শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের সাথে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের কী মিল খুঁজে পাও? বর্ণনা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের সাথে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ব্যবস্থাপনার মিল খুঁজে পাওয়া যায়। উদ্দীপকে দেওয়া হয়েছে, রতনপুরে ভয়াবহ বন্যার পর ত্রাণ ও পুনর্বাসনের জন্য গ্রামের সবাই গ্রামটিকে বিভিন্ন অংশে বিভক্ত করে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজে নেমে পড়ে। উদ্দীপকের অনুরূপ ঘটনা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার নিমিত্তে সেক্টর ব্যবস্থাপনার সময়ও ঘটেছিল। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত থেকে পাকিস্তানি বাহিনীর অতর্কিত হামলা বাংলাদেশের নিরীহ জনগণের ওপর শুরু হলে এর বিরুদ্ধে শুরু থেকেই বাঙালিরা প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। দেশকে রক্ষাকল্পে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন, ইপিআর, পুলিশ, আনসার, ছাত্রসহ রাজনীতিবিদদের সহায়তায় বিভিন্ন অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে বাঙালি অফিসাররা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সকল মুক্তিযোদ্ধাকে পুনর্গঠন করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। এমতাবস্থায় ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য সমন্বয়ে ১০ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিবনগর সরকার। এ সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় ১৭ এপ্রিল। এ সরকার প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব দেন এম.এ.জি ওসমানীকে। তাছাড়া বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে সীমানা চিহ্নিত করার পাশাপাশি একজন কমান্ডারের অধীনে প্রতিটি সেক্টর গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এসব সেক্টরে যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধারা সীমান্ত এলাকায় এবং ভারত সরকারের সহায়তায় প্রশিক্ষণ লাভ করে বিভিন্ন অপারেশনে অংশগ্রহণ করেন। আলোচ্য উদ্দীপকেও আমরা বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে গ্রামটিকে বিভিন্ন অংশে ভাগ হতে দেখেছি। যা মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর বিভক্তের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

HSC History 1st Paper Chapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 1st Paper · Chapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকের সাথে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের কী মিল খুঁজে পাও? বর্ণনা কর।

উদ্দীপক

গত বছর রতনপুর গ্রামে ভয়াবহ বন্যা হয়, সারা গ্রাম পানিতে নিমজ্জিত হয়ে যায়। বন্যা পরবর্তী সময় ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকান্ড সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার নিমিত্তে গ্রামের জনগণ গ্রামের সবাইকে নিয়ে গ্রামটিকে বিভিন্ন অংশে বিভক্ত করে। [ঢাকা কলেজ, ঢাকা]

উত্তর

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল যুক্তরাষ্ট্রের পত্রিকা।

উত্তর

১৯৬৫ সালে দ্বিতীয় পাক-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিরক্ষার জন্য উপযুক্ত কোনো ব্যবস্থা পাকিস্তান সরকার নেয়নি। পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তাহীনতা তখন স্পষ্টভাবে পাকিস্তানের দুই অংশকে আলাদা স্বতন্ত্র অঞ্চল হিসেবে। পরিচিত করে। এ লক্ষ্যেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব বাংলার নিরাপত্তার জন্য আধা সামরিক বাহিনী গড়ে তোলার কথা বলেন।

উত্তর

উদ্দীপকের সাথে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ব্যবস্থাপনার মিল খুঁজে পাওয়া যায়। উদ্দীপকে দেওয়া হয়েছে, রতনপুরে ভয়াবহ বন্যার পর ত্রাণ ও পুনর্বাসনের জন্য গ্রামের সবাই গ্রামটিকে বিভিন্ন অংশে বিভক্ত করে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজে নেমে পড়ে। উদ্দীপকের অনুরূপ ঘটনা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার নিমিত্তে সেক্টর ব্যবস্থাপনার সময়ও ঘটেছিল। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত থেকে পাকিস্তানি বাহিনীর অতর্কিত হামলা বাংলাদেশের নিরীহ জনগণের ওপর শুরু হলে এর বিরুদ্ধে শুরু থেকেই বাঙালিরা প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। দেশকে রক্ষাকল্পে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন, ইপিআর, পুলিশ, আনসার, ছাত্রসহ রাজনীতিবিদদের সহায়তায় বিভিন্ন অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে বাঙালি অফিসাররা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সকল মুক্তিযোদ্ধাকে পুনর্গঠন করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। এমতাবস্থায় ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য সমন্বয়ে ১০ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিবনগর সরকার। এ সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় ১৭ এপ্রিল। এ সরকার প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব দেন এম.এ.জি ওসমানীকে। তাছাড়া বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে সীমানা চিহ্নিত করার পাশাপাশি একজন কমান্ডারের অধীনে প্রতিটি সেক্টর গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এসব সেক্টরে যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধারা সীমান্ত এলাকায় এবং ভারত সরকারের সহায়তায় প্রশিক্ষণ লাভ করে বিভিন্ন অপারেশনে অংশগ্রহণ করেন। আলোচ্য উদ্দীপকেও আমরা বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে গ্রামটিকে বিভিন্ন অংশে ভাগ হতে দেখেছি। যা মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর বিভক্তের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

হ্যাঁ, আমি মনে করি উক্ত ব্যবস্থা অর্থাৎ সেক্টর ব্যবস্থাপনা মুক্তিযুদ্ধকে গতিশীল ও সুশৃঙ্খল করে তুলেছিল। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকবাহিনী নিরীহ ও নিরস্ত্র বাঙালি জনগণের ওপর আক্রমণ করলে পুরো জাতিই দিশেহারা হয়ে পড়ে। কেউ কেউ তাদের স্বজন হারানোর ব্যথায় কাতর ছিল। এমতাবস্থায় মুজিবনগর সরকার গঠনে দিশেহারা বাঙালি আলোর দিশা খুঁজে পায়। মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য পুরো দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে। এ সেক্টর বিভক্তির পর মুক্তিযুদ্ধ আরও গতিশীল হতে শুরু করে। দলে দলে বাঙালি জনগণ ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে বিভিন্ন সেক্টরে শৃঙ্খলার সাথে যুদ্ধ করে যায়। প্রত্যেকটি সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। সেক্টর কমান্ডারগণের নির্দেশে সেক্টরের অনিয়মিত বাহিনী যুদ্ধে অংশ নিত। প্রত্যেকটি সেক্টরেই সামরিক অপারেশনের পূর্বে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হতো। পরিকল্পনামতো যার যার দায়িত্বও বণ্টিত হতো। এভাবে প্রতি সেক্টরেই অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছে। এর ফলে সেক্টরের যোদ্ধাসমূহ বিভিন্ন অপারেশনে জয়ী হতে থাকে। ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন রণাঙ্গন মুক্ত হতে শুরু করে আর সেক্টরের যোদ্ধাগণ শেষ পর্যন্ত ঢাকা অবরোধের মাধ্যমে পাক বাহিনীকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করে। তাই আমি মনে করি, সেক্টর ব্যবস্থাপনা মুক্তিযুদ্ধকে গতিশীল ও সুশৃঙ্খল করে তুলেছিল।
HSCHistory 1st PaperChapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান। দেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তার বাবা ছিলেন যুবক। তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে এসে একটি বাহিনীর অধীনে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করেন।
ক
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?
খ
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।
গ
উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান। দেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তার বাবা ছিলেন যুবক। তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে এসে একটি বাহিনীর অধীনে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করেন।
ক
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?
খ
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।
গ
উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।

আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?

আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ক্যাপ্টেন পদে কর্মরত ছিলেন অলি আহমেদ। দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে ফরোয়ার্ড পোস্ট পাকিস্তানে থেকে তিনি একদিন পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। তার নির্দেশে একদিন গর্জে উঠেছিল মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড। সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য তাকে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। অলি আহমেদের মতো সাহসী যোদ্ধাদের জন্য আমরা পেয়েছি সবুজের বুকে লাল পতাকা।
ক
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
খ
কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ক্যাপ্টেন পদে কর্মরত ছিলেন অলি আহমেদ। দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে ফরোয়ার্ড পোস্ট পাকিস্তানে থেকে তিনি একদিন পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। তার নির্দেশে একদিন গর্জে উঠেছিল মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড। সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য তাকে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। অলি আহমেদের মতো সাহসী যোদ্ধাদের জন্য আমরা পেয়েছি সবুজের বুকে লাল পতাকা।
ক
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
খ
কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনে সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের পর এদিন অর্জিত হয়। একটি গৌরবময় চূড়ান্ত বিজয়।
ক
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?
খ
মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
গ
মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনে সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের পর এদিন অর্জিত হয়। একটি গৌরবময় চূড়ান্ত বিজয়।
ক
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?
খ
মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
গ
মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?

মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ করউদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমকোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।