শেয়ারFacebookWhatsApp

উপরের উদ্দীপকে যে বিদ্রোহের কথা বলা হয়েছে সে বিদ্রোহের কারণ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের কথা বলা হয়েছে। ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে সংঘটিত প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম। লর্ড ডালহৌসির সাম্রাজ্যবাদী নীতি, ইংরেজ কর্তৃক এ দেশের ধন-সম্পদ পাচার, ধর্মীয় বিভিন্ন সংস্কারমূলক কার্যক্রম, ভারতীয় সিপাহিদের পেশাগত ক্ষোভ, ভাতা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বৈষম্য ইত্যাদি কারণে সিপাহিরা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত হয়। এ বিদ্রোহের দাবানল ছড়িয়ে পড়ে 'এনফিল্ড' নামক রাইফেল প্রবর্তনের ফলে। কারণ এর কার্তুজে গরু ও শূকরের চর্বি মিশ্রিত আছে বলে গুজব ছড়ায়। হিন্দু-মুসলমান উভয় ধর্মসম্প্রদায়ের সৈনিকদের মধ্যে ক্ষোভচরমে পৌঁছালে ব্যারাকপুর সেনানিবাসে মঙ্গল পাণ্ডে নামক একজন সিপাহি প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করেন। ক্রমেই এ বিদ্রোহ সারা ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়ে। তবে শেষ পর্যন্ত ব্রিটিশ সরকার এ বিদ্রোহ কঠোরভাবে দমন করেন। মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ, ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাঈ, তাঁতিয়া তোপি, কানপুরের নানা সাহেব, কুনওয়ার সিং প্রমুখ বীরত্বের সাথে এ বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেন। উদ্দীপকে সুকান্ত ভট্টাচার্যের একটি কবিতা দেওয়া হয়েছে। এতে বিদেশি শাসনের প্রতি ক্ষিপ্ত মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি নানা সাহেব, তাঁতিয়া তোপি, ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাঈ নামের উল্লেখ রয়েছে যা সিপাহি বিদ্রোহের নেতৃবৃন্দকে নির্দেশ করছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে ১৮৫৭সালের সিপাহি বিদ্রোহের কথা বলা হয়েছে।

HSC History 1st Paper Chapter 2: ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন: কোম্পানি আমল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 1st Paper · Chapter 2: ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন: কোম্পানি আমল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উপরের উদ্দীপকে যে বিদ্রোহের কথা বলা হয়েছে সে বিদ্রোহের কারণ বিশ্লেষ…

উদ্দীপক

একশো বছর গোলামিতে সবাই তখন ক্ষিপ্ত, বিদেশিদের রক্ত পেলে তবেই হবে তৃপ্ত! নানাসাহেব, তাঁতিয়াটোপী, ঝাঁসীর রাণী লক্ষ্মী- সবার হাতে অস্ত্র, নাচে বনের পশু-পক্ষী। কেবল ধনী, জমিদার, আর আগের রাজার ভক্ত যোগ দিল, তা নয়কো, দিল গরীবেরাও রক্ত! সবাই জীবন তুচ্ছ করে, মুসলমান ও হিন্দু, সবাই দিতে রাজি তাদের প্রতি রক্তবিন্দু ldots.. সুকান্ত ভট্টাচার্য

উত্তর

দ্বৈতশাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন লর্ড ক্লাইভ।

উত্তর

তিতুমীর ছিলেন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের একজন মহান বীর ও শহিদ। তার প্রকৃত নাম মীর নিসার আলী। তিনি ১৭৮২ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি জমিদার ও ব্রিটিশদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য নারিকেলবাড়িয়ায় বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন এবং ১৮৩১ সালে ব্রিটিশ বাহিনীর সাথে যুদ্ধরত অবস্থায় শহিদ হন।

উত্তর

উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের কথা বলা হয়েছে। ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে সংঘটিত প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম। লর্ড ডালহৌসির সাম্রাজ্যবাদী নীতি, ইংরেজ কর্তৃক এ দেশের ধন-সম্পদ পাচার, ধর্মীয় বিভিন্ন সংস্কারমূলক কার্যক্রম, ভারতীয় সিপাহিদের পেশাগত ক্ষোভ, ভাতা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বৈষম্য ইত্যাদি কারণে সিপাহিরা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত হয়। এ বিদ্রোহের দাবানল ছড়িয়ে পড়ে 'এনফিল্ড' নামক রাইফেল প্রবর্তনের ফলে। কারণ এর কার্তুজে গরু ও শূকরের চর্বি মিশ্রিত আছে বলে গুজব ছড়ায়। হিন্দু-মুসলমান উভয় ধর্মসম্প্রদায়ের সৈনিকদের মধ্যে ক্ষোভচরমে পৌঁছালে ব্যারাকপুর সেনানিবাসে মঙ্গল পাণ্ডে নামক একজন সিপাহি প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করেন। ক্রমেই এ বিদ্রোহ সারা ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়ে। তবে শেষ পর্যন্ত ব্রিটিশ সরকার এ বিদ্রোহ কঠোরভাবে দমন করেন। মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ, ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাঈ, তাঁতিয়া তোপি, কানপুরের নানা সাহেব, কুনওয়ার সিং প্রমুখ বীরত্বের সাথে এ বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেন। উদ্দীপকে সুকান্ত ভট্টাচার্যের একটি কবিতা দেওয়া হয়েছে। এতে বিদেশি শাসনের প্রতি ক্ষিপ্ত মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি নানা সাহেব, তাঁতিয়া তোপি, ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাঈ নামের উল্লেখ রয়েছে যা সিপাহি বিদ্রোহের নেতৃবৃন্দকে নির্দেশ করছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে ১৮৫৭সালের সিপাহি বিদ্রোহের কথা বলা হয়েছে।

উত্তর

১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অভাব ও সমন্বয়ের ফলে ব্যর্থ হলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। বিদ্রোহটি ব্যর্থ হওয়ার প্রধান কারণ ছিল বিদ্রোহীদের মধ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও আধুনিক যুদ্ধাস্ত্রের অভাব। এছাড়া ভারতের সকল অঞ্চলের মানুষ ও রাজন্যবর্গ এই বিদ্রোহে অংশ নেয়নি। ব্রিটিশদের উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সামরিক শক্তি বিদ্রোহীদের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল। উদ্দীপকে যদিও হিন্দু-মুসলমান ও আপামর জনসাধারণের ঐক্যের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে ভারতের একটি বড় অংশ এবং শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সমাজ এই বিদ্রোহ থেকে দূরে ছিল। ফলে বিদ্রোহটি সারা ভারতে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারেনি এবং ব্রিটিশরা তা কঠোরভাবে দমন করতে সক্ষম হয়। তবে এই বিদ্রোহের গুরুত্ব ছিল সুদূরপ্রসারী। এই বিদ্রোহের ফলেই ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে এবং ব্রিটিশ সরকার সরাসরি ভারতের শাসনভার গ্রহণ করে। ১৮৫৮ সালে মহারানী ভিক্টোরিয়া এক ঘোষণার মাধ্যমে ভারতীয়দের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার প্রতিশ্রুতি দেন। এই বিদ্রোহ পরবর্তীকালে ভারতীয়দের মনে জাতীয়তাবাদী চেতনার জন্ম দেয় এবং স্বাধীনতার পথ প্রশস্ত করে। তাই বলা যায়, ব্যর্থ হওয়া সত্ত্বেও এটি ছিল ভারতের মুক্তি সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।
HSCHistory 1st PaperChapter 2: ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন: কোম্পানি আমল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সম্রাট শেরশাহ ভারতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার একজন অন্যতম পথ প্রদর্শক। তার শাসনামলে তিনি নিজস্ব চিন্তা-চেতনার মাধ্যমে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন। প্রচলিত পদ্ধতিকে বাতিল করে দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন আদলে তিনি এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। এতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থায় গতিশীলতা আসে এবং সাম্রাজ্যের রাজস্ব আয় অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। তার এ নীতি প্রবর্তনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রজাদের দুর্দশা লাঘব। এ নীতিটি এতই উন্নত ছিল যে, পরবর্তীতে মুঘল সম্রাটগণ এমনকি ইংরেজরাও এ নীতি অনুসরণ করেছিলেন। [সকল বোর্ড ২০১৫]
ক
কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?
খ
ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত শেরশাহের কার্যক্রমের সাথে লর্ড কর্নওয়ালিশের গৃহীত কোন ব্যবস্থার মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উল্লিখিত ব্যবস্থা ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক হয়েছিল? তুমি কি এর সাথে একমত? যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সম্রাট শেরশাহ ভারতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার একজন অন্যতম পথ প্রদর্শক। তার শাসনামলে তিনি নিজস্ব চিন্তা-চেতনার মাধ্যমে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন। প্রচলিত পদ্ধতিকে বাতিল করে দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন আদলে তিনি এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। এতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থায় গতিশীলতা আসে এবং সাম্রাজ্যের রাজস্ব আয় অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। তার এ নীতি প্রবর্তনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রজাদের দুর্দশা লাঘব। এ নীতিটি এতই উন্নত ছিল যে, পরবর্তীতে মুঘল সম্রাটগণ এমনকি ইংরেজরাও এ নীতি অনুসরণ করেছিলেন। [সকল বোর্ড ২০১৫]
ক
কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?
খ
ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত শেরশাহের কার্যক্রমের সাথে লর্ড কর্নওয়ালিশের গৃহীত কোন ব্যবস্থার মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উল্লিখিত ব্যবস্থা ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক হয়েছিল? তুমি কি এর সাথে একমত? যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।

ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?

কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি বহুজাতিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠার সময় পরিচালনার জন্য কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির ব্যাপক বিস্তৃতির ফলে আইনের সীমাবদ্ধতায় বেশকিছু জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং আইনের কয়েকটি ধারা অকার্যকর প্রমাণিত হয়। এ প্রেক্ষিতে কোম্পানির ব্যবস্থাপককে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়ে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হয়। নতুন আইন কোম্পানিটির ব্যবসায় বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করলেও ত্রুটিমুক্ত ছিল না। [ সকল বোর্ড ২০১৬ ]
ক
ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?
খ
সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের প্রতিফলন ঘটেছে তার পটভূমি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত আইনের ত্রুটিসমূহ বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি বহুজাতিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠার সময় পরিচালনার জন্য কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির ব্যাপক বিস্তৃতির ফলে আইনের সীমাবদ্ধতায় বেশকিছু জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং আইনের কয়েকটি ধারা অকার্যকর প্রমাণিত হয়। এ প্রেক্ষিতে কোম্পানির ব্যবস্থাপককে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়ে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হয়। নতুন আইন কোম্পানিটির ব্যবসায় বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করলেও ত্রুটিমুক্ত ছিল না। [ সকল বোর্ড ২০১৬ ]
ক
ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?
খ
সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের প্রতিফলন ঘটেছে তার পটভূমি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত আইনের ত্রুটিসমূহ বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?

সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?

ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮২৮ সালে ভারতবর্ষের গভর্নর জেনারেল হয়ে আসা একজন ইংরেজ উপলব্ধি করেন শাসিতদের কল্যাণ সাধন করাই হচ্ছে শাসকের প্রধান কর্তব্য। শাসিতদের কল্যাণ সাধনের জন্য তিনি সতীদাহ প্রথা রহিত করেন, ঠগী দমন ও পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তনসহ বিভিন্ন সংস্কার কর্ম সাধন করেন। সংস্কার কর্মের জন্য তিনি ভারতের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন। [কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ]
ক
কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?
খ
স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে আলোচিত সংস্কারকের সামাজিক সংস্কারসমূহ উল্লেখ কর।
ঘ
উদ্দীপকে আলোচিত ব্যক্তির সংস্কার কীভাবে মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ছিল- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮২৮ সালে ভারতবর্ষের গভর্নর জেনারেল হয়ে আসা একজন ইংরেজ উপলব্ধি করেন শাসিতদের কল্যাণ সাধন করাই হচ্ছে শাসকের প্রধান কর্তব্য। শাসিতদের কল্যাণ সাধনের জন্য তিনি সতীদাহ প্রথা রহিত করেন, ঠগী দমন ও পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তনসহ বিভিন্ন সংস্কার কর্ম সাধন করেন। সংস্কার কর্মের জন্য তিনি ভারতের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন। [কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ]
ক
কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?
খ
স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে আলোচিত সংস্কারকের সামাজিক সংস্কারসমূহ উল্লেখ কর।
ঘ
উদ্দীপকে আলোচিত ব্যক্তির সংস্কার কীভাবে মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ছিল- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?

স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?

কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উল্লিখিত ব্যবস্থা ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক হয়েছিল? তুউদ্দীপকে বর্ণিত শেরশাহের কার্যক্রমের সাথে লর্ড কর্নওয়ালিশের গৃহীত কোন ব্যবস্থার ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?উক্ত আইনের ত্রুটিসমূহ বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের প্রতিফলন ঘটেছে তার পটভূমি ব্যাখ্যা সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?উদ্দীপকে আলোচিত ব্যক্তির সংস্কার কীভাবে মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ছিল- বিশ্লেষণউদ্দীপকে আলোচিত সংস্কারকের সামাজিক সংস্কারসমূহ উল্লেখ কর।স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।