শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে মুক্তিযুদ্ধের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে মুক্তিযুদ্ধের মুজিবনগর সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতার সাদৃশ্য লক্ষণীয়। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, দুই বন্ধু রিগান ও মশিউর ঢাকায় এসে সাইনবোর্ড ও টেলিভিশনে ওরাকল বিসিএস কোচিং-এর বিজ্ঞাপন দেখতে পায়। বিজ্ঞাপনটি দেখে তারা বুঝতে পারে প্রচারেই প্রসার। অনুরূপভাবে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালেও মুজিবনগর সরকারের ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতার ফলে বাঙালির ন্যায়যুদ্ধ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধকে প্রচার করে। মুক্তিযুদ্ধের যৌক্তিকতা তুলে ধরা, মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্ব সহানুভূতি সৃষ্টি, সম্ভব হলে স্বীকৃতি আদায় ছিল অস্থায়ী মুজিবনগর সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতার লক্ষ্য। কূটনৈতিক তৎপরতার বলেই অতি দ্রুত মুক্তিযুদ্ধ বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং পাকিস্তানি গণহত্যার বিরুদ্ধে নিন্দার ঝড় ওঠে। কূটনৈতিক সফল তৎপরতার ফলেই বিশ্বকে এটা বোঝানো সম্ভব হয় যে, বাংলাদেশের সমস্যা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা বা সংকট নয়। এটি পাকিস্তানি শাসন, শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষের স্বাধীনতার সংগ্রাম। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের বহির্বিশ্বে কূটনৈতিক তৎপরতাই মিল রয়েছে।

HSC History 1st Paper Chapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 1st Paper · Chapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে মুক্তিযুদ্ধের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে? ব…

উদ্দীপক

দুই বন্ধু রিগান ও মশিউর প্রথমবারের মতো ঢাকায় এসেছে। রিগান লক্ষ করল বড় বড় সাইনবোর্ডে 'ওরাকল বিসিএস কোচিং'-এর বিজ্ঞাপন। সে আরও লক্ষ করল টিভির বিভিন্ন চ্যানেলেও 'ওরাকল বিসিএস কোচিং'-এর বিজ্ঞাপন প্রচারিত হচ্ছে। রিগানের কৌতূহলে মশিউর বলল প্রচারেই প্রসার। [ বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ ]

উত্তর

মুক্তিযুদ্ধের সময় বরিশাল ৯নং সেক্টরের অধীনে ছিল।

উত্তর

সুষ্ঠু প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য জুলাই মাসে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। মুজিবনগর সরকারের প্রতি আনুগত্যশীল জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে আঞ্চলিক চেয়ারম্যান নির্বাচন করা হয়। প্রতিটি অঞ্চলে একজন করে আঞ্চলিক প্রশাসকও নিয়োগ করা হয়। এ আঞ্চলিক প্রশাসনের ওপর শরণার্থী সমস্যা, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সামরিক-বেসামরিক বিষয়াবলির সুষ্ঠু সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ ভার অর্পিত ছিল। এ আঞ্চলিক প্রশাসনই জোনাল কাউন্সিল হিসেবে অভিহিত হতো।

উত্তর

উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে মুক্তিযুদ্ধের মুজিবনগর সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতার সাদৃশ্য লক্ষণীয়। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, দুই বন্ধু রিগান ও মশিউর ঢাকায় এসে সাইনবোর্ড ও টেলিভিশনে ওরাকল বিসিএস কোচিং-এর বিজ্ঞাপন দেখতে পায়। বিজ্ঞাপনটি দেখে তারা বুঝতে পারে প্রচারেই প্রসার। অনুরূপভাবে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালেও মুজিবনগর সরকারের ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতার ফলে বাঙালির ন্যায়যুদ্ধ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধকে প্রচার করে। মুক্তিযুদ্ধের যৌক্তিকতা তুলে ধরা, মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্ব সহানুভূতি সৃষ্টি, সম্ভব হলে স্বীকৃতি আদায় ছিল অস্থায়ী মুজিবনগর সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতার লক্ষ্য। কূটনৈতিক তৎপরতার বলেই অতি দ্রুত মুক্তিযুদ্ধ বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং পাকিস্তানি গণহত্যার বিরুদ্ধে নিন্দার ঝড় ওঠে। কূটনৈতিক সফল তৎপরতার ফলেই বিশ্বকে এটা বোঝানো সম্ভব হয় যে, বাংলাদেশের সমস্যা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা বা সংকট নয়। এটি পাকিস্তানি শাসন, শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষের স্বাধীনতার সংগ্রাম। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের বহির্বিশ্বে কূটনৈতিক তৎপরতাই মিল রয়েছে।

উত্তর

স্বাধীনতা অর্জনে উক্ত বিষয় অর্থাৎ মুজিবনগর সরকারের কূটনৈতিক। তৎপরতার অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বহির্বিশ্বে মুজিবনগর সরকারের তৎপরতার ফলে বিদেশে প্রশিক্ষণরত সিভিল সার্ভেন্টদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৭ (সাত) জন এবং যুক্তরাজ্যে ২ (দুই) জন স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করেছিলেন। তাছাড়া ইরাক, ফিলিপাইন ও আর্জেন্টিনার পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূতগণ এবং কলকাতা, দিল্লি, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, কাঠমান্ডু, হংকং প্রভৃতি স্থানে নিযুক্ত পাকিস্তান দূতাবাসের উচ্চপদস্থ কূটনীতিকগণ মুক্তিযুদ্ধ ও মুজিবনগর সরকারের প্রতি সমর্থন ও আনুগত্য প্রকাশ করেছিলেন। ফলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। শুধু তাই নয়, বহির্বিশ্বে তৎপরতার ফলে এ সত্যটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যে, বাংলাদেশ সমস্যা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা বা শরণার্থী সমস্যা নয় বরং এটি ছিল শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির স্বাধীনতার সংগ্রাম। ফলে অতি কম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করে। তাই বলা যায়, স্বাধীনতা অর্জনে মুজিবনগর সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতার অবদান ছিল অনস্বীকার্য।
HSCHistory 1st PaperChapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান। দেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তার বাবা ছিলেন যুবক। তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে এসে একটি বাহিনীর অধীনে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করেন।
ক
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?
খ
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।
গ
উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান। দেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তার বাবা ছিলেন যুবক। তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে এসে একটি বাহিনীর অধীনে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করেন।
ক
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?
খ
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।
গ
উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।

আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?

আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ক্যাপ্টেন পদে কর্মরত ছিলেন অলি আহমেদ। দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে ফরোয়ার্ড পোস্ট পাকিস্তানে থেকে তিনি একদিন পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। তার নির্দেশে একদিন গর্জে উঠেছিল মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড। সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য তাকে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। অলি আহমেদের মতো সাহসী যোদ্ধাদের জন্য আমরা পেয়েছি সবুজের বুকে লাল পতাকা।
ক
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
খ
কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ক্যাপ্টেন পদে কর্মরত ছিলেন অলি আহমেদ। দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে ফরোয়ার্ড পোস্ট পাকিস্তানে থেকে তিনি একদিন পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। তার নির্দেশে একদিন গর্জে উঠেছিল মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড। সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য তাকে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। অলি আহমেদের মতো সাহসী যোদ্ধাদের জন্য আমরা পেয়েছি সবুজের বুকে লাল পতাকা।
ক
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
খ
কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনে সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের পর এদিন অর্জিত হয়। একটি গৌরবময় চূড়ান্ত বিজয়।
ক
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?
খ
মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
গ
মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনে সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের পর এদিন অর্জিত হয়। একটি গৌরবময় চূড়ান্ত বিজয়।
ক
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?
খ
মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
গ
মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?

মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ করউদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমকোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।