শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে নীতির সঙ্গে কোন ব্রিটিশ গভর্নরের নীতির মিল পাওয়া যায় তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের নীতির সঙ্গে ব্রিটিশ গভর্নর লর্ড ডালহৌসির স্বত্ববিলোপ নীতির মিল পাওয়া যায়। প্রাচীন হিন্দুরীতির উচ্ছেদ ঘটিয়ে ব্রিটিশ শক্তির ওপর নির্ভরশীল দেশীয় রাজ্যগুলো কুক্ষিগত করার জন্য যে নতুন নীতি উদ্ভাবিত হয়েছিল তাই স্বত্ববিলোপ নীতি (Doctrine of Lapse Policy)। স্বত্ববিলোপ নীতির মর্মার্থ হলো, ইংরেজ আশ্রিত ও অনুগৃহীত কোনো দেশীয় রাজ্যের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে এবং তার রাজবংশে কোনো উত্তরাধিকারী না থাকলে সে রাজ্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হবে; কোনো পালিত পুত্রের অধিকার স্বীকার করা হবে না। প্রাচীন হিন্দুরীতি অনুযায়ী, অপুত্রক রাজা রাজবংশ ও রাজ্য রক্ষা করার জন্য পুত্র পালক নিতে পারতেন। পূর্বে এ ধরনের পরিস্থিতিতে ইংরেজদের কাছ থেকে রাজারা বিশেষ অনুমতি নিয়ে দত্তক গ্রহণ করতে পারতেন। কিন্তু ডালহৌসি কঠোরতার সাথে আগের রীতি বন্ধ করে দিয়ে স্বত্ববিলোপ নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য প্রসারের পথ আরও সুগম করেন। উদ্দীপকে দেখা যায়, নাটোরের রাজবংশের শেষ রাজা ছিলেন মহারাজা জগদীশনাথ। কিন্তু তার জীবদ্দশায় একমাত্র পুত্র জলধিনাথ মাত্র পনেরো বছর বয়সে মারা যান। মহারাজা জগদীশনাথ তাই তার রাজ্য রক্ষার জন্য পালিত পুত্র গ্রহণ করেন। মহারাজার মৃত্যুর পর তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার তার এ পালিত পুত্রের দাবি অগ্রাহ্য করে তার রাজ্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করেন। যার সাথে ব্রিটিশ গভর্নর লর্ড ডালহৌসির স্বত্ববিলোপ নীতির মিল রয়েছে।

HSC History 1st Paper Chapter 2: ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন: কোম্পানি আমল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 1st Paper · Chapter 2: ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন: কোম্পানি আমল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে নীতির সঙ্গে কোন ব্রিটিশ গভর্নরের নীতির মিল পাওয়া যায় তা ব্…

উদ্দীপক

নাটোরের রাজবংশের শেষ রাজা ছিলেন মহারাজা জগদীশনাথ। কিন্তু তার জীবদ্দশায় একমাত্র পুত্র জলধিনাথ মাত্র পনেরো বছর বয়সে মারা যান। মহারাজা জগদীশনাথ তাই তার রাজ্য রক্ষার জন্য পালিত পুত্র গ্রহণ করেন। মহারাজার মৃত্যুর পর তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার তার এ পালিত পুত্রের দাবি অগ্রাহ্য করে তার রাজ্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করেন।

উত্তর

সত্যগ্রহ আন্দোলন শুরু করেন মহাত্মা গান্ধী।

উত্তর

ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিস্তারে লর্ড ডালহৌসি দেশীয় রাজ্যসমূহের দত্তক পুত্রের রাজ্যশাসন স্বত্ব বিলোপ করে যে নীতি গ্রহণ করেন তা বহুলভাবে স্বত্ব বিলোপ নীতি নামে খ্যাত। এ নীতির মূলকথা হলো- ব্রিটিশ অধীন বা ব্রিটিশ শক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোনো দেশীয় রাজ্যের রাজবংশের কোনো উত্তরাধিকার না থাকলে সেই রাজ্য সরাসরি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হয়ে পড়বে। কোনো দত্তক পুত্রকে রাজ্যের উত্তরাধিকার দেওয়া যাবে না। এ নীতি প্রয়োগ করে তিনি সাতারা, নাগপুর, সম্বলপুর, ঝাঁসি প্রভৃতি রাজ্য দখল করে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের নগ্নরূপের প্রকাশ ঘটান।

উত্তর

উদ্দীপকের নীতির সঙ্গে ব্রিটিশ গভর্নর লর্ড ডালহৌসির স্বত্ববিলোপ নীতির মিল পাওয়া যায়। প্রাচীন হিন্দুরীতির উচ্ছেদ ঘটিয়ে ব্রিটিশ শক্তির ওপর নির্ভরশীল দেশীয় রাজ্যগুলো কুক্ষিগত করার জন্য যে নতুন নীতি উদ্ভাবিত হয়েছিল তাই স্বত্ববিলোপ নীতি (Doctrine of Lapse Policy)। স্বত্ববিলোপ নীতির মর্মার্থ হলো, ইংরেজ আশ্রিত ও অনুগৃহীত কোনো দেশীয় রাজ্যের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে এবং তার রাজবংশে কোনো উত্তরাধিকারী না থাকলে সে রাজ্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হবে; কোনো পালিত পুত্রের অধিকার স্বীকার করা হবে না। প্রাচীন হিন্দুরীতি অনুযায়ী, অপুত্রক রাজা রাজবংশ ও রাজ্য রক্ষা করার জন্য পুত্র পালক নিতে পারতেন। পূর্বে এ ধরনের পরিস্থিতিতে ইংরেজদের কাছ থেকে রাজারা বিশেষ অনুমতি নিয়ে দত্তক গ্রহণ করতে পারতেন। কিন্তু ডালহৌসি কঠোরতার সাথে আগের রীতি বন্ধ করে দিয়ে স্বত্ববিলোপ নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য প্রসারের পথ আরও সুগম করেন। উদ্দীপকে দেখা যায়, নাটোরের রাজবংশের শেষ রাজা ছিলেন মহারাজা জগদীশনাথ। কিন্তু তার জীবদ্দশায় একমাত্র পুত্র জলধিনাথ মাত্র পনেরো বছর বয়সে মারা যান। মহারাজা জগদীশনাথ তাই তার রাজ্য রক্ষার জন্য পালিত পুত্র গ্রহণ করেন। মহারাজার মৃত্যুর পর তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার তার এ পালিত পুত্রের দাবি অগ্রাহ্য করে তার রাজ্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করেন। যার সাথে ব্রিটিশ গভর্নর লর্ড ডালহৌসির স্বত্ববিলোপ নীতির মিল রয়েছে।

উত্তর

উক্ত গভর্নর জেনারেল লর্ড ডালহৌসি তার গৃহিত স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগ করে নিম্নোক্ত ভারতীয় রাজ্যগুলো দখল করে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য ভুক্ত করেছিলেন। লর্ড ডালহৌসি যুদ্ধের দ্বারা সাম্রাজ্য বিস্তার ছাড়াও স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগের মাধ্যমে রাজ্য প্রসারে উদ্যোগ নেন। ডালহৌসি সর্বপ্রথম সাঁতারা রাজ্যের ওপর তার স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগ ঘটান। ইংরেজদের বিনা অনুমতিতে সাঁতারার রাজা দত্তক পুত্র গ্রহণ করেছিলেন। ফলে ১৮৪৮ খ্রিষ্টাব্দে রাজা মারা গেলে ডালহৌসি দত্তক পুত্রের দাবি অগ্রাহ্য করে সাঁতারা রাজ্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করেন। এরপর সম্বলপুর রাজ্যের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে ১৮৪৯ খ্রিষ্টাব্দে সম্বলপুর রাজ্যটিও ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করেন ডালহৌসি। ভোঁসলে বংশের শেষ রাজা ১৮৫৩ খ্রিষ্টাব্দে অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে ডালহৌসি নাগপুর ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করেন। ঝাঁসির রাজা মারা গেলে তার দত্তক পুত্রের দাবি অস্বীকার করে ডালহৌসি ১৮৫৩ খ্রিষ্টাব্দে ঝাঁসিকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করেন। একইভাবে শতদ্রু নদীর নিকট ভগৎ রাজ্য মধ্যপ্রদেশে উদয়পুর, রাজস্থান করৌলি প্রভৃতি রাজ্যগুলো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হয়। অতঃপর ডালহৌসি ইংরেজ প্রদত্ত দেশীয়দের ভাতা ও খেতাবের ক্ষেত্রেও স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগ ঘটান। ১৮৫১ খ্রিষ্টাব্দে পেশোয়ার দ্বিতীয় বাজীরাও মারা গেলে বাজীরাও-এর দত্তকপুত্র নানা সাহেবের ভাতা বন্ধ করে দেন ডালহৌসি। একইভাবে তাঞ্জোরের রাজা মারা গেলে তার দুই কন্যা সন্তান থাকা সত্ত্বেও তাদের উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত এবং সে সঙ্গে তাঞ্জোরের রাজপদ ও ভাতা বন্ধ করে দেন। এমনকি মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের খেতাব ও ভাতা লোপ করার চেষ্টা করেন ডালহৌসি। কিন্তু পরিচালক সভা বাধা দেওয়ার ফলে তিনি সফল হতে পারেননি।
HSCHistory 1st PaperChapter 2: ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন: কোম্পানি আমল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সম্রাট শেরশাহ ভারতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার একজন অন্যতম পথ প্রদর্শক। তার শাসনামলে তিনি নিজস্ব চিন্তা-চেতনার মাধ্যমে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন। প্রচলিত পদ্ধতিকে বাতিল করে দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন আদলে তিনি এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। এতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থায় গতিশীলতা আসে এবং সাম্রাজ্যের রাজস্ব আয় অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। তার এ নীতি প্রবর্তনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রজাদের দুর্দশা লাঘব। এ নীতিটি এতই উন্নত ছিল যে, পরবর্তীতে মুঘল সম্রাটগণ এমনকি ইংরেজরাও এ নীতি অনুসরণ করেছিলেন। [সকল বোর্ড ২০১৫]
ক
কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?
খ
ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত শেরশাহের কার্যক্রমের সাথে লর্ড কর্নওয়ালিশের গৃহীত কোন ব্যবস্থার মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উল্লিখিত ব্যবস্থা ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক হয়েছিল? তুমি কি এর সাথে একমত? যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সম্রাট শেরশাহ ভারতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার একজন অন্যতম পথ প্রদর্শক। তার শাসনামলে তিনি নিজস্ব চিন্তা-চেতনার মাধ্যমে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন। প্রচলিত পদ্ধতিকে বাতিল করে দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন আদলে তিনি এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। এতে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থায় গতিশীলতা আসে এবং সাম্রাজ্যের রাজস্ব আয় অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। তার এ নীতি প্রবর্তনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রজাদের দুর্দশা লাঘব। এ নীতিটি এতই উন্নত ছিল যে, পরবর্তীতে মুঘল সম্রাটগণ এমনকি ইংরেজরাও এ নীতি অনুসরণ করেছিলেন। [সকল বোর্ড ২০১৫]
ক
কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?
খ
ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত শেরশাহের কার্যক্রমের সাথে লর্ড কর্নওয়ালিশের গৃহীত কোন ব্যবস্থার মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উল্লিখিত ব্যবস্থা ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক হয়েছিল? তুমি কি এর সাথে একমত? যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।

ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?

কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি বহুজাতিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠার সময় পরিচালনার জন্য কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির ব্যাপক বিস্তৃতির ফলে আইনের সীমাবদ্ধতায় বেশকিছু জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং আইনের কয়েকটি ধারা অকার্যকর প্রমাণিত হয়। এ প্রেক্ষিতে কোম্পানির ব্যবস্থাপককে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়ে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হয়। নতুন আইন কোম্পানিটির ব্যবসায় বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করলেও ত্রুটিমুক্ত ছিল না। [ সকল বোর্ড ২০১৬ ]
ক
ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?
খ
সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের প্রতিফলন ঘটেছে তার পটভূমি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত আইনের ত্রুটিসমূহ বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি বহুজাতিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠার সময় পরিচালনার জন্য কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির ব্যাপক বিস্তৃতির ফলে আইনের সীমাবদ্ধতায় বেশকিছু জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং আইনের কয়েকটি ধারা অকার্যকর প্রমাণিত হয়। এ প্রেক্ষিতে কোম্পানির ব্যবস্থাপককে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়ে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হয়। নতুন আইন কোম্পানিটির ব্যবসায় বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করলেও ত্রুটিমুক্ত ছিল না। [ সকল বোর্ড ২০১৬ ]
ক
ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?
খ
সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের প্রতিফলন ঘটেছে তার পটভূমি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত আইনের ত্রুটিসমূহ বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?

সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?

ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮২৮ সালে ভারতবর্ষের গভর্নর জেনারেল হয়ে আসা একজন ইংরেজ উপলব্ধি করেন শাসিতদের কল্যাণ সাধন করাই হচ্ছে শাসকের প্রধান কর্তব্য। শাসিতদের কল্যাণ সাধনের জন্য তিনি সতীদাহ প্রথা রহিত করেন, ঠগী দমন ও পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তনসহ বিভিন্ন সংস্কার কর্ম সাধন করেন। সংস্কার কর্মের জন্য তিনি ভারতের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন। [কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ]
ক
কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?
খ
স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে আলোচিত সংস্কারকের সামাজিক সংস্কারসমূহ উল্লেখ কর।
ঘ
উদ্দীপকে আলোচিত ব্যক্তির সংস্কার কীভাবে মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ছিল- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮২৮ সালে ভারতবর্ষের গভর্নর জেনারেল হয়ে আসা একজন ইংরেজ উপলব্ধি করেন শাসিতদের কল্যাণ সাধন করাই হচ্ছে শাসকের প্রধান কর্তব্য। শাসিতদের কল্যাণ সাধনের জন্য তিনি সতীদাহ প্রথা রহিত করেন, ঠগী দমন ও পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তনসহ বিভিন্ন সংস্কার কর্ম সাধন করেন। সংস্কার কর্মের জন্য তিনি ভারতের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন। [কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ]
ক
কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?
খ
স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে আলোচিত সংস্কারকের সামাজিক সংস্কারসমূহ উল্লেখ কর।
ঘ
উদ্দীপকে আলোচিত ব্যক্তির সংস্কার কীভাবে মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ছিল- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?

স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?

কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উল্লিখিত ব্যবস্থা ভারতে ইংরেজ কোম্পানির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক হয়েছিল? তুউদ্দীপকে বর্ণিত শেরশাহের কার্যক্রমের সাথে লর্ড কর্নওয়ালিশের গৃহীত কোন ব্যবস্থার ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের কারণ ব্যাখ্যা কর।কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিওয়ানি লাভ করে?উক্ত আইনের ত্রুটিসমূহ বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।উদ্দীপকে বর্ণিত আইনে ব্রিটিশ ভারতের যে আইনের প্রতিফলন ঘটেছে তার পটভূমি ব্যাখ্যা সূর্যাস্ত আইন' বলতে কী বোঝায়?ব্রিটিশ ভারতের কোন গভর্নর জেনারেলকে ইম্পিচমেন্টের সম্মুখীন হতে হয়?উদ্দীপকে আলোচিত ব্যক্তির সংস্কার কীভাবে মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ছিল- বিশ্লেষণউদ্দীপকে আলোচিত সংস্কারকের সামাজিক সংস্কারসমূহ উল্লেখ কর।স্বত্ববিলোপ নীতির প্রকৃতি কী ছিল?কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি প্রবর্তন করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।