উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এর 'ক' দ্বারা কিশোরের গৌণ যৌন বৈশিষ্ট্যসমূহকে বুঝানো হয়েছে। নিচে এ বৈশিষ্ট্যসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো-
১. চুল: বয়োসন্ধিতে অন্ডাশয় এবং লিঙ্গের আকৃতি বৃদ্ধি পাওয়ার এক বছর পর বিভিন্ন গোপন স্থানে লোম গজায়। লিঙ্গের পাশে লোম গজানোর পরে বগলের নিচে লোম ওঠে। মুখমন্ডলীয় কেশের ব্যাপারে যেটা বলা যায় তা হলো, প্রথমে ঠোঁটের উপরে চুল গজায় ও সেগুলো ক্রমশ দীর্ঘ হয় ও গাঢ় বর্ণ ধারণ করে, পরেবিস্তৃত হয়ে গোঁফে পরিণত হয়। এরপর গালের উপরিভাগে এবং ঠোঁটের নিচে, সবশেষে চিবুকের দুধারে কেশ গজায়।
২. ত্বক: ত্বক পুরু হয়, রং বদলায় এবং ত্বকের উপরের লোমকূপের আকৃতি বড় হয়। এ সময় মুখে ব্রণ দেখা যায়।
৩. পেশি: পেশির আকৃতি ও শক্তি বৃদ্ধি হওয়ায় বাহু, পা এবং কাঁধ সঠিক আকৃতি পায়।
৪. কণ্ঠস্বর: অনেক ছেলের ক্ষেত্রে কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন হঠাৎ এবং নাটকীয়ভাবে হয়। অনেকের এ পরিবর্তন পর্যায়ক্রমিকভাবে হয় যা সহজে বোঝা যায় না। কন্ঠের কর্কশতা এ সময় অনেকের লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়ায় বিশেষ করে যাদের কন্ঠ গভীর নিম্নম্বর থেকে হঠাৎ উচ্চৈস্বরে পরিণত হয়।
৫. স্তনের পিট: ১২-১৪ বছরের মধ্যে স্তনে অবস্থিত গ্রন্থির চারপাশ শক্ত হয়ে যায়। এ ধরনের গিট কয়েক সপ্তাহ পরে ছোট হয়ে আসে এবং গিটের সংখ্যাও কমে যায়।