শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের 'ক' দেশের সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতার সাথে বাংলাদেশের কোন সরকারের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের 'ক' দেশের সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতার সাথে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের (মুজিবনগর) সাদৃশ্য রয়েছে। মুজিবনগর সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিচারপতি আবু ।। সাঈদ চৌধুরীকে বিশেষ দূত নিয়োগ করে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বহির্বিশ্বে সমর্থন ও জনমত আদায়ের চেষ্টা করে। এছাড়া ।। বাংলাদেশের নাগরিক এবং সহানুভূতিশীল ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে ।। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, সুইডেন, জাপান ও অন্যান্য কতিপয় ।। শক্তিশালী দেশের সমর্থন লাভে ঐকান্তিক প্রচেষ্টা চালানো হয়। এ ধরনের তৎপরতার ফলে ওইসব দেশে মুক্তিযুদ্ধের অনুকূল সংবাদ শিরোনাম প্রকাশিত হয়েছিল। বিচারপতি আবু সাইদ চৌধুরীর তৎপরতায় ১৪ মে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্সে সর্বসম্মতভাবে প্রস্তাব পাস হয় যে, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ব্রিটেনের যে ।। প্রভাব রয়েছে তা প্রয়োগ করে পাকিস্তানকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারে বাধ্য করা ব্রিটিশ সরকারের কর্তব্য। মুজিবনগর সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিয়োজিত বাঙালি কূটনীতিকগণ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আনুগত্য প্রকাশ করতে থাকেন। এ সরকারের তৎপরতার ফলে দাতাগোষ্ঠী পাকিস্তানকে নতুন সাহায্যদানে বিরত থাকে এবং ঋণ দিতেও আপত্তি জানায়। মুজিবনগর সরকারের তৎপরতার ফলে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে বিভিন্ন দেশ জানতে পারে। মুজিবনগর সরকারের তৎপরতার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তৎপরতা ছিল মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বিদেশে তহবিল সংগ্রহ করা।। ১৯৭১ সালের ৮ মে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন অ্যাকশন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের জরুরি মিটিং-এ মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে 'বাংলাদেশ ফান্ড' নামে একটি তহবিল গঠন করা হয়। এ ফান্ড ৩,৭৬,৫৬৮ পাউন্ড পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের জন্য সংগ্রহ করে, যা সরাসরি মুজিবনগর সরকার গ্রহণ করেছিল। সুতরাং উদ্দীপকের 'ক' দেশের অস্থায়ী সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতার সাথে বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকারের সাদৃশ্য রয়েছে।

HSC History 1st Paper Chapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 1st Paper · Chapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকের 'ক' দেশের সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতার সাথে বাংলাদেশের কোন সর…

উদ্দীপক

'ক' দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে গঠিত অস্থায়ী সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা ছিল এক সোনালি অধ্যায়। কারণ উক্ত সরকারের তৎপরতার ফলে বহির্বিশ্বে 'ক' দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং যুদ্ধে 'ক' দেশের জনগণের ওপর শত্রু বাহিনীর ধর্ষণ, নির্যাতন ও গণহত্যা সম্পর্কে লোমহর্ষক তথ্য পৌঁছেছিল। 'ক' দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও সাধারণ জনগণের প্রতি বিশ্বব্যাপী যে সহানুভূতির সৃষ্টি হয়েছিল তা ছিল বহির্বিশ্বে উক্ত দেশের অস্থায়ী সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতারই ফল।

উত্তর

বাতেন বাহিনী গড়ে ওঠে টাঙ্গাইলে।

উত্তর

মুক্তিযুদ্ধের সময় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যদের ব্যাটালিয়ন নিয়ে ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়। এ ব্রিগেডগুলো কে ফোর্স, এস ফোর্স, ও জেড ফোর্স নামে পরিচিত ছিল। সরকারি পর্যায়ে এদের নামকরণ করা হয় এম. এফ. (মুক্তিফৌজ)। মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জুনের প্রথমদিকে ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট ।। বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয় জেড ফোর্স। মেজর শফিউল্লাহর, অধিনায়কত্বে মে মাসেই ২য় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও ৩ নম্বর সেক্টর • নিয়ে গঠিত হয় এস ফোর্স। মে মাসে ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয় কে ফোর্স, যার অধিনায়ক ছিলেন মেজর ।। খালেদ মোশাররফ।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' দেশের সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতার সাথে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের (মুজিবনগর) সাদৃশ্য রয়েছে। মুজিবনগর সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিচারপতি আবু ।। সাঈদ চৌধুরীকে বিশেষ দূত নিয়োগ করে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বহির্বিশ্বে সমর্থন ও জনমত আদায়ের চেষ্টা করে। এছাড়া ।। বাংলাদেশের নাগরিক এবং সহানুভূতিশীল ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে ।। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, সুইডেন, জাপান ও অন্যান্য কতিপয় ।। শক্তিশালী দেশের সমর্থন লাভে ঐকান্তিক প্রচেষ্টা চালানো হয়। এ ধরনের তৎপরতার ফলে ওইসব দেশে মুক্তিযুদ্ধের অনুকূল সংবাদ শিরোনাম প্রকাশিত হয়েছিল। বিচারপতি আবু সাইদ চৌধুরীর তৎপরতায় ১৪ মে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্সে সর্বসম্মতভাবে প্রস্তাব পাস হয় যে, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ব্রিটেনের যে ।। প্রভাব রয়েছে তা প্রয়োগ করে পাকিস্তানকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারে বাধ্য করা ব্রিটিশ সরকারের কর্তব্য। মুজিবনগর সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিয়োজিত বাঙালি কূটনীতিকগণ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আনুগত্য প্রকাশ করতে থাকেন। এ সরকারের তৎপরতার ফলে দাতাগোষ্ঠী পাকিস্তানকে নতুন সাহায্যদানে বিরত থাকে এবং ঋণ দিতেও আপত্তি জানায়। মুজিবনগর সরকারের তৎপরতার ফলে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে বিভিন্ন দেশ জানতে পারে। মুজিবনগর সরকারের তৎপরতার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তৎপরতা ছিল মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বিদেশে তহবিল সংগ্রহ করা।। ১৯৭১ সালের ৮ মে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন অ্যাকশন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের জরুরি মিটিং-এ মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে 'বাংলাদেশ ফান্ড' নামে একটি তহবিল গঠন করা হয়। এ ফান্ড ৩,৭৬,৫৬৮ পাউন্ড পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের জন্য সংগ্রহ করে, যা সরাসরি মুজিবনগর সরকার গ্রহণ করেছিল। সুতরাং উদ্দীপকের 'ক' দেশের অস্থায়ী সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতার সাথে বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকারের সাদৃশ্য রয়েছে।

উত্তর

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে উক্ত সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা অর্থাৎ মুজিবনগর সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বহির্বিশ্বে প্রচার করা এবং এর প্রতি সহানুভূতি সৃষ্টি ও স্বীকৃতি আদায় করা ছিল এ সরকারের প্রধান লক্ষ্য। বহির্বিশ্বে মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর নেতৃত্বে ব্রিটেনে কূটনৈতিক তৎপরতা ও সেখানে প্রবাসী বাঙালিদেরকে সংঘবদ্ধ করে আন্দোলন ও জনমত গঠনে বিশেষ সফলতা এসেছিল। ইরাক, ফিলিপাইন, আর্জেন্টিনা, কলকাতা, দিল্লি, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, কাঠমান্ডু, হংকং প্রভৃতি স্থানে নিযুক্ত পাকিস্তান দূতাবাসের উচ্চপদস্থ কূটনৈতিকগণ মুক্তিযুদ্ধ ও মুজিবনগর সরকারের প্রতি সমর্থন ও আনুগত্য প্রকাশ করেছিলেন। বহির্বিশ্বে তৎপরতার ফলে এ সত্যটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যে, বাংলাদেশের সমস্যা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা বা শরণার্থী সমস্যা নয় বরং এ ছিল শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির স্বাধীনতার সংগ্রাম। রাষ্ট্রীয়ভাবে আমেরিকা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করলেও আমেরিকার জনগণ ও প্রচার মাধ্যম মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিল। এমনকি জনমতের চাপে আমেরিকা, বিশ্বব্যাংক ও ব্রিটেন' পাকিস্তানকে অর্থ সাহায্য বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল। ইন্দোনেশিয়ায় সামরিক শাসনের বিধিনিষেধ ভক্তা করে অসংখ্য ছাত্র বাংলাদেশের গণহত্যার বিরুদ্ধে মিছিল করেছিল এবং ইন্দোনেশিয়ান টেলিভিশন আগস্টে মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি খন্দকার মোশতাকের সাক্ষাৎকার প্রচার করেছিল। সুতরাং বলা যায়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
HSCHistory 1st PaperChapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান। দেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তার বাবা ছিলেন যুবক। তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে এসে একটি বাহিনীর অধীনে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করেন।
ক
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?
খ
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।
গ
উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান। দেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তার বাবা ছিলেন যুবক। তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে এসে একটি বাহিনীর অধীনে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করেন।
ক
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?
খ
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।
গ
উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।

আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?

আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ক্যাপ্টেন পদে কর্মরত ছিলেন অলি আহমেদ। দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে ফরোয়ার্ড পোস্ট পাকিস্তানে থেকে তিনি একদিন পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। তার নির্দেশে একদিন গর্জে উঠেছিল মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড। সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য তাকে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। অলি আহমেদের মতো সাহসী যোদ্ধাদের জন্য আমরা পেয়েছি সবুজের বুকে লাল পতাকা।
ক
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
খ
কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ক্যাপ্টেন পদে কর্মরত ছিলেন অলি আহমেদ। দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে ফরোয়ার্ড পোস্ট পাকিস্তানে থেকে তিনি একদিন পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। তার নির্দেশে একদিন গর্জে উঠেছিল মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড। সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য তাকে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। অলি আহমেদের মতো সাহসী যোদ্ধাদের জন্য আমরা পেয়েছি সবুজের বুকে লাল পতাকা।
ক
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
খ
কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনে সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের পর এদিন অর্জিত হয়। একটি গৌরবময় চূড়ান্ত বিজয়।
ক
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?
খ
মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
গ
মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনে সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের পর এদিন অর্জিত হয়। একটি গৌরবময় চূড়ান্ত বিজয়।
ক
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?
খ
মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
গ
মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?

মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ করউদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমকোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।