উদ্দীপকের ছকে ?' চিহ্নিত পদ্ধতিটি হলো ডিম ফোটানোর প্রাকৃতিক পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে নিষিক্ত ডিমের উপর মুরগির নিজের দেহের তাপ দিয়ে ডিম ফুটানো হয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে হাঁস- মুরগির উৎপাদন বৃদ্ধিতে ডিম ফুটানোর প্রাকৃতিক পদ্ধতি বাস্তবসম্মত নয় । নিচে এ সম্পর্কে মতামত দেওয়া হলো-
প্রাকৃতিক উপায়ে এক সাথে অল্প সংখ্যক ডিম ফোটানো যায় (১০ – ১৫টি)। যেকোনো সময় ডিম ফোটানো সম্ভব হয় না । এ পদ্ধতিতে সব ডিম ফোটে না, কিছু ডিম নষ্ট হয়ে যায়। কখনো কখনো মুরগি ডিম ভেঙে ফেলে ও বাচ্চা নষ্ট করে ফেলে। অনেক সময় ডিম ফোটার আগেই মুরগি ডিমে তা দেওয়া বন্ধ করে দেয় । এতে সম্পূর্ণ ডিমই নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় সময় সময়মতো কুঁচে মুরগি পাওয়া যায় না। ডিমে তা দেওয়ার সময় মুরগি থেকে সংক্রামক ব্যাধি বাচ্চার মধ্যে বিস্তার লাভের সম্ভাবনা থাকে। এসকল কারণে ডিম থেকে হাঁস-মুরগির উৎপাদন কমে যায়। অথচ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রচুর হাঁস-মুরগির চাহিদা রয়েছে। এ চাহিদা মেটাতে অল্প সময়ে অনেক বেশি হাঁস-মুরগি উৎপাদন করা প্রয়োজন যা প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে করা সম্ভবপর নয়। তাই হাঁস-মুরগির উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কৃত্রিম পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে । তাই বলা যায় চাহিদার বিচারে শুধুমাত্র প্রাকৃতিক পদ্ধতি কোনোভাবেই বাস্তবসম্মত নয়।