শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের প্রতিফলন ঘটেছে তার পটভূমি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের রেগুলেটিং অ্যাক্ট বা নিয়ামক আইনের প্রতিফলন ঘটেছে। ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দের রেগুলেটিং অ্যাক্ট ভারতে ব্রিটিশ শাসন কাঠামো প্রবর্তনে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। ভারতের তদানীন্তন সমস্যার সমাধানকল্পে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপের ফল হলো রেগুলেটিং অ্যাক্ট। যেহেতু এ আইনের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল কোম্পানির কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করা, সেহেতু এ আইন রেগুলেটিং বা নিয়ন্ত্রণের আইন নামে খ্যাত। ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গঠনতন্ত্র ও কোম্পানির ভারতীয় সাম্রাজ্য সম্পর্কে এ আইন ছিল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ও কোম্পানি কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটি আপসমূলক ব্যবস্থা। এ আইন মোতাবেক সর্বপ্রথম ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কলকাতাভিত্তিক কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। অর্থাৎ এ আইন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ও ভারতীয়দের মধ্যে একটি আপসনামা হিসেবে পরিচিত। তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড নর্থ এ আইনটি প্রণয়ন করেন। এজন্য আইনটির সংক্ষিপ্ত নাম দেওয়া হয় 'Norths Regulating Act, 1773' বা সংক্ষেপে রেগুলেটিং অ্যাক্ট। এ আইনের মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি একটি বাণিজ্যিক সংস্থা থেকে রাজনৈতিক সরকারে রূপান্তরিত হয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, কোম্পানি পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠার সময় কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে কোম্পানির ব্যাপক বিস্তৃতির ফলে বেশ কিছু জটিলতা সৃষ্টি হয় এবং আইনের কয়েকটি ধারা অকার্যকর প্রমাণিত হয়। এ পেক্ষাপটে কোম্পানির ব্যবস্থাপককে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়ে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হয়। এ আইনটি কোম্পানির ব্যবসায় বৃদ্ধিতে সহায়ক হলেও ত্রুটিপূর্ণ ছিল। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের এ আইন দ্বারা ব্রিটিশ ভারতের নিয়ামক আইনেরই প্রতিফলন ঘটেছে।

HSC History 1st Paper Chapter 2: ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন: কোম্পানি আমল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 1st Paper · Chapter 2: ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন: কোম্পানি আমল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের প্রতিফলন ঘটেছে তার পটভ…

উদ্দীপক

একটি বহুজাতিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠার সময় পরিচালনার জন্য কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির ব্যাপক বিস্তৃতির ফলে আইনের সীমাবদ্ধতায় বেশকিছু জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং আইনের কয়েকটি ধারা অকার্যকর প্রমাণিত হয়। এ প্রেক্ষিতে কোম্পানির ব্যবস্থাপককে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়ে নতুন, একটি আইন প্রণয়ন করা হয়। নতুন আইন কোম্পানিটির ব্যবসায় বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করলেও ত্রুটিমুক্ত ছিল না। [সকল বোর্ড ২০১৬]

উত্তর

ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংসকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়।

উত্তর

লর্ড কর্নওয়ালিসের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত আইন অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট দিনের সূর্যাস্তের পূর্বে খাজনা প্রদান না করলে জমিদারি বাজেয়াপ্ত করা হতো। এ কুখ্যাত আইনটি সূর্যাস্ত আইন নামে পরিচিত। সূর্যাস্ত আইন মোতাবেক ৩০ চৈত্র তারিখের মধ্যে রাজস্ব না দিতে পারার কারণে অনেক পুরনো জমিদার তাদের জমিদারি স্বত্ব হারান। এ আইনের ফলে একমাত্র বর্ধমানের জমিদার ছাড়া সাত বছরের মধ্যে সব বড় জমিদার ধ্বংস হয়ে যান।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের রেগুলেটিং অ্যাক্ট বা নিয়ামক আইনের প্রতিফলন ঘটেছে। ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দের রেগুলেটিং অ্যাক্ট ভারতে ব্রিটিশ শাসন কাঠামো প্রবর্তনে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। ভারতের তদানীন্তন সমস্যার সমাধানকল্পে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপের ফল হলো রেগুলেটিং অ্যাক্ট। যেহেতু এ আইনের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল কোম্পানির কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করা, সেহেতু এ আইন রেগুলেটিং বা নিয়ন্ত্রণের আইন নামে খ্যাত। ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গঠনতন্ত্র ও কোম্পানির ভারতীয় সাম্রাজ্য সম্পর্কে এ আইন ছিল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ও কোম্পানি কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটি আপসমূলক ব্যবস্থা। এ আইন মোতাবেক সর্বপ্রথম ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কলকাতাভিত্তিক কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। অর্থাৎ এ আইন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ও ভারতীয়দের মধ্যে একটি আপসনামা হিসেবে পরিচিত। তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড নর্থ এ আইনটি প্রণয়ন করেন। এজন্য আইনটির সংক্ষিপ্ত নাম দেওয়া হয় 'Norths Regulating Act, 1773' বা সংক্ষেপে রেগুলেটিং অ্যাক্ট। এ আইনের মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি একটি বাণিজ্যিক সংস্থা থেকে রাজনৈতিক সরকারে রূপান্তরিত হয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, কোম্পানি পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠার সময় কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে কোম্পানির ব্যাপক বিস্তৃতির ফলে বেশ কিছু জটিলতা সৃষ্টি হয় এবং আইনের কয়েকটি ধারা অকার্যকর প্রমাণিত হয়। এ পেক্ষাপটে কোম্পানির ব্যবস্থাপককে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়ে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হয়। এ আইনটি কোম্পানির ব্যবসায় বৃদ্ধিতে সহায়ক হলেও ত্রুটিপূর্ণ ছিল। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের এ আইন দ্বারা ব্রিটিশ ভারতের নিয়ামক আইনেরই প্রতিফলন ঘটেছে।

উত্তর

উদ্দীপকে মূলত রেগুলেটিং অ্যাক্ট সম্পর্কেই আলোকপাত করা হয়েছে। এ আইনে কতিপয় ত্রুটি লক্ষণীয়। প্রথমত, ব্রিটিশ সরকার এ আইনের মাধ্যমে কোম্পানির ভারতীয় সাম্রাজ্যের ওপর সার্বভৌম ক্ষমতা স্থাপন করতে চেয়েছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি। কেননা, এ আইনে সার্বভৌমত্ব কার্যকর করার জন্য কোনো এজেন্সি গঠনের প্রস্তাব করা হয়নি। দ্বিতীয়ত, গভর্নর জেনারেল ও তার পরিষদের কর্তৃত্বের ক্ষেত্র সুনির্দিষ্ট না হওয়ার সুযোগে মাদ্রাজ ও বোম্বাই প্রেসিডেন্সি স্বাধীনভাবে চলতে চেষ্টা করে। এর ফলে বাংলা প্রেসিডেন্সির সাথে মতবিরোধ দেখা দেয়। তৃতীয়ত, এ আইনের দ্বারা মাদ্রাজ ও বোম্বাই প্রেসিডেন্সির ওপর কলকাতা প্রেসিডেন্সির কর্তৃত্ব স্থাপন করা হয়। কিন্তু কর্তৃত্বের ক্ষেত্র সুনির্দিষ্ট না থাকায় পরবর্তীতে বহু জটিলতার সৃষ্টি হয়। চতুর্থত, গভর্নর জেনারেলের ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কাউন্সিলের সদস্যবর্গ এবং সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতির নিয়ন্ত্রণ ছিল। এতে শাসনকার্যে অনেক অসুবিদার সৃষ্টি হয়। পঞ্চমত, ভারতে ব্রিটিশ নাগরিকদের ওপর সুপ্রিমকোর্টের এখতিয়ার স্থাপন করা হলেও এ আইনে ব্রিটিশ নাগরিকদের সংজ্ঞা সুনির্দিষ্ট না হওয়ায় কোর্টের সাথে কাউন্সিলের সদস্যদের নানা বিষয়ে মতানৈক্য দেখা যায়। সুতরাং বলা যায়, নিয়ামক আইনের উদ্দেশ্য মহৎ ছিল, কিন্তু এ আইনের সৃষ্ট ব্যবস্থা ছিল যথেষ্ট ত্রুটিপূর্ণ।
HSCHistory 1st PaperChapter 2: ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন: কোম্পানি আমল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সম্রাট শেরশাহ ভারতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার একজন অন্যতম পথ প্রদর্শক। তার শাসনামলে তিনি নিজস্ব চিন্তা-চেতনার মাধ্যমে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন। প্রচলিত পদ্ধতিকে বাতিল করে দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন আদলে তিনি এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। এতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থায় গতিশীলতা আসে এবং সাম্রাজ্যের রাজস্ব আয় অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। তার এ নীতি প্রবর্তনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রজাদের দুর্দশা লাঘব। এ নীতিটি এতই উন্নত ছিল যে, পরবর্তীতে মুঘল সম্রাটগণ এমনকি ইংরেজরাও এ নীতি অনুসরণ করেছিলেন। [সকল বোর্ড ২০১৫]
ক
কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?
খ
ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত শেরশাহের কার্যক্রমের সাথে লর্ড কর্নওয়ালিশের গৃহীত কোন ব্যবস্থার মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উল্লিখিত ব্যবস্থা ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক হয়েছিল? তুমি কি এর সাথে একমত? যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সম্রাট শেরশাহ ভারতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার একজন অন্যতম পথ প্রদর্শক। তার শাসনামলে তিনি নিজস্ব চিন্তা-চেতনার মাধ্যমে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন। প্রচলিত পদ্ধতিকে বাতিল করে দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন আদলে তিনি এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। এতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থায় গতিশীলতা আসে এবং সাম্রাজ্যের রাজস্ব আয় অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। তার এ নীতি প্রবর্তনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রজাদের দুর্দশা লাঘব। এ নীতিটি এতই উন্নত ছিল যে, পরবর্তীতে মুঘল সম্রাটগণ এমনকি ইংরেজরাও এ নীতি অনুসরণ করেছিলেন। [সকল বোর্ড ২০১৫]
ক
কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?
খ
ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত শেরশাহের কার্যক্রমের সাথে লর্ড কর্নওয়ালিশের গৃহীত কোন ব্যবস্থার মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উল্লিখিত ব্যবস্থা ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক হয়েছিল? তুমি কি এর সাথে একমত? যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।

ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?

কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি বহুজাতিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠার সময় পরিচালনার জন্য কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির ব্যাপক বিস্তৃতির ফলে আইনের সীমাবদ্ধতায় বেশকিছু জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং আইনের কয়েকটি ধারা অকার্যকর প্রমাণিত হয়। এ প্রেক্ষিতে কোম্পানির ব্যবস্থাপককে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়ে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হয়। নতুন আইন কোম্পানিটির ব্যবসায় বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করলেও ত্রুটিমুক্ত ছিল না। [ সকল বোর্ড ২০১৬ ]
ক
ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?
খ
সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের প্রতিফলন ঘটেছে তার পটভূমি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত আইনের ত্রুটিসমূহ বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি বহুজাতিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠার সময় পরিচালনার জন্য কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির ব্যাপক বিস্তৃতির ফলে আইনের সীমাবদ্ধতায় বেশকিছু জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং আইনের কয়েকটি ধারা অকার্যকর প্রমাণিত হয়। এ প্রেক্ষিতে কোম্পানির ব্যবস্থাপককে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়ে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হয়। নতুন আইন কোম্পানিটির ব্যবসায় বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করলেও ত্রুটিমুক্ত ছিল না। [ সকল বোর্ড ২০১৬ ]
ক
ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?
খ
সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের প্রতিফলন ঘটেছে তার পটভূমি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত আইনের ত্রুটিসমূহ বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?

সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?

ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮২৮ সালে ভারতবর্ষের গভর্নর জেনারেল হয়ে আসা একজন ইংরেজ উপলব্ধি করেন শাসিতদের কল্যাণ সাধন করাই হচ্ছে শাসকের প্রধান কর্তব্য। শাসিতদের কল্যাণ সাধনের জন্য তিনি সতীদাহ প্রথা রহিত করেন, ঠগী দমন ও পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তনসহ বিভিন্ন সংস্কার কর্ম সাধন করেন। সংস্কার কর্মের জন্য তিনি ভারতের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন। [কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ]
ক
কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?
খ
স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে আলোচিত সংস্কারকের সামাজিক সংস্কারসমূহ উল্লেখ কর।
ঘ
উদ্দীপকে আলোচিত ব্যক্তির সংস্কার কীভাবে মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ছিল- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮২৮ সালে ভারতবর্ষের গভর্নর জেনারেল হয়ে আসা একজন ইংরেজ উপলব্ধি করেন শাসিতদের কল্যাণ সাধন করাই হচ্ছে শাসকের প্রধান কর্তব্য। শাসিতদের কল্যাণ সাধনের জন্য তিনি সতীদাহ প্রথা রহিত করেন, ঠগী দমন ও পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তনসহ বিভিন্ন সংস্কার কর্ম সাধন করেন। সংস্কার কর্মের জন্য তিনি ভারতের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন। [কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ]
ক
কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?
খ
স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে আলোচিত সংস্কারকের সামাজিক সংস্কারসমূহ উল্লেখ কর।
ঘ
উদ্দীপকে আলোচিত ব্যক্তির সংস্কার কীভাবে মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ছিল- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?

স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?

কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উল্লিখিত ব্যবস্থা ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক হয়েছিল? তুউদ্দীপকে বর্ণিত শেরশাহের কার্যক্রমের সাথে লর্ড কর্নওয়ালিশের গৃহীত কোন ব্যবস্থার ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?উক্ত আইনের ত্রুটিসমূহ বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের প্রতিফলন ঘটেছে তার পটভূমি ব্যাখ্যা সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?উদ্দীপকে আলোচিত ব্যক্তির সংস্কার কীভাবে মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ছিল- বিশ্লেষণউদ্দীপকে আলোচিত সংস্কারকের সামাজিক সংস্কারসমূহ উল্লেখ কর।স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।