"উদ্দীপকের প্রত্যাশাই যেন 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধের অন্তর্নিহিত ভাব।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: কঠোর পরিশ্রমের মধ্যেই আছে বাঙালি জাতির আত্মোন্নয়ন- এই দিক থেকে বলা যায়, “উদ্দীপকের প্রত্যাশাই যেন 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধের অন্তর্নিহিত ভাব" মন্তব্যটি যথার্থ। 'নিরীহ বাঙালি' নামটি দ্বারা রোকেয়া বুঝিয়েছেন যে, বাঙালিরা নিজেদের অলসতা ও নিষ্ক্রিয়তার কারণে সমাজে নিজেদের সঠিক অবস্থান করে নিতে পারছে না। তিনি এই অলসতাকে সমালোচনা করে বলেন যে, বাঙালিকে কঠোর পরিশ্রম এবং আত্মোন্নয়ন করতে হবে, যা তাদের নিজেদের ভাগ্য গড়ে তোলার সুযোগ করে দেবে। 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে লেখিকা বাঙালিকে দুর্বল, নিরীহ বলেছেন। বাঙালি নারী, পুরুষ উভয়ই কোমলমতি। তাই পরিশ্রমসাধ্য কোনো কাজ তারা করতে পারে না। এ কারণেই বাঙালির কোনো কথা সহজে কাজে পরিণত হয় না। উদ্দীপকেও এ বিষয়টি লক্ষণীয়। উদ্দীপকে কবি এমন বাঙালি প্রত্যাশা করেছেন যে তার কথাকে কাজে পরিণত করতে পারবে এবং তার মাধ্যমেই সমগ্র দেশের কল্যাণ হবে। উদ্দীপকে লেখক দেশের কল্যাণের জন্য পরিশ্রমী ও সাহসী বাঙালিকে প্রত্যাশা করেছেন। 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে লেখিকা বাঙালি চরিত্রের দুর্বলতাগুলো উপস্থাপন করেছেন। তবে এ বৈশিষ্ট্যগুলো উপস্থাপনের মধ্য দিয়েই প্রকাশিত হয়েছে তিনি। কেমন বাঙালি চান। তিনি চান। পরিশ্রমী, সাহসী বাঙালি যারা কাজকে ভয় পাবে না। উদ্দীপকে যে প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে সেটি 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধের অন্তর্নিহিত ভাব।
SSC বাংলা ১ম পত্র নিরীহ বাঙালি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · বাংলা ১ম পত্র · নিরীহ বাঙালি · সৃজনশীল
"উদ্দীপকের প্রত্যাশাই যেন 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধের অন্তর্নিহিত ভাব।…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর