খামারের মুরগির রোগ ব্যবস্থাপনা কী হবে? বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকের শেষ লাইনে মুরগির রাণীক্ষেত রোগের ইঙ্গিত রয়েছে। কারণ রাণীক্ষেত রোগে চুনের মতো সাদা মল মুরগির পেছনের পালকে লেগে থাকে। নিচে রোগটির ব্যবস্থাপনা বিশ্লেষণ করা হলো- গৃহপালিত পাখির জন্য রাণীক্ষেত খুবই মারাত্মক একটি রোগ। এ রোগের কোনো চিকিৎসা না থাকায় গৃহপালিত পাখি পালনের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রতিরোধ ব্যবস্থা হিসেবে খামারে জৈব নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং গৃহপালিত পাখিকে প্রতিষেধক টিকা দিতে হবে। রাণীক্ষেত রোগের দু'ধরনের টিকা পাওয়া য়ায়। টিকা দু'টি হলো- ১. বি.সি.আর.ডি.ভি (BCRDV): এ টিকাবীজের প্রতিটি ভায়ালে ১ মি.লি মূল টিকাবীজ থাকে। টিকাবীজ ৬ মি.লি. পরিদ্রুত পানিতে ভালোভাবে মিশাতে হয়। তারপর ৭ দিন ২১ দিন বয়সের প্রতিটি বাচ্চা পাখির প্রতি চোখে ১ ফোঁটা করে দিতে হবে। ২. আর.ডি.ভি (RDV): সাদা কাচের এম্পুলে ০.৩ সি.সি হারে এ টিকাবীজ থাকে। এর সাথে ১০০ সিসি পরিদ্রুত পানি মিশিয়ে ১০০ মাত্রা করা হয়। এ টিকা দু'মাসের বেশি বয়সের প্রতিটি পাখির রানের মাংসে ১ সিসি করে ইনজেকশন দিতে হবে। এরপরও যদি খামারে এ রোগ দেখা দেয় তবে নিচের প্রতিকার ব্যবস্থাগুলো অবলম্বন করতে হবে- ১. সুস্থ পাখি থেকে অসুস্থ পাখি আলাদা করে নিতে হবে। ২. মৃত পাখিকে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। ৩. আক্রান্ত ও সুস্থ উভয় পাখিকে মাঝেমধ্যে পটাশ মিশানো পানি খাওয়াতে হবে। উপরোক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার মাধ্যমে মুরগিকে রাণীক্ষেত রোগমুক্ত রাখা সম্ভব হবে।
HSC কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র Chapter 2 : পোল্ট্রি পালন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র · Chapter 2 : পোল্ট্রি পালন · সৃজনশীল
খামারের মুরগির রোগ ব্যবস্থাপনা কী হবে? বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপক
কুমিল্লা সরকারি কলেজ, কুমিল্লা · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর

