শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের অনিয়মিত বাহিনীর সদস্য ছিলেন। এ বাহিনীতে ছিল ছাত্র-শিক্ষক, কৃষক-শ্রমিক, তাঁতি-জেলে ও যুবকরা। গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করার জন্য এদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। এদেরকে বলা হতো ফ্রিডম ফাইটার্স। সরকারি নাম ছিল অনিয়মিত বাহিনী বা গণবাহিনী। এ বাহিনীর জন্য কোনো সামরিক আইন কার্যকরী ছিল না। এর সদস্যসংখ্যা ছিল প্রায় ১ লক্ষ ১২ হাজার। এছাড়া উল্লিখিত বাহিনীর বাইরে কয়েকটি অনিয়মিত বাহিনী ছিল। ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের বাছাই করা তরুণদের নিয়ে গড়ে উঠেছিল মুজিব বাহিনী এ বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল হক মনি, আব্দুর রাজ্জাক, সিরাজুল ইসলাম খান, আ.স.ম আব্দুর রব, শাহজাহান সিরাজ, নূরে আলম সিদ্দিকী প্রমুখ। এর সদস্যসংখ্যা ছিল প্রায় ৬ হাজার। এছাড়া কমিউনিস্ট পাটি, ন্যাপ (মোজাফফর), ন্যাপ (ভাসানী) ও ছাত্র ইউনিয়নের আলাদা গেরিলা দল ছিল। সুতরাং এটি স্পষ্ট যে, আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধে অনিয়মিত বাহিনীর সদস্য ছিলেন।

HSC History 1st Paper Chapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 1st Paper · Chapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ…

উদ্দীপক

আইরিন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান। দেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তার বাবা ছিলেন যুবক। তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে এসে একটি বাহিনীর অধীনে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করেন।

উত্তর

আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে সোভিয়েত রাশিয়া ভেটো দেয়।

উত্তর

বিদেশি সাংবাদিক সাইমন ড্রিং নিজের জীবন বিপন্ন করে পাকিস্তানি বাহিনীর লোমহর্ষক নির্যাতন ও গণহত্যার কথা ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় প্রতিবেদন আকারে প্রেরণ করেন। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৭১ সালের ৩০ মার্চ। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকারের প্রচার সেলের তত্ত্ববধানে প্রকাশিত দৈনিক 'জয় বাংলা' পত্রিকা মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে এবং এটি মুক্তিযুদ্ধের মুখপত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই পাকিস্তানি বাহিনী ইত্তেফাক পত্রিকাসহ বহু পত্রপত্রিকা বন্ধ করে দেয়। তখন ভারতের ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিভিন্ন পত্রপত্রিকা প্রকাশিত হতে শুরু করে। এসব পত্রিকা স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে বিশেষ অবদান রাখে।

উত্তর

উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের অনিয়মিত বাহিনীর সদস্য ছিলেন। এ বাহিনীতে ছিল ছাত্র-শিক্ষক, কৃষক-শ্রমিক, তাঁতি-জেলে ও যুবকরা। গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করার জন্য এদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। এদেরকে বলা হতো ফ্রিডম ফাইটার্স। সরকারি নাম ছিল অনিয়মিত বাহিনী বা গণবাহিনী। এ বাহিনীর জন্য কোনো সামরিক আইন কার্যকরী ছিল না। এর সদস্যসংখ্যা ছিল প্রায় ১ লক্ষ ১২ হাজার। এছাড়া উল্লিখিত বাহিনীর বাইরে কয়েকটি অনিয়মিত বাহিনী ছিল। ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের বাছাই করা তরুণদের নিয়ে গড়ে উঠেছিল মুজিব বাহিনী এ বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল হক মনি, আব্দুর রাজ্জাক, সিরাজুল ইসলাম খান, আ.স.ম আব্দুর রব, শাহজাহান সিরাজ, নূরে আলম সিদ্দিকী প্রমুখ। এর সদস্যসংখ্যা ছিল প্রায় ৬ হাজার। এছাড়া কমিউনিস্ট পাটি, ন্যাপ (মোজাফফর), ন্যাপ (ভাসানী) ও ছাত্র ইউনিয়নের আলাদা গেরিলা দল ছিল। সুতরাং এটি স্পষ্ট যে, আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধে অনিয়মিত বাহিনীর সদস্য ছিলেন।

উত্তর

মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর তথা অনিয়মিত বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী। কথাটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই মুক্তিযুদ্ধে ছাত্র এবং যুবক সম্প্রদায় গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করার জন্য প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছিল। এদেরকে ফ্রিডম ফাইটার্স বলা হতো। ফ্রিডম ফাইটার্স বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল আঞ্চলিক বাহিনী। এ বাহিনী যুদ্ধ করে বিভিন্ন অঞ্চলকে শত্রুমুক্ত করতে সক্ষম হয়। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল), আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা- ময়মনসিংহ), বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল), হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ-বরিশাল), হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ), আকবর বাহিনী (মাগুরা) ও জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)। এসব গেরিলা বাহিনীর কর্মকান্ড ছিল স্বেচ্ছাসেবক, স্বল্প প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। শত্রুপক্ষকে অতর্কিত আক্রমণে পরাস্ত করা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু যেমন যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ধ্বংস করা, যুদ্ধের জন্য লোকবল সংগ্রহ করে প্রশিক্ষণ দেওয়া তাদের কাজ ছিল। বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক বাহিনীর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হাজার হাজার গেরিলা ছিল। সুতরাং প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।
HSCHistory 1st PaperChapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান। দেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তার বাবা ছিলেন যুবক। তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে এসে একটি বাহিনীর অধীনে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করেন।
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।
উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।
মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।

আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?

আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ক্যাপ্টেন পদে কর্মরত ছিলেন অলি আহমেদ। দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে ফরোয়ার্ড পোস্ট পাকিস্তানে থেকে তিনি একদিন পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। তার নির্দেশে একদিন গর্জে উঠেছিল মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড। সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য তাকে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। অলি আহমেদের মতো সাহসী যোদ্ধাদের জন্য আমরা পেয়েছি সবুজের বুকে লাল পতাকা।
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ক্যাপ্টেন পদে কর্মরত ছিলেন অলি আহমেদ। দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে ফরোয়ার্ড পোস্ট পাকিস্তানে থেকে তিনি একদিন পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। তার নির্দেশে একদিন গর্জে উঠেছিল মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড। সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য তাকে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। অলি আহমেদের মতো সাহসী যোদ্ধাদের জন্য আমরা পেয়েছি সবুজের বুকে লাল পতাকা।
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনে সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের পর এদিন অর্জিত হয়। একটি গৌরবময় চূড়ান্ত বিজয়।
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?
মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনে সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের পর এদিন অর্জিত হয়। একটি গৌরবময় চূড়ান্ত বিজয়।
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?
মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?

মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

গাজীপুরের কাউসার সাহেব নিজেকে ধন্য মনে করেন এজন্য যে, এ জেলার একজন মহান ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং বাংলাদেশের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করার জন্য যে সরকার প্রতিষ্ঠা করা/গঠিত হয়েছিল তার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। গাজীপুরবাসী আজও অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে তাদের প্রিয় নেতাকে স্মরণ করে।
যৌথ বাহিনীর অধিনায়ক কে ছিলেন?
"বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধে নারীর ভূমিকা ছিল গৌরবোজ্জ্বল" -ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের সাথে মিল রয়েছে পাঠ্যপুস্তকের এমন একটি সরকারের কার্যক্রম ব্যাখ্যা কর।
"এ ধরনের সরকার গঠনের পরই বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়"- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ করআমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমকোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?"এ ধরনের সরকার গঠনের পরই বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়"-

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।