পশু কর্মকর্তার বক্তব্যটি হলো- "বাংলাদেশ পোল্ট্রি শিল্পের জন্য সম্ভাবনাময়।" নিচে তার বক্তব্যটি বিশ্লেষণ করা হলো-
১. পোল্ট্রির বাণিজ্যিক খামার স্থাপনকে সরকার শিল্প হিসেবে সীমিত আকারে স্বীকৃতি দিয়েছেন।
২. বর্তমানে এই খাতের জন্য সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৩. আধুনিক ব্যবস্থায় পোল্ট্রির স্বাস্থ্যসম্মত পালনের লক্ষ্যে পশুসম্পদ অধিদপ্তর বিভিন্ন প্রকার সম্প্রসারণ কার্যক্রম জোরদার করছে।
৪. বেকার যুবক-যুবতি ও অন্যান্য উৎসাহী ব্যক্তিবর্গকে খামার পরিচালনার ব্যাপারে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
৫. পোল্ট্রির সুষম খাদ্য তৈরির লক্ষ্যে দেশে একাধিক শিল্প কারখানা গড়ে উঠেছে এবং এই খাতকে ভবিষ্যতে আরও জোরদার করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
৬. উন্নত এবং স্বাস্থ্যসম্মত বাচ্চা প্রাপ্তির জন্য বেশকিছু হ্যাঁচারি ইতোমধ্যেই দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং সকল খামারির কাছে বাচ্চা সহজলভ্যভাবে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
৭. দেশীয়ভাবে ওষুধ ও টিকা উৎপাদন এবং সরবরাহের জন্য ব্যাপক, কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
৮. সরকারি, বেসরকারি পর্যায়ে খামারকারীদের মধ্যে সহজ শর্তে ঋণদানের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
৯. দেশের সর্বত্র পরিবহন ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার উন্নয়নের চেষ্টা চলছে; যাতে করে চাষিরা তাদের উৎপাদিত মাংস ও ডিমের চাহিদা দেশের সর্বত্র পৌঁছাতে পারে এবং ন্যায্যমূল্য পায়।
১০. যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মহিলাবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন এন.জি.ও হাঁস-মুরগি পালনবিষয়ক কার্যক্রম ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণ জোরদার করছে।
এসব কারণেই বলা যায় যে, বাংলাদেশ পোল্ট্রি শিল্পের জন্য উজ্জ্বল। সম্ভাবনাময়।