শেয়ারFacebookWhatsApp

'বিদ্রোহের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী'- পঠিত বিষয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উল্লিখিত বিদ্রোহ অর্থাৎ 'সিপাহি বিদ্রোহের' ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী- উক্তিটি যথার্থ। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যেবাদের বিরুদ্ধে এটাই ছিল প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম। প্রথমত, সিপাহি বিদ্রোহ ভারতে ব্রিটিশ সরকারের নীতি ও শাসনকার্যের। ব্যাপারে বিরাট পরিবর্তন আনয়ন করে। এ পরিবর্তনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল কোম্পানির শাসনের অবসান। দ্বিতীয়ত, ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে মহারানী ভিক্টোরিয়ার এক ঘোষণাপত্র দ্বারা ভারত প্রত্যক্ষভাবে ব্রিটিশ সরকারের কর্তৃতাধীনে আসে। পার্লামেন্ট কর্তৃক (Act for the Better government for India) বিধিবদ্য হয়। ভারতের জন্য একজন 'ভারত সচিবের' (Secretary of State) পদ সৃষ্টি করা হয়। তৃতীয়ত, ব্রিটিশ সরকার তার পুরাতন রাজ্য বিস্তার নীতি হতে সরে আসে। মহারানীর ঘোষণাপত্রে 'স্বত্ববিলোপ নীতি' পরিত্যাক্ত হয় এবং জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে যোগ্যতা অনুযায়ী সবাইকে উচ্চরাজ পদে নিযুক্তির প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। চতুর্থত, ভারতে ইংরেজ সৈন্যসংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি তোপখানার ভার ইংরেজদের অধীনে রাখা হয়। পঞ্চমত, ১৮৫৭ সালের এ মহাবিদ্রোহের পর ভারতীয় সমাজে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রমে সাবধানতা অবলম্বন করা হয়। ষষ্ঠত, এ বিদ্রোহের ফলশ্রুতিতেই মুঘল সাম্রাজ্যের সম্পূর্ণ বিলুপ্তি ঘটে। সপ্তমত, ব্রিটিশ সরকার হিন্দু-মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধতার শক্তি অনুধাবন করতে পেরে চিরাচরিত ব্রিটিশ নীতি (Divide and Rule) অনুসরণ করে। ভারতের হিন্দু সম্প্রদায় ইংরেজি শিক্ষাকে গ্রহণ করে সামাজিক দিক দিয়ে এগিয়ে যায়। উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, সিপাহি বিদ্রোহ সফল না হলেও পরবর্তীকালে সংঘটিত সকল আন্দোলনে এ বিদ্রোহ প্রেরণা যুগিয়েছিল। সুতরাং, সিপাহি বিদ্রোহের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী।

HSC History 1st Paper Chapter 2: ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন: কোম্পানি আমল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 1st Paper · Chapter 2: ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন: কোম্পানি আমল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

'বিদ্রোহের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী'- পঠিত বিষয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

বলিভিয়ায় ২০১৪ সালে সামরিক বাহিনীর সদস্যরা উন্নত পরিবেশ ও জীবনমান বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ করে। বিদ্রোহী সৈন্যদের বহিষ্কার করে বিদ্রোহ দমনে সক্ষম হন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেস এবং বিদ্রোহের পর সেনাবাহিনীতে ব্যাপক সংস্কার করেন।

Rajshahi · 2017

উত্তর

১৯৪৬ সালের মে মাসে 'মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনা' (Cabinet Mission) পেশ করা হয়।

উত্তর

২১৯১৬ সালে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ লক্ষ্ণৌতে ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংস্কারের প্রশ্নে একটি সমঝোতায় পৌঁছে, যা 'লক্ষৌ চুক্তি' (Luknow Pact) নামে পরিচিত। উপমহাদেশে লক্ষৌ চুক্তিই হচ্ছে হিন্দু-মুসলমান রাজনৈতিক ঐক্যের প্রথম দলিল। এ চুক্তির মাধ্যমেই উভয় পক্ষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইংরেজ সরকারের কাছে স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানায়। মুসলিম লীগ পৃথক রাজনৈতিক সত্তা হিসেবে কংগ্রেসের স্বীকৃতি লাভ করে। এছাড়া ভারতের সংবিধানের মূল রূপরেখা প্রণয়নে লক্ষৌ চুক্তির ভূমিকা ছিল অপরিসীম।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিদ্রোহের সাথে পাঠ্যবইতে পঠিত ১৮৫৭ সালের 'সিপাহি বিদ্রোহের' সাদৃশ্য রয়েছে। ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে এক অদ্ভুতপর্ব ঘটনা। এ বিদ্রোহের ফলেই ভারতে কার্যত ইংরেজদের কোম্পানি শাসনের অবসান ঘটে এবং সরাসরি ব্রিটিশ শাসন প্রবর্তিত হয়। সিপাহি বিদ্রোহ কোন একক কারণে সংঘটিত হয় নি। এর পিছনে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামরিক, সামাজিক ও ধর্মীয় কারণ নিহিত ছিল। ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীতে ভারতীয়রা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও কোনো উচ্চপদে তাদের নিয়োগের সুযোগ ছিল না এবং পেশাগত দিক থেকে তাদের বেতন ভাতা কম ছিল। এ বিদ্রোহের প্রত্যক্ষ কারণ ছিল চর্বি মিশ্রিত এক ধরনের কার্তুজের প্রচলন। ১৮৫৬ সালে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে এনফিল্ড রাইফেল (Enfield Rifle) নামে এক নতুন রাইফেলের প্রচলন হয়। এর কার্তুজ ব্যবহারের পূর্বে দাঁত দিয়ে কাটতে হতো। সেনাদের মাঝে গুজব রটে এই কার্তুজে শুকর ও গরুর চর্বি মিশ্রিত রয়েছে। এটি হিন্দু-মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের সিপাহিদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। তারা ধারণা করে তাদের ধর্ম নষ্ট করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে এ কাতুর্জের প্রচলন করা হয়েছে। ফলে তারা বিদ্রোহ করে। উদ্দীপকে বলিভিয়ায় ২০১৪ সালে সামরিক বাহিনীর সদস্যরা উন্নত জীবনযাত্রার দাবিতে বিক্ষোভ করে। উদ্দীপকের এ বিদ্রোহের সাথে পাঠ্যপুস্তকের সিপাহি বিদ্রোহের সাদৃশ্য লক্ষ্যণীয়।

উত্তর

উল্লিখিত বিদ্রোহ অর্থাৎ 'সিপাহি বিদ্রোহের' ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী- উক্তিটি যথার্থ। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যেবাদের বিরুদ্ধে এটাই ছিল প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম। প্রথমত, সিপাহি বিদ্রোহ ভারতে ব্রিটিশ সরকারের নীতি ও শাসনকার্যের। ব্যাপারে বিরাট পরিবর্তন আনয়ন করে। এ পরিবর্তনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল কোম্পানির শাসনের অবসান। দ্বিতীয়ত, ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে মহারানী ভিক্টোরিয়ার এক ঘোষণাপত্র দ্বারা ভারত প্রত্যক্ষভাবে ব্রিটিশ সরকারের কর্তৃতাধীনে আসে। পার্লামেন্ট কর্তৃক (Act for the Better government for India) বিধিবদ্য হয়। ভারতের জন্য একজন 'ভারত সচিবের' (Secretary of State) পদ সৃষ্টি করা হয়। তৃতীয়ত, ব্রিটিশ সরকার তার পুরাতন রাজ্য বিস্তার নীতি হতে সরে আসে। মহারানীর ঘোষণাপত্রে 'স্বত্ববিলোপ নীতি' পরিত্যাক্ত হয় এবং জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে যোগ্যতা অনুযায়ী সবাইকে উচ্চরাজ পদে নিযুক্তির প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। চতুর্থত, ভারতে ইংরেজ সৈন্যসংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি তোপখানার ভার ইংরেজদের অধীনে রাখা হয়। পঞ্চমত, ১৮৫৭ সালের এ মহাবিদ্রোহের পর ভারতীয় সমাজে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রমে সাবধানতা অবলম্বন করা হয়। ষষ্ঠত, এ বিদ্রোহের ফলশ্রুতিতেই মুঘল সাম্রাজ্যের সম্পূর্ণ বিলুপ্তি ঘটে। সপ্তমত, ব্রিটিশ সরকার হিন্দু-মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধতার শক্তি অনুধাবন করতে পেরে চিরাচরিত ব্রিটিশ নীতি (Divide and Rule) অনুসরণ করে। ভারতের হিন্দু সম্প্রদায় ইংরেজি শিক্ষাকে গ্রহণ করে সামাজিক দিক দিয়ে এগিয়ে যায়। উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, সিপাহি বিদ্রোহ সফল না হলেও পরবর্তীকালে সংঘটিত সকল আন্দোলনে এ বিদ্রোহ প্রেরণা যুগিয়েছিল। সুতরাং, সিপাহি বিদ্রোহের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী।
HSCHistory 1st PaperChapter 2: ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন: কোম্পানি আমল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সম্রাট শেরশাহ ভারতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার একজন অন্যতম পথ প্রদর্শক। তার শাসনামলে তিনি নিজস্ব চিন্তা-চেতনার মাধ্যমে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন। প্রচলিত পদ্ধতিকে বাতিল করে দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন আদলে তিনি এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। এতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থায় গতিশীলতা আসে এবং সাম্রাজ্যের রাজস্ব আয় অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। তার এ নীতি প্রবর্তনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রজাদের দুর্দশা লাঘব। এ নীতিটি এতই উন্নত ছিল যে, পরবর্তীতে মুঘল সম্রাটগণ এমনকি ইংরেজরাও এ নীতি অনুসরণ করেছিলেন। [সকল বোর্ড ২০১৫]
ক
কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?
খ
ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত শেরশাহের কার্যক্রমের সাথে লর্ড কর্নওয়ালিশের গৃহীত কোন ব্যবস্থার মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উল্লিখিত ব্যবস্থা ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক হয়েছিল? তুমি কি এর সাথে একমত? যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সম্রাট শেরশাহ ভারতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার একজন অন্যতম পথ প্রদর্শক। তার শাসনামলে তিনি নিজস্ব চিন্তা-চেতনার মাধ্যমে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন। প্রচলিত পদ্ধতিকে বাতিল করে দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন আদলে তিনি এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। এতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থায় গতিশীলতা আসে এবং সাম্রাজ্যের রাজস্ব আয় অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। তার এ নীতি প্রবর্তনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রজাদের দুর্দশা লাঘব। এ নীতিটি এতই উন্নত ছিল যে, পরবর্তীতে মুঘল সম্রাটগণ এমনকি ইংরেজরাও এ নীতি অনুসরণ করেছিলেন। [সকল বোর্ড ২০১৫]
ক
কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?
খ
ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত শেরশাহের কার্যক্রমের সাথে লর্ড কর্নওয়ালিশের গৃহীত কোন ব্যবস্থার মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উল্লিখিত ব্যবস্থা ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক হয়েছিল? তুমি কি এর সাথে একমত? যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।

ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?

কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি বহুজাতিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠার সময় পরিচালনার জন্য কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির ব্যাপক বিস্তৃতির ফলে আইনের সীমাবদ্ধতায় বেশকিছু জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং আইনের কয়েকটি ধারা অকার্যকর প্রমাণিত হয়। এ প্রেক্ষিতে কোম্পানির ব্যবস্থাপককে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়ে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হয়। নতুন আইন কোম্পানিটির ব্যবসায় বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করলেও ত্রুটিমুক্ত ছিল না। [ সকল বোর্ড ২০১৬ ]
ক
ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?
খ
সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের প্রতিফলন ঘটেছে তার পটভূমি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত আইনের ত্রুটিসমূহ বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি বহুজাতিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠার সময় পরিচালনার জন্য কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির ব্যাপক বিস্তৃতির ফলে আইনের সীমাবদ্ধতায় বেশকিছু জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং আইনের কয়েকটি ধারা অকার্যকর প্রমাণিত হয়। এ প্রেক্ষিতে কোম্পানির ব্যবস্থাপককে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়ে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হয়। নতুন আইন কোম্পানিটির ব্যবসায় বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করলেও ত্রুটিমুক্ত ছিল না। [ সকল বোর্ড ২০১৬ ]
ক
ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?
খ
সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের প্রতিফলন ঘটেছে তার পটভূমি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত আইনের ত্রুটিসমূহ বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?

সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?

ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮২৮ সালে ভারতবর্ষের গভর্নর জেনারেল হয়ে আসা একজন ইংরেজ উপলব্ধি করেন শাসিতদের কল্যাণ সাধন করাই হচ্ছে শাসকের প্রধান কর্তব্য। শাসিতদের কল্যাণ সাধনের জন্য তিনি সতীদাহ প্রথা রহিত করেন, ঠগী দমন ও পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তনসহ বিভিন্ন সংস্কার কর্ম সাধন করেন। সংস্কার কর্মের জন্য তিনি ভারতের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন। [কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ]
ক
কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?
খ
স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে আলোচিত সংস্কারকের সামাজিক সংস্কারসমূহ উল্লেখ কর।
ঘ
উদ্দীপকে আলোচিত ব্যক্তির সংস্কার কীভাবে মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ছিল- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮২৮ সালে ভারতবর্ষের গভর্নর জেনারেল হয়ে আসা একজন ইংরেজ উপলব্ধি করেন শাসিতদের কল্যাণ সাধন করাই হচ্ছে শাসকের প্রধান কর্তব্য। শাসিতদের কল্যাণ সাধনের জন্য তিনি সতীদাহ প্রথা রহিত করেন, ঠগী দমন ও পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তনসহ বিভিন্ন সংস্কার কর্ম সাধন করেন। সংস্কার কর্মের জন্য তিনি ভারতের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন। [কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ]
ক
কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?
খ
স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে আলোচিত সংস্কারকের সামাজিক সংস্কারসমূহ উল্লেখ কর।
ঘ
উদ্দীপকে আলোচিত ব্যক্তির সংস্কার কীভাবে মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ছিল- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?

স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?

কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উল্লিখিত ব্যবস্থা ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক হয়েছিল? তুউদ্দীপকে বর্ণিত শেরশাহের কার্যক্রমের সাথে লর্ড কর্নওয়ালিশের গৃহীত কোন ব্যবস্থার ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?উক্ত আইনের ত্রুটিসমূহ বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের প্রতিফলন ঘটেছে তার পটভূমি ব্যাখ্যা সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?উদ্দীপকে আলোচিত ব্যক্তির সংস্কার কীভাবে মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ছিল- বিশ্লেষণউদ্দীপকে আলোচিত সংস্কারকের সামাজিক সংস্কারসমূহ উল্লেখ কর।স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।