উদ্দীপকে বর্ণিত যোগাযোগ পদ্ধতিটি আন্তঃসম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক কিনা? বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত যোগাযোগ পদ্ধতিটি আন্তঃসম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক বলে আমি মনে করছি। আন্তঃসম্পর্ক মানে হলো কোনো প্রতিষ্ঠান তাদের নিজেদের মধ্যে। যোগাযোগের মাধ্যমে যে সম্পর্ক বজায় রাখে। যোগাযোগ হলো দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে ভাব, মতামত, অনুভূতি ও আবেগের পারস্পরিক বোঝাপড়া বা তথ্যের আদান-প্রদান। বস্তুত এর মধ্যে নিহিত আছে সুসংবদ্ধ এবং অবিরাম বক্তব্য, শ্রবণ এবং বোধগম্যতার সুবিন্যস্ত তথ্য বা ভাবের আন্তঃপ্রবাহ প্রক্রিয়া। কম খরচে ও দ্রুত যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে টেলিকনফারেন্স পদ্ধতি খুবই গ্রহণযোগ্য। প্রতিষ্ঠানের চারটি বিভাগের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক উন্নয়নে এ মাধ্যমটি ফলপ্রসূ। এ ধরনের যোগাযোগ চার বিভাগের ব্যবস্থাপককে ব্যবসায়ের বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সহায়তা করে। এ যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার করে ব্যবস্থাপক বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে যা দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে থাকে। ফলে ব্যবসায়ের উত্তরোত্তর উন্নতি সম্ভব হয়। উদ্দীপকে দেখানো হয়েছে, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপক, অর্থ ব্যবস্থাপক, বিক্রয় ব্যবস্থাপক, উৎপাদন ব্যবস্থাপক এক সাথে একটি যোগাযোগ মাধ্যমের সহায়তায় যোগাযোগ করছে। এ যোগাযোগ মাধ্যম টেলিকনফারেন্স পদ্ধতিকে নির্দেশ করছে। টেলিকনফারেন্স সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে। যেমন: (১) অডিও কনফারেন্স, (২) ভিডিও কনফারেন্স। এখানে অবশ্য অডিও কনফারেন্সের বিষয়টি স্পষ্ট। যা খুবই স্বল্পমূল্যে ও কম সময়ে যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। মোবাইল ফোনের সাহায্যে এ পদ্ধতি সম্পন্ন হয়ে থাকে।
HSC Management 2nd Paper Chapter 8: যোগাযোগ (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Management 2nd Paper · Chapter 8: যোগাযোগ (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল
উদ্দীপকে বর্ণিত যোগাযোগ পদ্ধতিটি আন্তঃসম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক কিনা? ব…
উদ্দীপক
[চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৫]উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর

