বা কাইম (chyme) বলে। এই মণ্ড অনেকটা স্যুপের মতো এবং কপাটিকা ভেদ করে ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রবেশ করে। এভাবেই মানবদেহের পাকস্থলিতে খাদ্য পরিপাক হয়।উত্তর
অগ্ন্যাশয় রসে অ্যামাইলেজ, লাইপেজ ও ট্রিপসিন নামক এনজাইম থাকে। আন্ত্রিক রসে আন্ত্রিক অ্যামাইলেজ, লাইপেজ, মলটেজ, ল্যাকটেজ ও সুক্রেজ ইত্যাদি এনজাইম থাকে। আংশিক পরিপাককৃত আমিষ ক্ষুদ্রান্ত্রে ট্রিপসিনের সাহায্যে ভেঙে অ্যামাইনো এসিড এবং সরল পেপটাইডে পরিণত হয়।
ক্ষুদ্রান্ত্রে সব ধরনের খাদ্যই সম্পূর্ণভাবে নির্দিষ্ট এনজাইমের ক্রিয়ায় পরিপাক হয়ে সরল, শোষণযোগ্য খাদ্য উপাদানে পরিবর্তিত হয়।
অন্যদিকে বৃহদন্ত্রের কোলনে পাকমন্ডের কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া বা পরিপাক ঘটে না। তবে খাদ্যের অসার অংশের সাথে যে পানি তাকে, তা এখানে শোষিত হয়।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে দেখা যায় যে, ক্ষুদ্রান্ত্রে সব ধরনের খাদ্যই কোন না কোন এনজাইম দ্বারা পরিপাক হয়ে সরল এবং শোষণযোগ্য খাদ্যে পরিণত হয়। তাই ' অর্থাৎ ক্ষুদ্রান্ত্র খাদ্য পরিপাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।