শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে শফিকের বাবা কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? উক্ত বাহিনীর পরিচয় দাও।

উত্তর: উদ্দীপকে শফিকের বাবা বিমানবাহিনীর সদস্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বিমানবাহিনীর অবদান ছিল অপরিসীম। শফিকের বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। যুদ্ধকালীন তিনি পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সদস্য ছিলেন। সেখানে থেকে পালিয়ে এসে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং শহিদ হন। গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে. খন্দকারের প্রচেষ্টায় ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ বিমানবাহিনী গঠিত হয়। ১৮ জন পাইলট ও ৫০ জন বৈমানিক নিয়ে এ বাহিনীর যাত্রা শুরু হয়। বিমানবাহিনীর অনেক সদস্য স্থলযুদ্ধেও সাফল্যের পরিচয় দেন। ৩ ডিসেম্বর থেকে ভারতীয় বিমানবাহিনী যেসব আক্রমণ রচনা করেছিল তার প্রথম আক্রমণের কৃতিত্ব বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর। ঢাকা পতনের পূর্ব পর্যন্ত বিমানবাহিনী প্রায় ১২ বার পাকিস্তানি লক্ষ্যবস্তুর ওপর আক্রমণ করে। উপরিউক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় যে, উদ্দীপকে শফিকের বাবা বিমানবাহিনীর সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিমানবাহিনীর অবদান অপরিসীম।

HSC History 1st Paper Chapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 1st Paper · Chapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে শফিকের বাবা কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? উক্ত বাহিনীর পরিচয় দাও।

উদ্দীপক

শফিকের বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। যুদ্ধকালীন তিনি পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সদস্য ছিলেন। সেখান থেকে পালিয়ে এসে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং শহিদ হন। শফিকের বাবার মতো অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারা ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সন্তান।

উত্তর

একুশ ফেব্রুয়ারি' প্রথম শহিদ হন রফিকউদ্দিন আহমেদ।

উত্তর

বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিকায়ন বলতে বোঝায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলা ভাষাকে সর্বোচ্চ মর্যাদার আসন প্রদান। একটি পূর্ব আবেদনের ভিত্তিতে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর প্যারিস অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তখন থেকে দিবসটি জাতিসংঘের সদস্য দেশসমূহে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। ২০১০ সালে জাতিসংঘের ৬৫তম অধিবেশনে সর্বসম্মতভাবে প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ অর্জনটিই হলো বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিকায়ন।

উত্তর

উদ্দীপকে শফিকের বাবা বিমানবাহিনীর সদস্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বিমানবাহিনীর অবদান ছিল অপরিসীম। শফিকের বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। যুদ্ধকালীন তিনি পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সদস্য ছিলেন। সেখানে থেকে পালিয়ে এসে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং শহিদ হন। গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে. খন্দকারের প্রচেষ্টায় ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ বিমানবাহিনী গঠিত হয়। ১৮ জন পাইলট ও ৫০ জন বৈমানিক নিয়ে এ বাহিনীর যাত্রা শুরু হয়। বিমানবাহিনীর অনেক সদস্য স্থলযুদ্ধেও সাফল্যের পরিচয় দেন। ৩ ডিসেম্বর থেকে ভারতীয় বিমানবাহিনী যেসব আক্রমণ রচনা করেছিল তার প্রথম আক্রমণের কৃতিত্ব বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর। ঢাকা পতনের পূর্ব পর্যন্ত বিমানবাহিনী প্রায় ১২ বার পাকিস্তানি লক্ষ্যবস্তুর ওপর আক্রমণ করে। উপরিউক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় যে, উদ্দীপকে শফিকের বাবা বিমানবাহিনীর সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিমানবাহিনীর অবদান অপরিসীম।

উত্তর

মুক্তিযোদ্ধারা সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সন্তান। উক্তিটি যথার্থ। কেননা, মুক্তিযোদ্ধাদের অপরিসীম আত্মত্যাগের বিনিময়েই বাঙালি জাতি অর্জন করেছে তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছেন তারাই মুক্তিযোদ্ধা। তাদের অবদানের কারণেই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম হয়। বিশ্বের মানচিত্রে সংযোজিত হয় একটি নতুন স্বাধীন ভূখণ্ড। পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্যের কারণে বাঙালিরা যখন বিক্ষুব্ধ তখন নিরস্ত্র বাঙালির ওপর হায়েনাদের আক্রমণ সমস্ত দেশবাসীকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে। সারাদেশে শুরু হয় প্রতিরোধ যুদ্ধ। অবশেষে পাকবাহিনী বাংলাদেশে নাজেহাল হয় এবং অর্জিত হয় বিজয়। কিন্তু এর জন্য বহু মুক্তিযোদ্ধাকে প্রাণ দিতে হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে যারা বেঁচে আছেন তাদের অনেকে আজও পঙ্গু। দীর্ঘ নয় মাস প্রাণপণ লড়াই করে তারা দেশকে স্বাধীন করেছেন। তাদের অবদানের কারণেই আজ আমরা স্বাধীন, আজ আমরা মুক্ত। তাদের দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগ এদেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে স্মরণ করবে। মুক্তিযোদ্ধারা দেশকে স্বাধীন না করলে আজও হয়ত আমরা পাকিস্তানিদের অধীনে থাকতাম। আজও হয়ত আমরা প্রতিনিয়ত বৈষম্যের শিকার হতাম। দেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযোদ্ধারা শৌর্যবীর্যের সর্বোচ্চ প্রমাণ রেখেছিল। স্বাধীনতার জন্য, দেশের জন্য অকাতরে প্রাণ বিলিয়ে দেওয়ার নজিরবিহীন স্বাক্ষর রেখেছেন তারা। তাদের অবদানের জন্যই আজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সুখী সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ। তাদের অবদানের জন্য বাঙালি আজ আত্মমর্যাদাশীল জাতি। উপরিউক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় যে, আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সন্তান।
HSCHistory 1st PaperChapter 7: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান। দেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তার বাবা ছিলেন যুবক। তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে এসে একটি বাহিনীর অধীনে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করেন।
ক
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?
খ
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।
গ
উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান। দেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তার বাবা ছিলেন যুবক। তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে এসে একটি বাহিনীর অধীনে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করেন।
ক
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?
খ
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।
গ
উদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।

আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?

আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ক্যাপ্টেন পদে কর্মরত ছিলেন অলি আহমেদ। দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে ফরোয়ার্ড পোস্ট পাকিস্তানে থেকে তিনি একদিন পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। তার নির্দেশে একদিন গর্জে উঠেছিল মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড। সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য তাকে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। অলি আহমেদের মতো সাহসী যোদ্ধাদের জন্য আমরা পেয়েছি সবুজের বুকে লাল পতাকা।
ক
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
খ
কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ক্যাপ্টেন পদে কর্মরত ছিলেন অলি আহমেদ। দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে ফরোয়ার্ড পোস্ট পাকিস্তানে থেকে তিনি একদিন পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। তার নির্দেশে একদিন গর্জে উঠেছিল মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড। সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য তাকে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। অলি আহমেদের মতো সাহসী যোদ্ধাদের জন্য আমরা পেয়েছি সবুজের বুকে লাল পতাকা।
ক
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
খ
কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনে সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের পর এদিন অর্জিত হয়। একটি গৌরবময় চূড়ান্ত বিজয়।
ক
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?
খ
মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
গ
মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনে সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের পর এদিন অর্জিত হয়। একটি গৌরবময় চূড়ান্ত বিজয়।
ক
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?
খ
মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
গ
মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?

মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধে এ বাহিনীর একটি বিশেষ অংশ ছিল অঞ্চলভিত্তিক বাহিনী- কথাটি বিশ্লেষণ করউদ্দীপকে আইরিনের বাবা মুক্তিযুদ্ধের কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন? নিরূপণ কর।আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পত্রপত্রিকার ভূমিকার ব্যাখ্যা দাও।আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে কে ভেটো দেয়?উক্ত যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।উদ্দীপকে কোন যুদ্ধের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? উক্ত যুদ্ধে সামরিক, বেসামরিক জনগণের ভূমকোন ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়? ব্যাখ্যা কর।বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ে গেরিলা বাহিনী ও যৌথবাহিনীর ভূমিকা বর্ণনা কর।মুজিবনগর সরকারের গঠনপ্রকৃতি বর্ণনা কর।মুক্তিযুদ্ধ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কত তারিখে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।