শেয়ারFacebookWhatsApp

উল্লিখিত ব্যবস্থা ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক হয়েছিল? তুমি কি এর সাথে একমত? যুক্তি দাও।

উত্তর: উল্লিখিত ব্যবস্থা অর্থাৎ লর্ড কর্নওয়ালিশের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক ছিল- উক্তিটির সাথে আমি একমত। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থায় কৃষিকার্য সম্প্রসারিত হয় এবং জমিদারদের আয় বৃদ্ধি পায়। সরকারি রাজস্বের পরিমাণ চিরদিনের জন্য নির্ধারিত হওয়ায় জমিদারগণ জমিতে অতিরিক্ত শ্রম ও মূলধন নিয়োগ করে ভূমির উৎপাদন বৃদ্ধিতে উৎসাহিত হন। তারা জঙ্গলাকীর্ণ ও পতিত জমি চাষাবাদের ব্যবস্থা করেন। এতে উৎপাদন বৃদ্ধি পায় ও দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি সাধিত হয়। আর জমিদারদের দেয় রাজস্বের পরিমাণ সুনির্দিষ্ট হওয়ায় কোম্পানি তার আয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট হয়। এতে বার্ষিক বাজেট প্রণয়নের সুবিধা হয় এবং কোম্পানি বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ লাভ করে। অস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে উদ্ভূত কুফলগুলো কোম্পানি এ ব্যবস্থা দ্বারা দূর করতে সমর্থ হয়। এ বন্দোবস্ত প্রবর্তনের ফলে যে জমিদার শ্রেণির উদ্ভব ঘটে তারা স্বভাবতই কোম্পানির নির্ভরযোগ্য সমর্থক শ্রেণিতে পরিণত হয়। এ রাজভক্ত জমিদার শ্রেণি এদেশে কোম্পানি তথা ব্রিটিশ শক্তিকে সুদৃঢ় করতে সহায়তা করেছিল। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত এদেশে কোম্পানির অনুগত জমিদার শ্রেণিকে বিত্তবান করেছিল। এসব বিত্তবান জমিদারেরা এদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল। এ সময় কোম্পানির শাসনে জমিদারগণ প্রজাদের মঙ্গলার্থে পুষ্করিণী খনন, বিদ্যালয়, চিকিৎসালয় প্রভৃতি স্থাপনের জন্য প্রচুর অর্থ দান করেছেন। নানাবিধ জনকল্যাণকর কার্যাবলি গ্রামীণ জীবনকে যথেষ্ট সচল করেছিল। সুতরাং সার্বিক আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক হয়েছিল- উক্তিটি যথার্থ ও সঠিক।

HSC History 1st Paper Chapter 2: ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন: কোম্পানি আমল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 1st Paper · Chapter 2: ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন: কোম্পানি আমল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উল্লিখিত ব্যবস্থা ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহা…

উদ্দীপক

সম্রাট শেরশাহ ভারতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার একজন অন্যতম পথ প্রদর্শক। তার শাসনামলে তিনি নিজস্ব চিন্তা-চেতনার মাধ্যমে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন। প্রচলিত পদ্ধতিকে বাতিল করে দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন আদলে তিনি এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। এতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থায় গতিশীলতা আসে এবং সাম্রাজ্যের রাজস্ব আয় অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। তার এ নীতি প্রবর্তনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রজাদের দুর্দশা লাঘব। এ নীতিটি এতই উন্নত ছিল যে, পরবর্তীতে মুঘল সম্রাটগণ এমনকি ইংরেজরাও এ নীতি অনুসরণ করেছিলেন। [সকল বোর্ড ২০১৫]

উত্তর

১৭৬৫ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে।

উত্তর

২১১৭৬ বঙ্গাব্দে অনাবৃষ্টি ও খরার কারণে ফসল নষ্ট হয়ে গেলে দেশে খাদ্যাভাব দেখা দেয়। ফলে সমগ্র বাংলায় এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা যায় যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত। আবার দ্বৈত শাসনের ফলে বাংলায় যে অরাজকতা প্রচলিত হয়েছিল তাতে দরিদ্র মানুষের অবস্থা আরও সংকটপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ শাসনব্যবস্থায় দুর্ভিক্ষ মোকাবিলা করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। যার ফলে বাংলায় এক-তৃতীয়াংশ লোক মারা যায়। বাংলা ১১৭৬ সালে এ দুর্ভিক্ষ হওয়ায় এটাকে 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' বা 'মহাদুর্ভিক্ষ' বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত শেরশাহের কার্যক্রমের সাথে লর্ড কর্নওয়ালিশের গৃহীত চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার মিল আছে। উদ্দীপকে হতে জানা যায়, সম্রাট শেরশাহ ভারতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার একজন অন্যতম পথপ্রদর্শক। তার শাসনামলে তিনি নিজস্ব চিন্তা চেতনার মাধ্যমে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন। এ নীতি এতই উন্নত ছিল যে, পরবর্তীতে মুঘল সম্রাটগণ এমনকি ইংরেজরাও এ নীতি অনুসরণ করেছিলেন। অপরদিকে পাঠ্যবই হতে আমরা জানতে পারি, লর্ড কর্নওয়ালিশ ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দের ২২ মার্চ ভূমি ব্যবস্থায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের প্রবর্তন করেন। এ ব্যবস্থায় জমিদারগণ জমির স্থায়ী মালিক হন এবং তাদের রাজম্বের পরিমাণ চিরদিনের জন্য নির্দিষ্ট হয়। যথাসময়ে নির্দিষ্ট কর প্রদান করে জমিদাররা পুরুষানুক্রমে জমিদারি ভোগ করার অধিকার পান। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তনের ফলে জমিদারদের আয় বৃদ্ধি পায় এবং দেশের উৎপাদন ও অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি সাধিত হয়। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত দ্বারা জমিদারদের দেয় রাজস্বের পরিমাণ সুনির্দিষ্ট হওয়ায় বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন ও বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ লাভ করে। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত এদেশের জমিদার শ্রেণিকে বিত্তবান করেছিল এবং এসব বিত্তবান জমিদারেরা এদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। সুতরাং সার্বিক আলোচনার প্রেক্ষিতে এটি স্পষ্ট যে, উদ্দীপকে বর্ণিত শেরশাহের কার্যক্রমের সাথে লর্ড কর্নওয়ালিশের গৃহীত চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার মিল রয়েছে।

উত্তর

উল্লিখিত ব্যবস্থা অর্থাৎ লর্ড কর্নওয়ালিশের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক ছিল- উক্তিটির সাথে আমি একমত। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থায় কৃষিকার্য সম্প্রসারিত হয় এবং জমিদারদের আয় বৃদ্ধি পায়। সরকারি রাজস্বের পরিমাণ চিরদিনের জন্য নির্ধারিত হওয়ায় জমিদারগণ জমিতে অতিরিক্ত শ্রম ও মূলধন নিয়োগ করে ভূমির উৎপাদন বৃদ্ধিতে উৎসাহিত হন। তারা জঙ্গলাকীর্ণ ও পতিত জমি চাষাবাদের ব্যবস্থা করেন। এতে উৎপাদন বৃদ্ধি পায় ও দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি সাধিত হয়। আর জমিদারদের দেয় রাজস্বের পরিমাণ সুনির্দিষ্ট হওয়ায় কোম্পানি তার আয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট হয়। এতে বার্ষিক বাজেট প্রণয়নের সুবিধা হয় এবং কোম্পানি বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ লাভ করে। অস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে উদ্ভূত কুফলগুলো কোম্পানি এ ব্যবস্থা দ্বারা দূর করতে সমর্থ হয়। এ বন্দোবস্ত প্রবর্তনের ফলে যে জমিদার শ্রেণির উদ্ভব ঘটে তারা স্বভাবতই কোম্পানির নির্ভরযোগ্য সমর্থক শ্রেণিতে পরিণত হয়। এ রাজভক্ত জমিদার শ্রেণি এদেশে কোম্পানি তথা ব্রিটিশ শক্তিকে সুদৃঢ় করতে সহায়তা করেছিল। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত এদেশে কোম্পানির অনুগত জমিদার শ্রেণিকে বিত্তবান করেছিল। এসব বিত্তবান জমিদারেরা এদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল। এ সময় কোম্পানির শাসনে জমিদারগণ প্রজাদের মঙ্গলার্থে পুষ্করিণী খনন, বিদ্যালয়, চিকিৎসালয় প্রভৃতি স্থাপনের জন্য প্রচুর অর্থ দান করেছেন। নানাবিধ জনকল্যাণকর কার্যাবলি গ্রামীণ জীবনকে যথেষ্ট সচল করেছিল। সুতরাং সার্বিক আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক হয়েছিল- উক্তিটি যথার্থ ও সঠিক।
HSCHistory 1st PaperChapter 2: ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন: কোম্পানি আমল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সম্রাট শেরশাহ ভারতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার একজন অন্যতম পথ প্রদর্শক। তার শাসনামলে তিনি নিজস্ব চিন্তা-চেতনার মাধ্যমে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন। প্রচলিত পদ্ধতিকে বাতিল করে দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন আদলে তিনি এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। এতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থায় গতিশীলতা আসে এবং সাম্রাজ্যের রাজস্ব আয় অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। তার এ নীতি প্রবর্তনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রজাদের দুর্দশা লাঘব। এ নীতিটি এতই উন্নত ছিল যে, পরবর্তীতে মুঘল সম্রাটগণ এমনকি ইংরেজরাও এ নীতি অনুসরণ করেছিলেন। [সকল বোর্ড ২০১৫]
ক
কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?
খ
ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত শেরশাহের কার্যক্রমের সাথে লর্ড কর্নওয়ালিশের গৃহীত কোন ব্যবস্থার মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উল্লিখিত ব্যবস্থা ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক হয়েছিল? তুমি কি এর সাথে একমত? যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।

ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?

কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি বহুজাতিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠার সময় পরিচালনার জন্য কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির ব্যাপক বিস্তৃতির ফলে আইনের সীমাবদ্ধতায় বেশকিছু জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং আইনের কয়েকটি ধারা অকার্যকর প্রমাণিত হয়। এ প্রেক্ষিতে কোম্পানির ব্যবস্থাপককে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়ে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হয়। নতুন আইন কোম্পানিটির ব্যবসায় বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করলেও ত্রুটিমুক্ত ছিল না। [ সকল বোর্ড ২০১৬ ]
ক
ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?
খ
সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের প্রতিফলন ঘটেছে তার পটভূমি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত আইনের ত্রুটিসমূহ বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি বহুজাতিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠার সময় পরিচালনার জন্য কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির ব্যাপক বিস্তৃতির ফলে আইনের সীমাবদ্ধতায় বেশকিছু জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং আইনের কয়েকটি ধারা অকার্যকর প্রমাণিত হয়। এ প্রেক্ষিতে কোম্পানির ব্যবস্থাপককে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়ে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হয়। নতুন আইন কোম্পানিটির ব্যবসায় বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করলেও ত্রুটিমুক্ত ছিল না। [ সকল বোর্ড ২০১৬ ]
ক
ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?
খ
সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের প্রতিফলন ঘটেছে তার পটভূমি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত আইনের ত্রুটিসমূহ বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?

সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?

ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮২৮ সালে ভারতবর্ষের গভর্নর জেনারেল হয়ে আসা একজন ইংরেজ উপলব্ধি করেন শাসিতদের কল্যাণ সাধন করাই হচ্ছে শাসকের প্রধান কর্তব্য। শাসিতদের কল্যাণ সাধনের জন্য তিনি সতীদাহ প্রথা রহিত করেন, ঠগী দমন ও পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তনসহ বিভিন্ন সংস্কার কর্ম সাধন করেন। সংস্কার কর্মের জন্য তিনি ভারতের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন। [কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ]
ক
কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?
খ
স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে আলোচিত সংস্কারকের সামাজিক সংস্কারসমূহ উল্লেখ কর।
ঘ
উদ্দীপকে আলোচিত ব্যক্তির সংস্কার কীভাবে মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ছিল- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮২৮ সালে ভারতবর্ষের গভর্নর জেনারেল হয়ে আসা একজন ইংরেজ উপলব্ধি করেন শাসিতদের কল্যাণ সাধন করাই হচ্ছে শাসকের প্রধান কর্তব্য। শাসিতদের কল্যাণ সাধনের জন্য তিনি সতীদাহ প্রথা রহিত করেন, ঠগী দমন ও পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তনসহ বিভিন্ন সংস্কার কর্ম সাধন করেন। সংস্কার কর্মের জন্য তিনি ভারতের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন। [কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ]
ক
কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?
খ
স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে আলোচিত সংস্কারকের সামাজিক সংস্কারসমূহ উল্লেখ কর।
ঘ
উদ্দীপকে আলোচিত ব্যক্তির সংস্কার কীভাবে মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ছিল- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?

স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?

কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নবাব মুর্শিদকুলী খান বাংলার ভূমি ব্যবস্থার সংস্কার করেন। এর ফলে বাংলার কৃষকরা ভূমির মালিকানা লাভ করেন এবং ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থায় গতিশীলতা আসে। [সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া]
ক
কে স্বত্ববিলোপ নীতির প্রবর্তন করেন?
খ
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের সমাজ সংস্কার সম্পর্কে যা জান লেখ।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত মুর্শিদকুলী খানের ভূমি ব্যবস্থার সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কার ভূমি ব্যবস্থা সংস্কারের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত ভূমি ব্যবস্থার দোষগুণ আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে বর্ণিত শেরশাহের কার্যক্রমের সাথে লর্ড কর্নওয়ালিশের গৃহীত কোন ব্যবস্থার ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?উক্ত আইনের ত্রুটিসমূহ বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের প্রতিফলন ঘটেছে তার পটভূমি ব্যাখ্যা সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?উদ্দীপকে আলোচিত ব্যক্তির সংস্কার কীভাবে মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ছিল- বিশ্লেষণউদ্দীপকে আলোচিত সংস্কারকের সামাজিক সংস্কারসমূহ উল্লেখ কর।স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?উক্ত ভূমি ব্যবস্থার দোষগুণ আলোচনা কর।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।