'ক' দেশের প্রস্তাবনা থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের নিট জাতীয় উৎপাদনের পরিমাণ নির্ণয়পূর্বক ঋণপ্রাপ্তির যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের ক্ষয়ক্ষতিজনিত ব্যয় ও অবচয় ব্যয় বাদ দেওয়ার পর যা অবশিষ্ট থাকে তাকে নিট জাতীয় উৎপাদন (NNP) বলা হয়। দেওয়া আছে, 'ক' দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) = ১২,১০০ কোটি টাকা [গ থেকে প্রাপ্ত] ক্ষয়ক্ষতিজনিত ব্যয় = ৯০ কোটি টাকা এবং অবচয় ব্যয় = ৫০০ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে, নিট জাতীয় উৎপাদন,(NNP)= GNP - [গণিত] = ১২,১০০-(৯০ + ৫০০) কোটি টাকা = ১২,১০০ - ৫৯০ কোটি টাকা = ১১,৫১০ কোটি টাকা। দেশটি অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার প্রস্তাব দেয়। এক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংকের উচিত দেশটিকে ঋণ দেওয়া। কারণ দেশটির মোট জাতীয় উৎপাদন ও নিট জাতীয় উৎপাদনের পরিমাণ খুবই ভালো। নিট জাতীয় উৎপাদন হলো একটি দীর্ঘকালীন ধারণা। এর মাধ্যমে একটি দেশের সঠিক আর্থিক অবস্থা প্রতিফলিত হয়। 'ক' দেশের নিট জাতীয় উৎপাদন হলো ১১,৫১০ কোটি টাকা যা ইঙ্গিত করে দেশটির অর্থনীতি শক্তিশালী। তাছাড়া দেশটির অবচয় ব্যয় ৫৯০ কোটি টাকা, যা দেশটির অবকাঠামোগত অবস্থা ভালো এমন ধারণা দেয়। বিশ্বব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য দেশটির আছে। এ বিষয়টি বিবেচনায় বলা যায়, বিশ্বব্যাংকের উচিত দেশটিকে ঋণ দেওয়া।
HSC Marketing 1st Paper Chapter 4 : সামষ্টিক পর্যায় উৎপাদন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Marketing 1st Paper · Chapter 4 : সামষ্টিক পর্যায় উৎপাদন · সৃজনশীল
'ক' দেশের প্রস্তাবনা থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের নিট জাতীয় উৎপাদনের পরিম…
উদ্দীপক

উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর

