শেয়ারFacebookWhatsApp

চিত্রের MN ও PQ রেখার মাধ্যমে কোনো দেশের অবস্থান নির্ণয় করা যাবে কিনা? যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে দাও।

উত্তর: চিত্রে PQ মূল মধ্যরেখা এবং MN নিরক্ষরেখা। কোনো স্থানের অবস্থান জানার জন্য অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা জরুরি। অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয় নিরক্ষরেখা থেকে এবং দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা হয় মূলমধ্যরেখা থেকে। নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে। আমরা জানি পৃথিবীর কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ ৩৬০°। অক্ষাংশ নির্ণয় করার জন্য গ্লোবটিকে আমরা যদি মাঝখান দিয়ে পূর্ব পশ্চিমে কেটে নেই তাহলে এর মধ্যে আমরা ঠিক মধ্যবিন্দু পাব। এখন যদি আমরা কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করতে চাই তাহলে সেই মধ্যবিন্দুর সঙ্গে নিরক্ষরেখার (০°) পরিপ্রেক্ষিতে যে কোণ উৎপন্ন হয় তা নির্ণয় করতে হবে। এই কোণই হলো কাঙ্খিত স্থানটির অক্ষাংশ। যেমন- নিরক্ষরেখার উত্তর দিকে অবস্থিত বাংলাদেশের অক্ষাংশ উত্তর অক্ষাংশ, তথা বাংলাদেশ ২০°৩৪′ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত। অপরদিকে, যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের কাছে গ্রিনিচ মান মন্দিরের উপর দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণমেরু পর্যন্ত বিস্তৃত যে মধ্যরেখা অতিক্রম করেছে তাকে মূল মধ্যরেখা বলে। গ্রিনিচের দ্রাঘিমা ০°। গ্রিনিচের মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিম কোণে স্থানের কৌণিক দূরত্বকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমা বলে। আমরা জানি, পৃথিবীর পরিধি দ্বারা উৎপন্ন কোণ ৩৬০°। মূল মধ্যরেখা, এই ৩৬০° কে ১° অন্তর অন্তর মোট দুই ভাগে ভাগ করে পূর্বে ও পশ্চিমে ১৮০° করে ভাগ করেছে। যেমন-বাংলাদেশ ৮৮°১' থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমার অবস্থিত। সুতরাং বলা যায়, PQ ও MN অর্থাৎ মূলমধ্যরেখা ও নিরক্ষরেখা ব্যবহার করে যেকোনো দেশের অবস্থান নির্ণয় করা যাবে।

SSC ভূগোল ও পরিবেশ পাঠ্যসূচি বহির্ভূত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ভূগোল ও পরিবেশ · পাঠ্যসূচি বহির্ভূত · সৃজনশীল

চিত্রের MN ও PQ রেখার মাধ্যমে কোনো দেশের অবস্থান নির্ণয় করা যাবে কি…

উদ্দীপক

question image

Dinajpur · 2023

উত্তর

নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে ঐ স্থানের অক্ষাংশ বলে।

উত্তর

মহাশূন্যে ভেসে বেড়ানো উল্কাগুলো অভিকর্ষ বলের আকর্ষণে প্রচণ্ড গতিতে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে। রাতের মেঘমুক্ত আকাশে অনেক সময় মনে হয় যেন নক্ষত্র ছুটে যাচ্ছে বা কোনো নক্ষত্র যেন এই মাত্র খসে পড়ল। এই ঘটনাকে নক্ষত্রপতন বা তারা খসা বলে। এরা কিন্তু আসলে কোনো নক্ষত্র নয়, এদের নাম উল্কা। মহাশূন্যে অজস্র জড়পিণ্ড ভেসে বেড়ায়। এই জড়পিণ্ডগুলো অভিকর্ষ বলের আকর্ষণে প্রচণ্ড গতিতে (সেকেন্ডে প্রায় ৩ কিলোমিটার) পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে। বায়ুর সংস্পর্শে এসে বায়ুর সঙ্গে ঘর্ষণের ফলে এরা জ্বলে ওঠে। ফলে এদের ছুটন্ত তারা বলে মনে হয়। বেশিরভাগ উল্কাপিণ্ডই আকারে বেশ ক্ষুদ্র।

উত্তর

'A′A^{\prime} ও 'B′B^{\prime} দ্বারা চিহ্নিত স্থান দুটির দ্রাঘিমা যথাক্রমে ৪৫° পূর্ব ও ৭৫° পূর্ব। অতএব স্থান দুটির দ্রাঘিমার ব্যবধান ৭৫° – ৪৫° = ৩০° আমরা জানি, ১° দ্রাঘিমার ব্যবধানে সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট ∴ ৩০° দ্রাঘিমার ব্যবধানে সময়ের পার্থক্য ১২০ মিনিট বা, ২ ঘণ্টা আবার, 'B′B^{\prime} স্থানটি 'A′A^{\prime} এর পূর্বে। সুতরাং 'B′B^{\prime} এর স্থানীয় সময় অগ্রবর্তী। অর্থাৎ 'A′A^{\prime} স্থানে যখন সকাল ৮টা, 'B′B^{\prime} স্থানের স্থানীয় সময় সকাল ৮টা + ২ ঘণ্টা = সকাল ১০ টা

উত্তর

চিত্রে PQ মূল মধ্যরেখা এবং MN নিরক্ষরেখা। কোনো স্থানের অবস্থান জানার জন্য অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা জরুরি। অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয় নিরক্ষরেখা থেকে এবং দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা হয় মূলমধ্যরেখা থেকে। নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে। আমরা জানি পৃথিবীর কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ ৩৬০°। অক্ষাংশ নির্ণয় করার জন্য গ্লোবটিকে আমরা যদি মাঝখান দিয়ে পূর্ব পশ্চিমে কেটে নেই তাহলে এর মধ্যে আমরা ঠিক মধ্যবিন্দু পাব। এখন যদি আমরা কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করতে চাই তাহলে সেই মধ্যবিন্দুর সঙ্গে নিরক্ষরেখার (০°) পরিপ্রেক্ষিতে যে কোণ উৎপন্ন হয় তা নির্ণয় করতে হবে। এই কোণই হলো কাঙ্খিত স্থানটির অক্ষাংশ। যেমন- নিরক্ষরেখার উত্তর দিকে অবস্থিত বাংলাদেশের অক্ষাংশ উত্তর অক্ষাংশ, তথা বাংলাদেশ ২০°৩৪′ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত। অপরদিকে, যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের কাছে গ্রিনিচ মান মন্দিরের উপর দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণমেরু পর্যন্ত বিস্তৃত যে মধ্যরেখা অতিক্রম করেছে তাকে মূল মধ্যরেখা বলে। গ্রিনিচের দ্রাঘিমা ০°। গ্রিনিচের মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিম কোণে স্থানের কৌণিক দূরত্বকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমা বলে। আমরা জানি, পৃথিবীর পরিধি দ্বারা উৎপন্ন কোণ ৩৬০°। মূল মধ্যরেখা, এই ৩৬০° কে ১° অন্তর অন্তর মোট দুই ভাগে ভাগ করে পূর্বে ও পশ্চিমে ১৮০° করে ভাগ করেছে। যেমন-বাংলাদেশ ৮৮°১' থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমার অবস্থিত। সুতরাং বলা যায়, PQ ও MN অর্থাৎ মূলমধ্যরেখা ও নিরক্ষরেখা ব্যবহার করে যেকোনো দেশের অবস্থান নির্ণয় করা যাবে।
SSCভূগোল ও পরিবেশপাঠ্যসূচি বহির্ভূত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Mymensingh · 2023

ক
বাষ্পীভবন কাকে বলে?
খ
বায়ুর কোন স্তরে বেতারতরঙ্গ বাঁধাপ্রাপ্ত হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে চিত্র-২ এ প্রদর্শিত বৃষ্টিপাতের বর্ণনা দাও।
ঘ
বাংলাদেশে চিত্র-১ এ সংগঠিত বৃষ্টিপাতের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Mymensingh · 2023

ক
বাষ্পীভবন কাকে বলে?
খ
বায়ুর কোন স্তরে বেতারতরঙ্গ বাঁধাপ্রাপ্ত হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে চিত্র-২ এ প্রদর্শিত বৃষ্টিপাতের বর্ণনা দাও।
ঘ
বাংলাদেশে চিত্র-১ এ সংগঠিত বৃষ্টিপাতের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বায়ুর কোন স্তরে বেতারতরঙ্গ বাঁধাপ্রাপ্ত হয়? ব্যাখ্যা কর।

বায়ুর কোন স্তরে বেতারতরঙ্গ বাঁধাপ্রাপ্ত হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাষ্পীভবন কাকে বলে?

বাষ্পীভবন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Mymensingh · 2023

ক
ভূ-ত্বক কাকে বলে?
খ
বরেন্দ্রভূমি কোন ধরনের ভূমিরূপ? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের 'Q′Q^{\prime} প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ বর্ণনা কর।
ঘ
উদ্দীপকের 'P′P^{\prime} প্রাকৃতিক দুর্যোগটির ফলাফল বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Mymensingh · 2023

ক
ভূ-ত্বক কাকে বলে?
খ
বরেন্দ্রভূমি কোন ধরনের ভূমিরূপ? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের 'Q′Q^{\prime} প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ বর্ণনা কর।
ঘ
উদ্দীপকের 'P′P^{\prime} প্রাকৃতিক দুর্যোগটির ফলাফল বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বরেন্দ্রভূমি কোন ধরনের ভূমিরূপ? ব্যাখ্যা কর।

বরেন্দ্রভূমি কোন ধরনের ভূমিরূপ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ভূ-ত্বক কাকে বলে?

ভূ-ত্বক কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হিমেল বাংলাদেশের তিনটি নদী পর্যবেক্ষণ করেন। প্রথমটি লুসাই পাহাড়, দ্বিতীয়টি হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ এবং তৃতীয়টি মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।

Mymensingh · 2023

ক
মৌসুমি বায়ু কাকে বলে?
খ
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোন ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চলে অবস্থিত? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে হিমেলের দেখা প্রথম নদীটির গুরুত্ব বর্ণনা কর।
ঘ
উদ্দীপকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় নদীটির তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হিমেল বাংলাদেশের তিনটি নদী পর্যবেক্ষণ করেন। প্রথমটি লুসাই পাহাড়, দ্বিতীয়টি হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ এবং তৃতীয়টি মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।

Mymensingh · 2023

ক
মৌসুমি বায়ু কাকে বলে?
খ
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোন ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চলে অবস্থিত? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে হিমেলের দেখা প্রথম নদীটির গুরুত্ব বর্ণনা কর।
ঘ
উদ্দীপকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় নদীটির তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোন ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চলে অবস্থিত? ব্যাখ্যা কর।

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোন ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চলে অবস্থিত? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মৌসুমি বায়ু কাকে বলে?

মৌসুমি বায়ু কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

বাংলাদেশে চিত্র-১ এ সংগঠিত বৃষ্টিপাতের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে চিত্র-২ এ প্রদর্শিত বৃষ্টিপাতের বর্ণনা দাও।বায়ুর কোন স্তরে বেতারতরঙ্গ বাঁধাপ্রাপ্ত হয়? ব্যাখ্যা কর।বাষ্পীভবন কাকে বলে?উদ্দীপকের 'P [গণিত] প্রাকৃতিক দুর্যোগটির ফলাফল বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকের 'Q [গণিত] প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ বর্ণনা কর।বরেন্দ্রভূমি কোন ধরনের ভূমিরূপ? ব্যাখ্যা কর।ভূ-ত্বক কাকে বলে?উদ্দীপকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় নদীটির তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে হিমেলের দেখা প্রথম নদীটির গুরুত্ব বর্ণনা কর।বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোন ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চলে অবস্থিত? ব্যাখ্যা কর।মৌসুমি বায়ু কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।