শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে বর্ণিত আন্দোলনের প্রতিক্রিয়ার ন্যায় উক্ত সংগ্রামে কী ধরনের প্রভাব পড়েছিল?

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত আন্দোলনের প্রক্রিয়ায় দেখা যাচ্ছে যে, শুধুমাত্র শাসক শঙ্কিত হন। কিন্তু আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে ছাত্ররা অংশগ্রহণ করায় আমরা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। সুতরাং গণচীনের মাঞ্জু শাসকের বিরুদ্ধে তরুণ শ্রেণির আন্দোলনের চেয়েও আমাদের সুমহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল শতগুণ তীব্রতাসম্পন্ন। বাংলাদেশের সুমহান মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য বাংলার সচেতন ছাত্রসমাজ স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেন। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসহ স্কুল পড়ুয়া কিশোররাও অসীম মনোবল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে আমাদের সুমহান মুক্তিযুদ্ধে। বাংলাদেশের সীমান্ত পাড়ি জমিয়ে বাঙালি ছাত্রসেনারা ভারতে যান। ভারতীয়রা শরণার্থীদের সাহায্যসহ মুক্তিসেনাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। সেই সুবাদে বাংলার ছাত্রসেনারাও ভারতে প্রশিক্ষণ পান এবং তাদের প্রবল ইচ্ছা দেখে ভারতীয়রা হালকা অস্ত্র দিয়ে তাদেরকে মুক্তিযুদ্ধে পাঠায়। ছাত্রসেনারা মুক্তিসেনা হয়ে যুদ্ধে যোগ দেন। এমনকি তারা জীবন বাজি রেখে দেশকে বাঁচাতে যুদ্ধ করেন। তবে শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধই নয়; বরং বাংলার ছাত্ররা ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলন; ১৯৬২ ও ১৯৬৪ সালের শিক্ষা আন্দোলন; ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন; ১৯৬৮ সালের ১১ দফা আন্দোলন; ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ও ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ওইসব আন্দোলনে অংশগ্রহণের মতোই আমাদের সুমহান মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রদের আত্মত্যাগের ফলে অর্জিত হয়েছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। কাজেই স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতিক্রিয়ায় অর্থাৎ বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বাংলার ছাত্রদের প্রভাব ছিল সহায়ক ও অপ্রতিরোধ্য। অতএব আমরা একথা বলতে পারি যে, গণচীনের মাঞ্জু শাসকের বিরুদ্ধে সোচ্চারকারী তরুণদের তুলনায় আমাদের স্বাধীনতা অর্জনে ছাত্রসমাজের ভূমিকা ছিল শতগুণ শক্তিশালী।

HSC History 1st Paper Chapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 1st Paper · Chapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে বর্ণিত আন্দোলনের প্রতিক্রিয়ার ন্যায় উক্ত সংগ্রামে কী ধরনের…

উদ্দীপক

উনিশ শতকে গণচীনে মাঞ্জু শাসকের অপশাসনের বিরুদ্ধে একদল তরুণ সোচ্চার হয়। তারা বক্সার বা আই-হো-টুয়ান নামে পরিচিত। তারা চীনের বিভিন্ন অঞ্চলে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ফলে ওই শাসক শঙ্কিত হন।

উত্তর

মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা ২নং সেক্টরের অধীনে ছিল।

উত্তর

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে পরামর্শ দেওয়া ও সর্বদলীয় চরিত্র দেওয়ার উদ্দেশ্যে সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সদস্য ছিল ৯ জন। মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন এ উপদেষ্টা কমিটির আহ্বায়ক। এ উপদেষ্টা কমিটির সভায় এ মর্মে অভিমত ব্যক্ত করা হয় যে, বাংলাদেশের পূর্ণ স্বাধীনতা ছাড়া অন্যকোনো প্রকার রাজনৈতিক সমাধান গ্রহণযোগ্য হবে না।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত দৃশ্যপট বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামে ছাত্রদের অংশগ্রহণের সাথে মিল রয়েছে। গণচীনে মাঞ্জু শাসকের বিরুদ্ধে একদল তরুণ সোচ্চার হয়। তারা 'বক্সার' বা 'আই-হো-টুয়ান নামে পরিচিত। তাদের শক্তিশালী প্রতিরোধে ওই শাসক শঙ্কিত হয়। উদ্দীপকে বর্ণিত এ দৃশ্যপট বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামে ছাত্রদের অংশ নেওয়ার ঘটনার সাথে মিল রয়েছে। তাদের গঠিত সাংগঠনিক নাম স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। তারা মুক্তিযুদ্ধের ভিতর দিয়ে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রেখে ওই সরকারকে পরাস্ত করে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ছাত্ররা স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসহ স্কুল পড়ুয়া অগণিত কিশোরও অসীম মনোবল নিয়ে আমাদের সুমহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। বাংলাদেশের সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশি ছাত্রসেনারা ভারতে যায়। মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশি ছাত্রসেনাদের প্রবল ইচ্ছা দেখে ভারতীয়রা তাদেরকে প্রশিক্ষণ দেয় এবং প্রশিক্ষণ শেষে হালকা অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধে পাঠিয়ে দেয়। ছাত্রসেনারা নিজের প্রাণের মায়া ত্যাগ করে দেশকে বাঁচাতে যুদ্ধ করে। তাই নয় মাসে যুদ্ধ শেষে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ অর্জনের অংশীদার তারাও।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত আন্দোলনের প্রক্রিয়ায় দেখা যাচ্ছে যে, শুধুমাত্র শাসক শঙ্কিত হন। কিন্তু আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে ছাত্ররা অংশগ্রহণ করায় আমরা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। সুতরাং গণচীনের মাঞ্জু শাসকের বিরুদ্ধে তরুণ শ্রেণির আন্দোলনের চেয়েও আমাদের সুমহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল শতগুণ তীব্রতাসম্পন্ন। বাংলাদেশের সুমহান মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য বাংলার সচেতন ছাত্রসমাজ স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেন। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসহ স্কুল পড়ুয়া কিশোররাও অসীম মনোবল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে আমাদের সুমহান মুক্তিযুদ্ধে। বাংলাদেশের সীমান্ত পাড়ি জমিয়ে বাঙালি ছাত্রসেনারা ভারতে যান। ভারতীয়রা শরণার্থীদের সাহায্যসহ মুক্তিসেনাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। সেই সুবাদে বাংলার ছাত্রসেনারাও ভারতে প্রশিক্ষণ পান এবং তাদের প্রবল ইচ্ছা দেখে ভারতীয়রা হালকা অস্ত্র দিয়ে তাদেরকে মুক্তিযুদ্ধে পাঠায়। ছাত্রসেনারা মুক্তিসেনা হয়ে যুদ্ধে যোগ দেন। এমনকি তারা জীবন বাজি রেখে দেশকে বাঁচাতে যুদ্ধ করেন। তবে শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধই নয়; বরং বাংলার ছাত্ররা ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলন; ১৯৬২ ও ১৯৬৪ সালের শিক্ষা আন্দোলন; ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন; ১৯৬৮ সালের ১১ দফা আন্দোলন; ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ও ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ওইসব আন্দোলনে অংশগ্রহণের মতোই আমাদের সুমহান মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রদের আত্মত্যাগের ফলে অর্জিত হয়েছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। কাজেই স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতিক্রিয়ায় অর্থাৎ বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বাংলার ছাত্রদের প্রভাব ছিল সহায়ক ও অপ্রতিরোধ্য। অতএব আমরা একথা বলতে পারি যে, গণচীনের মাঞ্জু শাসকের বিরুদ্ধে সোচ্চারকারী তরুণদের তুলনায় আমাদের স্বাধীনতা অর্জনে ছাত্রসমাজের ভূমিকা ছিল শতগুণ শক্তিশালী।
HSCHistory 1st PaperChapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান। দেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তার বাবা ছিলেন যুবক। তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে এসে একটি বাহিনীর অধীনে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করেন।
ক
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?
খ
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।
গ
উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান। দেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তার বাবা ছিলেন যুবক। তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে এসে একটি বাহিনীর অধীনে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করেন।
ক
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?
খ
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।
গ
উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।

আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?

আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ক্যাপ্টেন পদে কর্মরত ছিলেন অলি আহমেদ। দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে ফরোয়ার্ড পোস্ট পাকিস্তানে থেকে তিনি একদিন পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। তার নির্দেশে একদিন গর্জে উঠেছিল মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড। সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য তাকে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। অলি আহমেদের মতো সাহসী যোদ্ধাদের জন্য আমরা পেয়েছি সবুজের বুকে লাল পতাকা।
ক
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
খ
কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ক্যাপ্টেন পদে কর্মরত ছিলেন অলি আহমেদ। দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে ফরোয়ার্ড পোস্ট পাকিস্তানে থেকে তিনি একদিন পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। তার নির্দেশে একদিন গর্জে উঠেছিল মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড। সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য তাকে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। অলি আহমেদের মতো সাহসী যোদ্ধাদের জন্য আমরা পেয়েছি সবুজের বুকে লাল পতাকা।
ক
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
খ
কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনে সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের পর এদিন অর্জিত হয়। একটি গৌরবময় চূড়ান্ত বিজয়।
ক
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?
খ
মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
গ
মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনে সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের পর এদিন অর্জিত হয়। একটি গৌরবময় চূড়ান্ত বিজয়।
ক
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?
খ
মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
গ
মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?

মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ করউদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমকোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।