পাঠ্যসূচি বহির্ভূত ভূগোল ও পরিবেশ

SSC ভূগোল ও পরিবেশ এর পাঠ্যসূচি বহির্ভূত অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৫২০

প্রশ্ন

ভূগোল ও পরিবেশ

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCভূগোল ও পরিবেশসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Mymensingh · 2023

ক
বাষ্পীভবন কাকে বলে?

উত্তর

সূর্যের তাপে সমুদ্র, নদী, হ্রদ প্রভৃতি থেকে পানি ক্রমাগত বাষ্পে পরিণত হচ্ছে এবং তা অপেক্ষাকৃত হালকা বলে উপরে উঠে বায়ুমণ্ডলে মিশে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে। একে বাষ্পীভবন বলে।
খ
বায়ুর কোন স্তরে বেতারতরঙ্গ বাঁধাপ্রাপ্ত হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

আয়নমণ্ডল নামক বায়ুর স্তরে বেতার তরঙ্গ বাধাপ্রাপ্ত হয়। তাপমণ্ডলের নিম্ন অংশকে আয়নমণ্ডল বলে। এখানে বায়ু আয়নিত অবস্থায় থাকে। বেতার তরঙ্গ এ স্তরে এসে বিভিন্ন আয়নে বাধা পায় এবং ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে।
গ
উদ্দীপকে চিত্র-২ এ প্রদর্শিত বৃষ্টিপাতের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে চিত্র-২ এর বৃষ্টিপাতটি হলো পরিচলন বৃষ্টিপাত। দিনের বেলায় সূর্যের কিরণে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজাসুজি নিচে নেমে আসে। এরূপ বৃষ্টিপাতকে পরিচলন বৃষ্টি বলে। নিরক্ষীয় অঞ্চলে (Equatorial region) স্থলভাগের চেয়ে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে সূর্যকিরণ সারাবছর লম্বভাবে পড়ে। এ দুটি কারণে এখানকার বায়ুমণ্ডলে সারা বছর জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে। জলীয়বাষ্প হালকা বলে সহজেই তা উপরে উঠে গিয়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে পরিচলন বৃষ্টিরূপে ঝরে পড়ে। তাই নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর প্রতিদিনই বিকেল অথবা সন্ধ্যার সময় এরূপ বৃষ্টিপাত হয়।
ঘ
বাংলাদেশে চিত্র-১ এ সংগঠিত বৃষ্টিপাতের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

যচিত্র-১ এ সংঘটিত বৃষ্টিপাত হলো শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত। বৃষ্টিপাতটি আমাদের দেশের অর্থনীতি ও কৃষিকাজের জন্য অধিক উপযোগী। বর্ষাকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ভারত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে আসার সময় প্রচুর জলীয়বাষ্প সমৃদ্ধ থাকে। দেশের উত্তরে হিমালয় পর্বতের অবস্থানের কারণে এ জলীয়বাষ্প শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়, যা বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। বিশেষত উল্লেখ করা যায়, শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে সিলেটে প্রচুর বোরো ধান এবং পাহাড়ি ঢালু জমিতে চা উৎপাদিত হয়। এছাড়াও দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় অন্যান্য আরও বিভিন্ন ধরনের ফসল, শাকসবজি ও ফলমূল উৎপাদনে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাতের প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, বাংলাদেশে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাতের গুরুত্ব অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCভূগোল ও পরিবেশসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Mymensingh · 2023

ক
বাষ্পীভবন কাকে বলে?

উত্তর

সূর্যের তাপে সমুদ্র, নদী, হ্রদ প্রভৃতি থেকে পানি ক্রমাগত বাষ্পে পরিণত হচ্ছে এবং তা অপেক্ষাকৃত হালকা বলে উপরে উঠে বায়ুমণ্ডলে মিশে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে। একে বাষ্পীভবন বলে।
খ
বায়ুর কোন স্তরে বেতারতরঙ্গ বাঁধাপ্রাপ্ত হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

আয়নমণ্ডল নামক বায়ুর স্তরে বেতার তরঙ্গ বাধাপ্রাপ্ত হয়। তাপমণ্ডলের নিম্ন অংশকে আয়নমণ্ডল বলে। এখানে বায়ু আয়নিত অবস্থায় থাকে। বেতার তরঙ্গ এ স্তরে এসে বিভিন্ন আয়নে বাধা পায় এবং ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে।
গ
উদ্দীপকে চিত্র-২ এ প্রদর্শিত বৃষ্টিপাতের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে চিত্র-২ এর বৃষ্টিপাতটি হলো পরিচলন বৃষ্টিপাত। দিনের বেলায় সূর্যের কিরণে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজাসুজি নিচে নেমে আসে। এরূপ বৃষ্টিপাতকে পরিচলন বৃষ্টি বলে। নিরক্ষীয় অঞ্চলে (Equatorial region) স্থলভাগের চেয়ে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে সূর্যকিরণ সারাবছর লম্বভাবে পড়ে। এ দুটি কারণে এখানকার বায়ুমণ্ডলে সারা বছর জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে। জলীয়বাষ্প হালকা বলে সহজেই তা উপরে উঠে গিয়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে পরিচলন বৃষ্টিরূপে ঝরে পড়ে। তাই নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর প্রতিদিনই বিকেল অথবা সন্ধ্যার সময় এরূপ বৃষ্টিপাত হয়।
ঘ
বাংলাদেশে চিত্র-১ এ সংগঠিত বৃষ্টিপাতের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

যচিত্র-১ এ সংঘটিত বৃষ্টিপাত হলো শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত। বৃষ্টিপাতটি আমাদের দেশের অর্থনীতি ও কৃষিকাজের জন্য অধিক উপযোগী। বর্ষাকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ভারত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে আসার সময় প্রচুর জলীয়বাষ্প সমৃদ্ধ থাকে। দেশের উত্তরে হিমালয় পর্বতের অবস্থানের কারণে এ জলীয়বাষ্প শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়, যা বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। বিশেষত উল্লেখ করা যায়, শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে সিলেটে প্রচুর বোরো ধান এবং পাহাড়ি ঢালু জমিতে চা উৎপাদিত হয়। এছাড়াও দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় অন্যান্য আরও বিভিন্ন ধরনের ফসল, শাকসবজি ও ফলমূল উৎপাদনে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাতের প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, বাংলাদেশে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাতের গুরুত্ব অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCভূগোল ও পরিবেশসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Mymensingh · 2023

ক
ভূ-ত্বক কাকে বলে?

উত্তর

ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাকে ভূত্বক বলে।
খ
বরেন্দ্রভূমি কোন ধরনের ভূমিরূপ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বরেন্দ্রভূমি এক ধরনের ক্ষয়জাত সমভূমি। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি যেমন- নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ এবং হিমবাহের ক্ষয়ক্রিয়ার ফলে কোনো উচ্চভূমি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ক্ষয়জাত সমভূমির সৃষ্টি হয়। প্লাইস্টোসিনকালে বাংলাদেশে এ প্রক্রিয়ায় সোপান বা চত্বর ভূমি গঠিত হয়েছিল। বাংলাদেশের রাজশাহীর বরেন্দ্রভূমি এভাবে সৃষ্ট ক্ষয়জাত সমভূমি।
গ
উদ্দীপকের 'Q′Q^{\prime} প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'Q′Q^{\prime} প্রাকৃতিক দুর্যোগটি হলো ভূমিকম্প। ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ভূ-নিম্নস্থ শিলাস্তরে ভারের সামঞ্জস্য রক্ষার্থে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টির ফলে ভূকম্পন অনুভূত হয়। ভূআলোড়নের ফলে ভূত্বকের কোনো স্থানে শিলা ধসে পড়লে বা শিলা চ্যুতি ঘটলে ভূমিকম্প হয়। সমগ্র পৃথিবী কয়েকটি প্লেটের সমন্বয়ে গঠিত এবং এসব প্লেট সঞ্চরণশীল। যার কারণে একটি প্লেটের সাথে অন্য প্লেটের সংঘর্ষ বা ধাক্কা লাগে এবং শিলাস্তরের মধ্যে কম্পন অনুভূত হয়। জাপানের পূর্ব পার্শ্বে একটি প্লেট থাকায় এখানে ভূমিকম্প বেশি অনুভূত হয়। মূলত প্লেটগুলোর সঞ্চরণশীলতার কারণেই শিলাস্তরের মধ্যে কম্পনের সৃষ্টি হয়, যা ভূমিকম্প নামে পরিচিত। উদ্দীপকে 'Q′Q^{\prime} এ ভূ-পৃষ্ঠ প্রাকৃতিক কারণে কম সময় ধরে কেঁপে কেঁপে উঠে। যা ভূমিকম্পের কারণে হয়ে থাকে।
ঘ
উদ্দীপকের 'P′P^{\prime} প্রাকৃতিক দুর্যোগটির ফলাফল বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'P′P^{\prime} প্রাকৃতিক দুর্যোগটি হলো আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত। লাভার উদ্গিরণ ক্ষয়ক্ষতির সঙ্গে সঙ্গে কোনো কেনো স্থানে সামান্য সুফলও বয়ে আনে। আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে লাভা উপরের দিকে ওঠে এবং বহুদূ রে লাভার ঢল ছড়িয়ে পড়ে বহু নগর, গ্রাম ধ্বংস করে। এর দাহ্য ও বিষাক্ত গ্যাস উদ্গিরণে নিকটবর্তী এলাকার হাজার হাজার লোকের নিমিষে প্রাণহানি ঘটে। অনেক সময় আগ্নেয়গিরি থেকে উদ্গিরিত লাভা, ভস্ম ও ধূলিকণা আকাশের উপরের দিকে স্ট্র্যাটোমণ্ডলে উঠে যায় এবং তা দ্রুত পৃথিবীপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে পৃথিবীপৃষ্ঠে সূর্যরশ্মির তাপমাত্রা হ্রাস পায় এবং এর ফলে শীত বেড়ে যায়। আগ্নেয়গিরি উঁচু পার্বত্য এলাকায় অবস্থিত। এসব পর্বত বরফে ঢাকা থাকলে অগ্ন্যুৎপাতের সময় তা গলে পাদদেশীয় এলাকায় বন্যার সৃষ্টি করে, জীবনহানি ঘটে এবং বায়ুদূষণের সৃষ্টি করে। আগ্নেয়গিরির কারণে কেবল মানুষের অপকার নয় উপকারও হয়ে থাকে। এতে ভূমির উর্বরতাও বৃদ্ধি পায়। যেমন- দাক্ষিণাত্যের লাভা গঠিত কৃষ্ণমৃত্তিকা কার্পাস চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। অনেক সময় লাভার সঙ্গে অনেক খনিজ পদার্থ নির্গত হয়। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাংশে অগ্ন্যুৎপাতের জন্য অধিক পরিমাণে খনিজ দ্রব্য পাওয়া যায়। অগভীর সমুদ্রে বা হ্রদে লাভা ও ভস্ম সঞ্চিত হয়ে এরূপ ভূভাগ সৃষ্টি হয়। আগ্নেয়গিরি থেকে লাভার উদ্গিরণ মানবজীবনে ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি কিছু সুফলও বয়ে আনে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCভূগোল ও পরিবেশসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Mymensingh · 2023

ক
ভূ-ত্বক কাকে বলে?

উত্তর

ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাকে ভূত্বক বলে।
খ
বরেন্দ্রভূমি কোন ধরনের ভূমিরূপ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বরেন্দ্রভূমি এক ধরনের ক্ষয়জাত সমভূমি। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি যেমন- নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ এবং হিমবাহের ক্ষয়ক্রিয়ার ফলে কোনো উচ্চভূমি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ক্ষয়জাত সমভূমির সৃষ্টি হয়। প্লাইস্টোসিনকালে বাংলাদেশে এ প্রক্রিয়ায় সোপান বা চত্বর ভূমি গঠিত হয়েছিল। বাংলাদেশের রাজশাহীর বরেন্দ্রভূমি এভাবে সৃষ্ট ক্ষয়জাত সমভূমি।
গ
উদ্দীপকের 'Q′Q^{\prime} প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'Q′Q^{\prime} প্রাকৃতিক দুর্যোগটি হলো ভূমিকম্প। ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ভূ-নিম্নস্থ শিলাস্তরে ভারের সামঞ্জস্য রক্ষার্থে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টির ফলে ভূকম্পন অনুভূত হয়। ভূআলোড়নের ফলে ভূত্বকের কোনো স্থানে শিলা ধসে পড়লে বা শিলা চ্যুতি ঘটলে ভূমিকম্প হয়। সমগ্র পৃথিবী কয়েকটি প্লেটের সমন্বয়ে গঠিত এবং এসব প্লেট সঞ্চরণশীল। যার কারণে একটি প্লেটের সাথে অন্য প্লেটের সংঘর্ষ বা ধাক্কা লাগে এবং শিলাস্তরের মধ্যে কম্পন অনুভূত হয়। জাপানের পূর্ব পার্শ্বে একটি প্লেট থাকায় এখানে ভূমিকম্প বেশি অনুভূত হয়। মূলত প্লেটগুলোর সঞ্চরণশীলতার কারণেই শিলাস্তরের মধ্যে কম্পনের সৃষ্টি হয়, যা ভূমিকম্প নামে পরিচিত। উদ্দীপকে 'Q′Q^{\prime} এ ভূ-পৃষ্ঠ প্রাকৃতিক কারণে কম সময় ধরে কেঁপে কেঁপে উঠে। যা ভূমিকম্পের কারণে হয়ে থাকে।
ঘ
উদ্দীপকের 'P′P^{\prime} প্রাকৃতিক দুর্যোগটির ফলাফল বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'P′P^{\prime} প্রাকৃতিক দুর্যোগটি হলো আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত। লাভার উদ্গিরণ ক্ষয়ক্ষতির সঙ্গে সঙ্গে কোনো কেনো স্থানে সামান্য সুফলও বয়ে আনে। আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে লাভা উপরের দিকে ওঠে এবং বহুদূ রে লাভার ঢল ছড়িয়ে পড়ে বহু নগর, গ্রাম ধ্বংস করে। এর দাহ্য ও বিষাক্ত গ্যাস উদ্গিরণে নিকটবর্তী এলাকার হাজার হাজার লোকের নিমিষে প্রাণহানি ঘটে। অনেক সময় আগ্নেয়গিরি থেকে উদ্গিরিত লাভা, ভস্ম ও ধূলিকণা আকাশের উপরের দিকে স্ট্র্যাটোমণ্ডলে উঠে যায় এবং তা দ্রুত পৃথিবীপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে পৃথিবীপৃষ্ঠে সূর্যরশ্মির তাপমাত্রা হ্রাস পায় এবং এর ফলে শীত বেড়ে যায়। আগ্নেয়গিরি উঁচু পার্বত্য এলাকায় অবস্থিত। এসব পর্বত বরফে ঢাকা থাকলে অগ্ন্যুৎপাতের সময় তা গলে পাদদেশীয় এলাকায় বন্যার সৃষ্টি করে, জীবনহানি ঘটে এবং বায়ুদূষণের সৃষ্টি করে। আগ্নেয়গিরির কারণে কেবল মানুষের অপকার নয় উপকারও হয়ে থাকে। এতে ভূমির উর্বরতাও বৃদ্ধি পায়। যেমন- দাক্ষিণাত্যের লাভা গঠিত কৃষ্ণমৃত্তিকা কার্পাস চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। অনেক সময় লাভার সঙ্গে অনেক খনিজ পদার্থ নির্গত হয়। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাংশে অগ্ন্যুৎপাতের জন্য অধিক পরিমাণে খনিজ দ্রব্য পাওয়া যায়। অগভীর সমুদ্রে বা হ্রদে লাভা ও ভস্ম সঞ্চিত হয়ে এরূপ ভূভাগ সৃষ্টি হয়। আগ্নেয়গিরি থেকে লাভার উদ্গিরণ মানবজীবনে ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি কিছু সুফলও বয়ে আনে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCভূগোল ও পরিবেশসৃজনশীল

উদ্দীপক

হিমেল বাংলাদেশের তিনটি নদী পর্যবেক্ষণ করেন। প্রথমটি লুসাই পাহাড়, দ্বিতীয়টি হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ এবং তৃতীয়টি মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।

Mymensingh · 2023

ক
মৌসুমি বায়ু কাকে বলে?

উত্তর

ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে যে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয় তাকে মৌসুমি বায়ু বলে।
খ
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোন ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চলে অবস্থিত? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিনডং (উচ্চতা ১২৩১ মিটার) বান্দরবান জেলায় অবস্থিত; যা টারশিয়ারি যুগের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় শ্রেণিকে নির্দেশ করে। হিমালয় পর্বত গঠিত হওয়ার সময় এসকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
গ
উদ্দীপকে হিমেলের দেখা প্রথম নদীটির গুরুত্ব বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে হিমেলের দেখা প্রথম নদীটি কর্ণফুলী যার উৎপত্তি স্থল আসামের লুসাই পাহাড়। কর্ণফুলী নদী বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। যা দিয়ে এই অঞ্চলের বিভিন্ন শিল্পকারখানার বিদ্যুৎশক্তির চাহিদা মিটানো হয়। দেশে প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত। এ বন্দরের মাধ্যমে দেশের মোট আমদানির ৮৫% এবং রপ্তানির ৮০% বাণিজ্য সম্পন্ন হয়, যা দেশের অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশের কর্ণফুলী নদীর কাপ্তাই নামক স্থানে যে পানিবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে তা দেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনেকাংশে মিটাতে সক্ষম হচ্ছে এবং এ নদীর মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর যোগাযোগ ব্যবস্থা সুবিধাজনক হয়েছে। শুধু তাই নয় দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যেও কর্ণফুলী নদীর ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। তাই বলা যায়, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ নদীর যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।
ঘ
উদ্দীপকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় নদীটির তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় নদী যথাক্রমে পদ্মা ও ব্রহ্মপুত্র। বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম নদী পদ্মা। গঙ্গা নদী হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। পদ্মা প্রথম পর্যায়ে যমুনার সাথে মিলিত হয়ে পরে মেঘনার সাথে মিশে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। গঙ্গা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী অঞ্চলের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর দৌলতদিয়ার নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে। গঙ্গার মূল ধারা হওয়াতে দৌলতদিয়া পর্যন্ত এ নদীটি গঙ্গা নামেই পরিচিত। তবে বাংলাদেশ প্রবেশের পর থেকেই স্থানীয়ভাবে পদ্মা নামে পরিচিত। গঙ্গা ও যমুনায় মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরের কাছে মেঘনার সাথে মিলিত হয়। এ তিন নদীর মিলিত প্রবাহ মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাংলাদেশে গঙ্গা-পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন হচ্ছে ৩৪,১৮৮ বর্গ কিলোমিটার। অপরদিকে, ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী এবং বংশী ও শীতলক্ষ্যা প্রধান শাখানদী। ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে দৌলতদিয়ার কাছে গঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়ে পদ্মা নাম ধারণ করে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। সুতরাং বলা চলে, বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ নদী পদ্মার সাথে ব্রহ্মপুত্র নদের চলার পথের গতি-প্রকৃতি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। অন্যদিকে সুরমা ও কুশিয়ারা স্থানীয়ভাবে সিলেট বিভাগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় পর্যায়ে এ নদীদ্বয়ের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য নয়। উপরন্তু নৌ চলাচলও সারা বছরব্যাপী সুবিধাজনক থাকে না। নদীটি স্থানীয়ভাবে কৃষি ও বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনে ভূমিকা রাখে। সুতরাং, সুরমা-কুশিয়ারা ও কর্ণফুলী নদীর মধ্যে কর্ণফুলী নদীর ভূমিকা অধিক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCভূগোল ও পরিবেশসৃজনশীল

উদ্দীপক

হিমেল বাংলাদেশের তিনটি নদী পর্যবেক্ষণ করেন। প্রথমটি লুসাই পাহাড়, দ্বিতীয়টি হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ এবং তৃতীয়টি মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।

Mymensingh · 2023

ক
মৌসুমি বায়ু কাকে বলে?

উত্তর

ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে যে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয় তাকে মৌসুমি বায়ু বলে।
খ
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোন ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চলে অবস্থিত? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিনডং (উচ্চতা ১২৩১ মিটার) বান্দরবান জেলায় অবস্থিত; যা টারশিয়ারি যুগের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় শ্রেণিকে নির্দেশ করে। হিমালয় পর্বত গঠিত হওয়ার সময় এসকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
গ
উদ্দীপকে হিমেলের দেখা প্রথম নদীটির গুরুত্ব বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে হিমেলের দেখা প্রথম নদীটি কর্ণফুলী যার উৎপত্তি স্থল আসামের লুসাই পাহাড়। কর্ণফুলী নদী বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। যা দিয়ে এই অঞ্চলের বিভিন্ন শিল্পকারখানার বিদ্যুৎশক্তির চাহিদা মিটানো হয়। দেশে প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত। এ বন্দরের মাধ্যমে দেশের মোট আমদানির ৮৫% এবং রপ্তানির ৮০% বাণিজ্য সম্পন্ন হয়, যা দেশের অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশের কর্ণফুলী নদীর কাপ্তাই নামক স্থানে যে পানিবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে তা দেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনেকাংশে মিটাতে সক্ষম হচ্ছে এবং এ নদীর মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর যোগাযোগ ব্যবস্থা সুবিধাজনক হয়েছে। শুধু তাই নয় দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যেও কর্ণফুলী নদীর ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। তাই বলা যায়, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ নদীর যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।
ঘ
উদ্দীপকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় নদীটির তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় নদী যথাক্রমে পদ্মা ও ব্রহ্মপুত্র। বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম নদী পদ্মা। গঙ্গা নদী হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। পদ্মা প্রথম পর্যায়ে যমুনার সাথে মিলিত হয়ে পরে মেঘনার সাথে মিশে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। গঙ্গা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী অঞ্চলের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর দৌলতদিয়ার নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে। গঙ্গার মূল ধারা হওয়াতে দৌলতদিয়া পর্যন্ত এ নদীটি গঙ্গা নামেই পরিচিত। তবে বাংলাদেশ প্রবেশের পর থেকেই স্থানীয়ভাবে পদ্মা নামে পরিচিত। গঙ্গা ও যমুনায় মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরের কাছে মেঘনার সাথে মিলিত হয়। এ তিন নদীর মিলিত প্রবাহ মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাংলাদেশে গঙ্গা-পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন হচ্ছে ৩৪,১৮৮ বর্গ কিলোমিটার। অপরদিকে, ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী এবং বংশী ও শীতলক্ষ্যা প্রধান শাখানদী। ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে দৌলতদিয়ার কাছে গঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়ে পদ্মা নাম ধারণ করে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। সুতরাং বলা চলে, বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ নদী পদ্মার সাথে ব্রহ্মপুত্র নদের চলার পথের গতি-প্রকৃতি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। অন্যদিকে সুরমা ও কুশিয়ারা স্থানীয়ভাবে সিলেট বিভাগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় পর্যায়ে এ নদীদ্বয়ের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য নয়। উপরন্তু নৌ চলাচলও সারা বছরব্যাপী সুবিধাজনক থাকে না। নদীটি স্থানীয়ভাবে কৃষি ও বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনে ভূমিকা রাখে। সুতরাং, সুরমা-কুশিয়ারা ও কর্ণফুলী নদীর মধ্যে কর্ণফুলী নদীর ভূমিকা অধিক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো