মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।
উত্তর: ১৯৭১ সালের ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে বিজয়কে ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে গেরিলাবাহিনী ও যৌথবাহিনী অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের জনগণের নিকট গেরিলা মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিফৌজ নামে পরিচিত ছিল। মুক্তিবাহিনী বাংলাদেশকে শত্রুমুক্ত করার জন্য রাজধানী ঢাকা শহরে গেরিলা তৎপরতা জোরদার করলে পাকবাহিনী ভীত ও শঙ্কিত হয়ে পড়ে। গেরিলাবাহিনী পাকহানাদার এবং তাদের দোসর রাজাকার, আল-শামস, আল-বদর ও দালালদের নিধনে গেরিলা আক্রমণ আরও জোরদার করে। এভাবে গেরিলাবাহিনীর যোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে রাজধানী ঢাকা শহরে আইয়ুব খানের কুকর্মের দোসর প্রাক্তন গভর্নর মোনায়েম খানকে তাঁর বাসভবনে হত্যা করে। গেরিলাবাহিনীর এরূপ নজিরবিহীন সাফল্যে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বাংলার জনগণের এমনকি বহির্বিশ্বের বাঙালিদের বিজয়ের অনুকূল জনমত সৃষ্টি করতে সহায়তা করে। ৪ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে যৌথবাহিনী গড়ে উঠলে মুক্তিযুদ্ধে ভিন্নমাত্রা যোগ হয়। শুরু হয় পাকবাহিনীর ওপর জল, স্থল ও আকাশপথে হামলা। ফলে তারা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং দিশেহারা হয়ে পালানোর পথ খুঁজতে থাকে। এসময় যৌথবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল অরোরা পাকিস্তান বাহিনীকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানালে তারা সম্মতি জ্ঞাপন করে। একথা ঐতিহাসিকভাবে সত্য যে, যৌথবাহিনী গঠিত না হলে আরও রক্ত ঝরত, জীবন নষ্ট হতো এবং অনেক সময় লাগত স্বাধীনতা অর্জন করতে। ভারত বন্ধুর পরিচয় দিয়ে আমাদের স্বাধীনতাকে ত্বরান্বিত করেছিল।
HSC History 1st Paper Chapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · History 1st Paper · Chapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণন…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর