উদ্দীপকে B ও C শ্রেণির জাতের তুলনামূলক পার্থক্যসমূহ তুলে ধর।
উত্তর: উদ্দীপকে B ও C যথাক্রমে এশীয় ও ভূমধ্যসাগরীয় শ্রেণি। নিম্নে এশীয় ও ভূমধ্যসাগরীয় শ্রেণির মুরগির তুলনামূলক পার্থক্য তুলে ধরা হলো- এশীয় শ্রেণির মুরগির মাংস উৎপাদনের জন্য অধিক উপযোগী অপরদিকে ভূমধ্যসাগরীয় শ্রেণির মুরগির ডিম উৎপাদন ক্ষমতা বেশি থাকে। যেমন- ভূমধ্যসাগরীয় লেগহর্ন জাতের মুরগি বছরে ৩০০টির বেশি ডিম দেয়। এশীয় শ্রেণির মুরগি বেশি বয়সে ডিম দেয় কিন্তু ভূমধ্যসাগরীয় শ্রেণির মধ্যে তাড়াতাড়ি ডিম দেওয়ার প্রবণতা বেশি। এশীয় শ্রেণির মুরগির ডিমের খোসা সাধারণত বাদামি বর্ণের অপরদিকে ভূমধ্যসাগরীয় শ্রেণির মুরগির ডিম সাদা হয়। এশীয় শ্রেণির কানের লতি সাধারণত লাল হয় কিন্তু ভূমধ্যসাগরীয় শ্রেণির কানের লতি সাদা হয়। এশিয়াটিক মুরগির কুঁচে হওয়ার প্রবণতা অধিক হলেও ভূ-মধ্যসাগরীয় মুরগির খুঁচে হওয়ার অভ্যাস একেবারেই নেই।
HSC কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র Chapter 2 : পোল্ট্রি পালন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র · Chapter 2 : পোল্ট্রি পালন · সৃজনশীল
উদ্দীপকে B ও C শ্রেণির জাতের তুলনামূলক পার্থক্যসমূহ তুলে ধর।
উদ্দীপক

Jessore · 2022
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর

