শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত কাঠামোটি কোন সরকারের? উক্ত সরকারের কার্যাবলি আলোচনা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত কাঠামোটি মুজিবনগর সরকারের। মুক্তিযুদ্ধকে সঠিক পথে পরিচালনার লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার দেশে ও বিদেশে বহুবিধ কার্যাবলি সম্পন্ন করে। মুক্তিযুদ্ধকে সঠিকভাবে পরিচালনা, সুসংহত করা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনের লক্ষ্যে ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল 'মুজিবনগর সরকার' গঠন করা হয়। এটি ছিল প্রথম বাংলাদেশ সরকার। ওই দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ'। মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। মুজিবনগর সরকারের কার্যাবলির মধ্যে অন্যতম কয়েকটি ছিল, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, অস্ত্র সরবরাহ, শরণার্থীদের ভারতে আশ্রয়দান, এবং বহিঃবিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা । মুজিবনগর সরকারের সঠিক নেতৃত্বে অত্যন্ত স্বল্প সময়ে বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।

HSC History 1st Paper Chapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 1st Paper · Chapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত কাঠামোটি কোন সরকারের? উক্ত সরকারের কার্যাবলি আলোচ…

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2018

উত্তর

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নয় মাস স্থায়ী হয়েছিল।

উত্তর

১৯৫৮ সালে সামরিক ক্যু এর মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে নিজের ক্ষমতার বৈধকরণ নিয়ে ভাবতে গিয়ে এক অদ্ভূত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম করেন আইয়ুব খান। তিনি স্থানীয় সরকারকে চারটি স্তরে ভাগ করে যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম করেন তাই মৌলিক গণতন্ত্র। উভয় অঞ্চলে মোট ৮০ হাজার ভোটার মনোনয়ন দেন। এ ৮০ ভোটারই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, জাতীয়ও প্রাদেশিক আইনসভার সদস্য নির্বাচন করত। কিন্তু বাস্তবে আইয়ুব খানের গণতন্ত্র না ছিল মৌলিক না ছিল গণতন্ত্র । পুরোটাই স্বৈরশাসনের আরেক রূপ।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত কাঠামোটি মুজিবনগর সরকারের। মুক্তিযুদ্ধকে সঠিক পথে পরিচালনার লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার দেশে ও বিদেশে বহুবিধ কার্যাবলি সম্পন্ন করে। মুক্তিযুদ্ধকে সঠিকভাবে পরিচালনা, সুসংহত করা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনের লক্ষ্যে ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল 'মুজিবনগর সরকার' গঠন করা হয়। এটি ছিল প্রথম বাংলাদেশ সরকার। ওই দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ'। মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। মুজিবনগর সরকারের কার্যাবলির মধ্যে অন্যতম কয়েকটি ছিল, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, অস্ত্র সরবরাহ, শরণার্থীদের ভারতে আশ্রয়দান, এবং বহিঃবিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা । মুজিবনগর সরকারের সঠিক নেতৃত্বে অত্যন্ত স্বল্প সময়ে বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে মুজিবনগর সরকারের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করা ছিল এ সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য। বাঙালি কর্মকর্তাদের নিয়ে সরকার প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করেন। এগুলো হচ্ছে প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র, অর্থ-শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয়, সাধারণ প্রশাসন, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ বিভাগ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগ, প্রকৌশল বিভাগ, পরিকল্পনা কমিশন, যুব ও অভ্যর্থনা শিবিরের নিয়ন্ত্রণ বোর্ড ইত্যাদি। মুজিবনগর সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (কলকাতা, দিল্লি, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, স্টকহোম) বাংলাদেশ সরকারের মিশন স্থাপন করে। এসব মিশন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রচারণা ও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে। সরকার বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে বিশেষ দূত নিয়োগ দেয়। তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টি ও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সমর্থন আদায়ের জন্য কাজ করেন। ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সামরিক, বেসামরিক জনগণকে নিয়ে একটি মুক্তিযোদ্ধা বাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ১০ এপ্রিল সরকার ৪টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করে। ১১ এপ্রিল তা পুনর্গঠিত করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। এছাড়া বেশকিছু সাব-সেক্টর এবং তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়। এসব সেক্টরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তা, সেনাসদস্য, পুলিশ, ইপিআর, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যগণ যোগদান করেন। প্রতিটি সেক্টরেই নিয়মিত সেনা, গেরিলা ও সাধারণ যোদ্ধা ছিল। মুক্তিযুদ্ধে সেনা, গেরিলা ও সাধারণ যোদ্ধাগণের অবদানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পথে পরিচালিত হয়। মুজিবনগর সরকার ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনী গঠনের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। তাই বলা যায়, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক নেতৃত্বে মুজিবনগর সরকারের অবদান ছিল সর্বাধিক।
HSCHistory 1st PaperChapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান। দেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তার বাবা ছিলেন যুবক। তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে এসে একটি বাহিনীর অধীনে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করেন।
ক
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?
খ
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।
গ
উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান। দেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তার বাবা ছিলেন যুবক। তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে এসে একটি বাহিনীর অধীনে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করেন।
ক
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?
খ
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।
গ
উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।

আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?

আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ক্যাপ্টেন পদে কর্মরত ছিলেন অলি আহমেদ। দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে ফরোয়ার্ড পোস্ট পাকিস্তানে থেকে তিনি একদিন পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। তার নির্দেশে একদিন গর্জে উঠেছিল মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড। সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য তাকে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। অলি আহমেদের মতো সাহসী যোদ্ধাদের জন্য আমরা পেয়েছি সবুজের বুকে লাল পতাকা।
ক
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
খ
কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ক্যাপ্টেন পদে কর্মরত ছিলেন অলি আহমেদ। দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে ফরোয়ার্ড পোস্ট পাকিস্তানে থেকে তিনি একদিন পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। তার নির্দেশে একদিন গর্জে উঠেছিল মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড। সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য তাকে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। অলি আহমেদের মতো সাহসী যোদ্ধাদের জন্য আমরা পেয়েছি সবুজের বুকে লাল পতাকা।
ক
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
খ
কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনে সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের পর এদিন অর্জিত হয়। একটি গৌরবময় চূড়ান্ত বিজয়।
ক
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?
খ
মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
গ
মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনে সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের পর এদিন অর্জিত হয়। একটি গৌরবময় চূড়ান্ত বিজয়।
ক
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?
খ
মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
গ
মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?

মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ করউদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমকোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।