শেয়ারFacebookWhatsApp

মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।

উত্তর: ১৯৭১ সালের ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে বিজয়কে ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে গেরিলাবাহিনী ও যৌথবাহিনী অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের জনগণের নিকট গেরিলা মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিফৌজ নামে পরিচিত ছিল। মুক্তিবাহিনী বাংলাদেশকে শত্রুমুক্ত করার জন্য রাজধানী ঢাকা শহরে গেরিলা তৎপরতা জোরদার করলে পাকবাহিনী ভীত ও শঙ্কিত হয়ে পড়ে। গেরিলাবাহিনী পাকহানাদার এবং তাদের দোসর রাজাকার, আল-শামস, আল-বদর ও দালালদের নিধনে গেরিলা আক্রমণ আরও জোরদার করে। এভাবে গেরিলাবাহিনীর যোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে রাজধানী ঢাকা শহরে আইয়ুব খানের কুকর্মের দোসর প্রাক্তন গভর্নর মোনায়েম খানকে তাঁর বাসভবনে হত্যা করে। গেরিলাবাহিনীর এরূপ নজিরবিহীন সাফল্যে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বাংলার জনগণের এমনকি বহির্বিশ্বের বাঙালিদের বিজয়ের অনুকূল জনমত সৃষ্টি করতে সহায়তা করে। ৪ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে যৌথবাহিনী গড়ে উঠলে মুক্তিযুদ্ধে ভিন্নমাত্রা যোগ হয়। শুরু হয় পাকবাহিনীর ওপর জল, স্থল ও আকাশপথে হামলা। ফলে তারা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং দিশেহারা হয়ে পালানোর পথ খুঁজতে থাকে। এসময় যৌথবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল অরোরা পাকিস্তান বাহিনীকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানালে তারা সম্মতি জ্ঞাপন করে। একথা ঐতিহাসিকভাবে সত্য যে, যৌথবাহিনী গঠিত না হলে আরও রক্ত ঝরত, জীবন নষ্ট হতো এবং অনেক সময় লাগত স্বাধীনতা অর্জন করতে। ভারত বন্ধুর পরিচয় দিয়ে আমাদের স্বাধীনতাকে ত্বরান্বিত করেছিল।

HSC History 1st Paper Chapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 1st Paper · Chapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণন…

উদ্দীপক

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনে সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের পর এদিন অর্জিত হয়। একটি গৌরবময় চূড়ান্ত বিজয়।

উত্তর

১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।

উত্তর

মুক্তিযুদ্ধ মোট ১১টি সেক্টরে বিভক্ত ছিল। মুজিবনগর সরকারে প্রধান সেনাপতি কর্নেল (অব.) আতাউল গনি ওসমানীর নেতৃত্বে মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর কে এম শফিউল্লাহ, মেজর খালেদ মোশাররফ, মেজর সি. আর দত্ত, মেজর মীর শওকত আলী, মেজর কাজী নুরুজ্জামান, মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং মেজর আবু তাহের প্রমুখ সেনাকর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে এসব সেক্টর পরিচালিত হয়।

উত্তর

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষিত হলে গোটা বাঙালি পাকিস্তানি আগ্রাসিদের বিপক্ষে প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তোলেন। তারই ধারাবাহিকায় সুসংগঠিতভাবে। মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং বিশ্বজনমত গঠনের লক্ষ্যে ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং এ সরকার শপথ নেন ১৭ এপ্রিল। মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি ছিল নিম্নরূপ- ১. রাষ্ট্রপতি- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ২. উপ ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি- সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ৩. প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, ৪. অর্থমন্ত্রী- এম মনসুর আলী, ৫. স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী- এএইচএম কামারুজ্জামান। ৬. পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী- খন্দকার মোশতাক আহমেদ এবং প্রধান সেনাপতির দায়িত্বে ছিলেন কর্নেল (অব.) এম এ জি ওসমানী। তাছাড়াও মুজিবনগর সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয় ছিল। এছাড়া স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারকে উপদেশ ও পরামর্শ প্রদানের জন্য একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়। ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ভাসানী ন্যাপ) মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (মোজাফ্ফর ন্যাপ) অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমেদ, কমিউনিস্ট পার্টির কমরেড মণি সিং, জাতীয় কংগ্রেসের শ্রী মনোরঞ্জন ধর, তাজউদ্দীন আহমদ (বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী) ও খন্দকার মোশতাক আহমেদ (বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী)-কে নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়।

উত্তর

১৯৭১ সালের ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে বিজয়কে ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে গেরিলাবাহিনী ও যৌথবাহিনী অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের জনগণের নিকট গেরিলা মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিফৌজ নামে পরিচিত ছিল। মুক্তিবাহিনী বাংলাদেশকে শত্রুমুক্ত করার জন্য রাজধানী ঢাকা শহরে গেরিলা তৎপরতা জোরদার করলে পাকবাহিনী ভীত ও শঙ্কিত হয়ে পড়ে। গেরিলাবাহিনী পাকহানাদার এবং তাদের দোসর রাজাকার, আল-শামস, আল-বদর ও দালালদের নিধনে গেরিলা আক্রমণ আরও জোরদার করে। এভাবে গেরিলাবাহিনীর যোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে রাজধানী ঢাকা শহরে আইয়ুব খানের কুকর্মের দোসর প্রাক্তন গভর্নর মোনায়েম খানকে তাঁর বাসভবনে হত্যা করে। গেরিলাবাহিনীর এরূপ নজিরবিহীন সাফল্যে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বাংলার জনগণের এমনকি বহির্বিশ্বের বাঙালিদের বিজয়ের অনুকূল জনমত সৃষ্টি করতে সহায়তা করে। ৪ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে যৌথবাহিনী গড়ে উঠলে মুক্তিযুদ্ধে ভিন্নমাত্রা যোগ হয়। শুরু হয় পাকবাহিনীর ওপর জল, স্থল ও আকাশপথে হামলা। ফলে তারা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং দিশেহারা হয়ে পালানোর পথ খুঁজতে থাকে। এসময় যৌথবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল অরোরা পাকিস্তান বাহিনীকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানালে তারা সম্মতি জ্ঞাপন করে। একথা ঐতিহাসিকভাবে সত্য যে, যৌথবাহিনী গঠিত না হলে আরও রক্ত ঝরত, জীবন নষ্ট হতো এবং অনেক সময় লাগত স্বাধীনতা অর্জন করতে। ভারত বন্ধুর পরিচয় দিয়ে আমাদের স্বাধীনতাকে ত্বরান্বিত করেছিল।
HSCHistory 1st PaperChapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান। দেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তার বাবা ছিলেন যুবক। তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে এসে একটি বাহিনীর অধীনে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করেন।
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।
উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।
মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান। দেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তার বাবা ছিলেন যুবক। তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে এসে একটি বাহিনীর অধীনে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করেন।
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।
উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।
মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।

আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?

আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ক্যাপ্টেন পদে কর্মরত ছিলেন অলি আহমেদ। দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে ফরোয়ার্ড পোস্ট পাকিস্তানে থেকে তিনি একদিন পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। তার নির্দেশে একদিন গর্জে উঠেছিল মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড। সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য তাকে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। অলি আহমেদের মতো সাহসী যোদ্ধাদের জন্য আমরা পেয়েছি সবুজের বুকে লাল পতাকা।
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ক্যাপ্টেন পদে কর্মরত ছিলেন অলি আহমেদ। দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে ফরোয়ার্ড পোস্ট পাকিস্তানে থেকে তিনি একদিন পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। তার নির্দেশে একদিন গর্জে উঠেছিল মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড। সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য তাকে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। অলি আহমেদের মতো সাহসী যোদ্ধাদের জন্য আমরা পেয়েছি সবুজের বুকে লাল পতাকা।
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনে সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের পর এদিন অর্জিত হয়। একটি গৌরবময় চূড়ান্ত বিজয়।
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?
মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?

মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

গাজীপুরের কাউসার সাহেব নিজেকে ধন্য মনে করেন এজন্য যে, এ জেলার একজন মহান ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং বাংলাদেশের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করার জন্য যে সরকার প্রতিষ্ঠা করা/গঠিত হয়েছিল তার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। গাজীপুরবাসী আজও অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে তাদের প্রিয় নেতাকে স্মরণ করে।
যৌথ বাহিনীর অধিনায়ক কে ছিলেন?
"বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধে নারীর ভূমিকা ছিল গৌরবোজ্জ্বল" -ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের সাথে মিল রয়েছে পাঠ্যপুস্তকের এমন একটি সরকারের কার্যক্রম ব্যাখ্যা কর।
"এ ধরনের সরকার গঠনের পরই বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়"- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ করউদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমকোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?"এ ধরনের সরকার গঠনের পরই বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়"-

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।