উদ্দীপকের সাথে যে দেশের একত্রীকরণের সাদৃশ্য রয়েছে তার ইতিবাচক দিক বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উক্ত একত্রীকরণ তথা বার্লিন প্রাচীরের অবসানের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সময়ে দুই জার্মানির পুনঃ একত্রীকরণ প্রক্রিয়া ও প্রয়াস আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে চিহ্নিত। ৫০ বছর পর জার্মানি আবার ঐক্যবদ্ধ হয় এবং বিচ্ছিন্ন আপনজনরা একে অপরকে খুঁজে পায়। এ ঘটনা বার্লিন প্রাচীরের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ফলাফলকেই তুলে ধরে। পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানির একত্রীকরণের সাথে সাথে ইতোপূর্বে পশ্চিম জার্মান সরকার প্রণীত সকল আন্তর্জাতিক চুক্তিই ঐক্যবদ্ধ জার্মানির চুক্তি বলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে। জাতিসংঘ, NATO প্রভৃতির পশ্চিম জার্মানির সদস্যপদ তখন থেকে ঐক্যবদ্ধ জার্মানির সদস্যপদ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ফ্রান্সের জনসাধারণও এ ঐক্য প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে। জার্মানির একত্রীকরণের পর ১৯৯০ সালের ১৪ নভেম্বর জার্মানি পোল্যান্ডের সাথে তার সীমানা সংক্রান্ত চুক্তি জার্মান-পোলিন সীমান্ত চুক্তি সম্পাদন করে। এ চুক্তির ফলে উভয় দেশ সীমান্ত এলাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষায়ও একমত পোষণ করে। একত্রীকরণের পরবর্তীতে বিপুলসংখ্যক পূর্ব জার্মান পশ্চিম জার্মানিতে প্রবেশ করে। ঐক্যবদ্ধ জার্মানিতে 'বার্লিন' তার পূর্বের ঐতিহ্য ফিরে পায়। পরিশেষে বলা যায় যে, দুই বার্লিনের একত্রীকরণের মাধ্যমে জার্মান জাতি তাদের দীর্ঘ বিভক্তির অবসান ঘটিয়ে জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের নতুন যুগের সূচনা করে। এটি বিশ্বের ইতিহাসে শান্তিপূর্ণ ঐক্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
HSC History 2nd Paper Chapter 8: স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্ব (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · History 2nd Paper · Chapter 8: স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্ব (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল
উদ্দীপকের সাথে যে দেশের একত্রীকরণের সাদৃশ্য রয়েছে তার ইতিবাচক দিক ব…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর