শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় উল্লিখিত বৈষম্য নিরসনে তরুণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন গড়ে তোলার দিককে নির্দেশ করে। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় দেখানো হয়েছে শিক্ষার্থী তথা তরুণরাই হচ্ছে দেশের ভবিষ্যৎ। তারুণ্যের অমিতশক্তি যেকোনো অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে সাম্যবাদী সমাজ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি আঠারো বছর বয়সি তারুণ্যের জয়গান গেয়েছেন। তার মতে, এ বয়সিরা পাথর বাধাকে চূর্ণ করে নতুন কিছু করার প্রত্যয়ে নিজেদের শপথের কোলাহলে সঁপে দেয়। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনে তারা বুকের রক্ত ঢেলে দিতেও পিছপা হয় না। একইভাবে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায়ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এমন বৈশিষ্ট্যই ফুটে উঠেছে। সেখানে বৈষম্যমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে আত্মশপথে বলীয়ান হয়ে তারা আন্দোলনে নামে। উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার এ দিকটিকেই নির্দেশ করে।

SSC বাংলা ১ম পত্র আমাদের নতুন গৌরবগাথা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ১ম পত্র · আমাদের নতুন গৌরবগাথা · সৃজনশীল

উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ…

উদ্দীপক

আঠারো বছর বয়সে নেই ভয় পদাঘাতে ভাঙতে চায় পাথর বাধা, এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়- আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা। ………………………………………..\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots.. এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে, প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে।

উত্তর

আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো ছাত্রীদের সর্বাত্মক অংশগ্রহণ।

উত্তর

"সেদিন ৫ই আগস্ট ২০২৪ – ৩৬শে জুলাই।"- কথাটি বাঙালির প্রতিবাদী চেতনার ধারক। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাংলার ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। এই আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে স্বৈরাচারী সরকার ছাত্রসহ সাধারণ জনতার ওপর অকথ্য নির্যাতন চালায়। ক্যালেন্ডারের পাতায় জুলাই পেরিয়ে আগস্ট মাস আসে। কিন্তু স্বৈরাচারের অত্যাচারের অবসান হয় না। যেন ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে দুর্বিষহ জুলাই শেষই হচ্ছে না। সেই ধারাবাহিকতায় আগের জুলাই মাসের দিনের সঙ্গে আগস্ট মাসের ৫ দিন যোগ করে বলা হয়েছে ৩৬শে জুলাই, যা বাঙালির হার না-মানা প্রতিবাদী চেতনার প্রকাশ ঘটিয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় উল্লিখিত বৈষম্য নিরসনে তরুণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন গড়ে তোলার দিককে নির্দেশ করে। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় দেখানো হয়েছে শিক্ষার্থী তথা তরুণরাই হচ্ছে দেশের ভবিষ্যৎ। তারুণ্যের অমিতশক্তি যেকোনো অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে সাম্যবাদী সমাজ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি আঠারো বছর বয়সি তারুণ্যের জয়গান গেয়েছেন। তার মতে, এ বয়সিরা পাথর বাধাকে চূর্ণ করে নতুন কিছু করার প্রত্যয়ে নিজেদের শপথের কোলাহলে সঁপে দেয়। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনে তারা বুকের রক্ত ঢেলে দিতেও পিছপা হয় না। একইভাবে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায়ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এমন বৈশিষ্ট্যই ফুটে উঠেছে। সেখানে বৈষম্যমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে আত্মশপথে বলীয়ান হয়ে তারা আন্দোলনে নামে। উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার এ দিকটিকেই নির্দেশ করে।

উত্তর

তরুণদের অদম্য সাহস ও সংগ্রামী চেতনার দিক থেকে বলা যায়, "উদ্দীপকের কবিতাংশে ফুটে ওঠা তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার তরুণ শিক্ষার্থীদের মনোভাবকে যথাযথ প্রতিফলিত করতে পেরেছে" মন্তব্যটি যথার্থ। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় ফ্যাসিবাদী সরকারের বিপক্ষে গণমানুষের আন্দোলনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে সম্মিলিত শক্তির কাছে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটে। এই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের সকল মানুষের জন্য একটা সুন্দর দেশ বিনির্মাণের সুযোগ এনে দিয়েছে। উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি তারুণ্যের নানা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। এ বয়সি তরুণরা অকুতোভয় ও স্বাধীনচেতা মনোভাবের হয়ে থাকে। আত্মশপথে বলীয়ান এসব তরুণের কাছে পথের যেকোনো বাধাই যেন তুচ্ছ। মাতৃভূমির প্রয়োজনে এরাই সবার আগে এগিয়ে আসে। শুধু তাই নয়, এ বয়সিরা আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে রক্তমূল্য দিতেও পিছপা হয় না। 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনায় ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে উপজীব্য করা হয়েছে। এ আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাদেশে স্বৈরশাসনের অবসান হয় এবং এ দেশের মানুষ নতুন করে স্বাধীনতার স্বাদ পায়। আলোড়ন সৃষ্টিকারী এই আন্দোলনে তরুণ শিক্ষার্থীদের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। বলতে গেলে তারাই ছিল এই আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি। বৈষম্যমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে আত্মশপথে বলীয়ান হয়ে তারা আন্দোলনে নামে এবং বহু প্রাণের মূল্যে শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হয়। এর পশ্চাতে ছিল তারুণ্যের অমিতশক্তি, ভেজ ও আত্মত্যাগের দৃপ্ত শপথ, যা কবিতাংশটিতে বর্ণিত তারুণ্যের বৈশিষ্ট্যকেই নির্দেশ করে। এ দিক বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
SSCবাংলা ১ম পত্রআমাদের নতুন গৌরবগাথা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আঠারো বছর বয়সে নেই ভয় পদাঘাতে ভাঙতে চায় পাথর বাধা, এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়- আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা। ………………………………………..\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots\ldots.. এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে, প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে।
ক
আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কোনটি?
খ
"সেদিন ৫ই আগস্ট ২০২৪ – ৩৬শে জুলাই।” ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
“উদ্দীপকের কবিতাংশে ফুটে ওঠা তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার তরুণ শিক্ষার্থীদের মনোভাবকে যথাযথ প্রতিফলিত করতে পেরেছে।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2."সেদিন ৫ই আগস্ট ২০২৪ – ৩৬শে জুলাই।” ব্যাখ্যা করো।

"সেদিন ৫ই আগস্ট ২০২৪ – ৩৬শে জুলাই।” ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কোনটি?

আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কোনটি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষার্থীরা যেকোনো জাতির জন্যই অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ। কেননা এসময়ে তারা শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যতের সুনাগরিক হিসেবে তৈরি করে। ফলে শিক্ষার্থীদের সমাজের সচেতন ও প্রতিবাদী অংশ বলা চলে। এ কারণে সমাজ ও রাষ্ট্রে ঘটে চলা যেকোনো ঘটনা নিয়েই তারা চিন্তা করে এবং প্রয়োজনে তাদের অভিমত ব্যক্ত করে। বিভিন্ন দেশে সংঘটিত ছাত্র-আন্দোলন মূলত তাদের সম্মিলিত প্রতিবাদেরই ফল।
ক
৫ই আগস্টকে কত তারিখ বলা হয়েছে?
খ
"আসছে ফাগুনে আমরা দ্বিগুণ হবো।"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার কোন দিককে তুলে ধরে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের ভাবনা 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার বিষয়বস্তুকে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত করে কি? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষার্থীরা যেকোনো জাতির জন্যই অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ। কেননা এসময়ে তারা শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যতের সুনাগরিক হিসেবে তৈরি করে। ফলে শিক্ষার্থীদের সমাজের সচেতন ও প্রতিবাদী অংশ বলা চলে। এ কারণে সমাজ ও রাষ্ট্রে ঘটে চলা যেকোনো ঘটনা নিয়েই তারা চিন্তা করে এবং প্রয়োজনে তাদের অভিমত ব্যক্ত করে। বিভিন্ন দেশে সংঘটিত ছাত্র-আন্দোলন মূলত তাদের সম্মিলিত প্রতিবাদেরই ফল।
ক
৫ই আগস্টকে কত তারিখ বলা হয়েছে?
খ
"আসছে ফাগুনে আমরা দ্বিগুণ হবো।"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার কোন দিককে তুলে ধরে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের ভাবনা 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার বিষয়বস্তুকে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত করে কি? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6."আসছে ফাগুনে আমরা দ্বিগুণ হবো।"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।

"আসছে ফাগুনে আমরা দ্বিগুণ হবো।"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.৫ই আগস্টকে কত তারিখ বলা হয়েছে?

৫ই আগস্টকে কত তারিখ বলা হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ থেকে ইংরেজ শাসনের অবসান ঘটে। এ সময় ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামের দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের অব্যবহতিকাল পরেই বাংলার মানুষের মোহভঙ্গ হয়। কারণ দেশ বিভাগের পর থেকেই শাসকগোষ্ঠী এ দেশের মানুষের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করতে শুরু করে। তাদের এই অপশাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালিরা বহুবার প্রতিবাদ করেছে। প্রতিবারই বাঙালিকে বুকের রক্ত দিয়ে অধিকার আদায় করতে হয়েছে। অবশেষে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে লাখো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।
ক
দৃঢ়চেতা ও স্থিরপ্রতিজ্ঞ মানুষের সামনে কী টেকে না?
খ
তরুণ সমাজ দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করছিল কেন? বুঝিয়ে লেখো।
গ
উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার চেতনাগত ঐক্য বিদ্যমান।” – মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ থেকে ইংরেজ শাসনের অবসান ঘটে। এ সময় ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামের দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের অব্যবহতিকাল পরেই বাংলার মানুষের মোহভঙ্গ হয়। কারণ দেশ বিভাগের পর থেকেই শাসকগোষ্ঠী এ দেশের মানুষের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করতে শুরু করে। তাদের এই অপশাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালিরা বহুবার প্রতিবাদ করেছে। প্রতিবারই বাঙালিকে বুকের রক্ত দিয়ে অধিকার আদায় করতে হয়েছে। অবশেষে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে লাখো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।
ক
দৃঢ়চেতা ও স্থিরপ্রতিজ্ঞ মানুষের সামনে কী টেকে না?
খ
তরুণ সমাজ দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করছিল কেন? বুঝিয়ে লেখো।
গ
উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার চেতনাগত ঐক্য বিদ্যমান।” – মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.তরুণ সমাজ দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করছিল কেন? বুঝিয়ে লেখো।

তরুণ সমাজ দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করছিল কেন? বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.দৃঢ়চেতা ও স্থিরপ্রতিজ্ঞ মানুষের সামনে কী টেকে না?

দৃঢ়চেতা ও স্থিরপ্রতিজ্ঞ মানুষের সামনে কী টেকে না?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সাল। সারা দেশে যুদ্ধের দামামা বাজছে। একে তো পাকিস্তানি শাসকদের অপশাসনে বাংলার মানুষ অতিষ্ঠ, তার ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নির্বিচারে মানুষ মারছে, ঘরবাড়ি-দোকানপাট জ্বালিয়ে দিচ্ছে। এমতাবস্থায় বৃদ্ধ সুরুজ আলির ছেলে মকবুল যুদ্ধে যোগ দিয়েছে। তবে সুরুজ আলি এতসব বোঝে না। তার স্বপ্ন একটাই; তা হলো- যুদ্ধ জয়ের পর গরিব বলে তারা বৈষম্যের শিকার হবে না। দুবেলা দুমুঠো ভাত খেতে পারবে আর সম্মানের সাথে বাঁচতে পারবে।
ক
স্বৈরাচারী শাসকের সময়ে বছরের পর বছর মানুষ কী লুট হতে দেখেছে?
খ
স্বৈরাচারী সরকারের সময়ে এ দেশের মানুষ ভয়াবহ অসম্মান ও অনিশ্চয়তায় পড়ে গিয়েছিল কেন?
গ
উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার কোন দিক থেকে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার মূলভাবকে সম্পূর্ণ তুলে ধরে কি?- বিচার করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

“উদ্দীপকের কবিতাংশে ফুটে ওঠা তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার তর"সেদিন ৫ই আগস্ট ২০২৪ – ৩৬শে জুলাই।” ব্যাখ্যা করো।আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কোনটি?উদ্দীপকের ভাবনা 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার বিষয়বস্তুকে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত করে উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার কোন দিককে তুলে ধরে? ব্যাখ্যা করো।"আসছে ফাগুনে আমরা দ্বিগুণ হবো।"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।৫ই আগস্টকে কত তারিখ বলা হয়েছে?"উদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার চেতনাগত ঐক্য বিদ্যমান।” – মন্তব্যটিউদ্দীপকের সাথে 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।তরুণ সমাজ দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করছিল কেন? বুঝিয়ে লেখো।দৃঢ়চেতা ও স্থিরপ্রতিজ্ঞ মানুষের সামনে কী টেকে না?উদ্দীপকটি 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' রচনার মূলভাবকে সম্পূর্ণ তুলে ধরে কি?- বিচার করো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।