উদ্দীপকে বর্ণিত ভাষণের বিষয়বস্তুর সাথে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের কোন দিকটির মিল রয়েছে?
উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত ভাষণের বিষয়বস্তুর সাথে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের দ্ব্যর্থহীন ভাষায় স্বাধীনতার ঘোষণার দিকটির সাথে মিল রয়েছে। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন, তাতে সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা না থাকলেও বাঙালি জাতির জন্য এটি ছিল স্বাধীনতা আন্দোলন শুরুর একটি দিক নির্দেশনা। বঙ্গবন্ধু এ ভাষণে একটি সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা প্রদান করেন; যার মূল বিষয় ছিল ৪টি— চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার, সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া, গণহত্যার তদন্ত করা ও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। এ ভাষণে তিনি বলেন, “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” তিনি দেশকে শত্রুমুক্ত করতে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান। ১৯৭১ সালে ৭ মার্চের পর থেকেই বাঙালি জাতি স্বাধীনতার চূড়ান্ত মানসিক প্রস্তুতি গ্রহণ ও অসহযোগ আন্দোলন শুরু করে। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস এই ভাষণই স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে 'বজ্রকণ্ঠ' নামে প্রচারিত হয়েছে বারবার। যা দীর্ঘ নয় মাস জাতিকে প্রবল মানসিক শক্তি যুগিয়েছে ৷ উদ্দীপকে ঘানার অবিসংবাদী নেতা নকুমা ১০ জুলাই ১৯৩৫ সালের ঐতিহাসিক ভাষণে তৎকালীন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ঘানার জনগণকে সংঘবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং দ্ব্যর্থহীনভাষায় দেশের জনগণকে তাদের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণেও একই বিষয় লক্ষ্য করা যায়। তিনি ৭ মার্চ ভাষণে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বাঙালিদের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। এই ভাষণে তিনি সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান না করে কৌশলে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় তা প্রদান করেন।
HSC History 1st Paper Chapter 5: পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকার আন্দোলন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · History 1st Paper · Chapter 5: পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকার আন্দোলন · সৃজনশীল
উদ্দীপকে বর্ণিত ভাষণের বিষয়বস্তুর সাথে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চ…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর