যেকোনো খামারকে লাভজনক করতে হলে প্রয়োজন সুষ্ঠু পরিকল্পনা এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও কলা-কৌশলের ব্যবহার। উদ্দীপকে। কামাল পোল্ট্রি খামার স্থাপনের জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা করেছিল।
সেগুলো হলো-
১. খামারের ধরন, আয়তন প্রভৃতি বিষয়ের উপর নির্ভর করে মূলধনের পরিমাণ নির্ধারণ করেন।
২. খামারের জন্য তিনি জমির ব্যবস্থা করেন।
৩. খোলামেলা, আলো-বাতাসপূর্ণ, বন্যামুক্ত উঁচু এলাকা যেখানে সামাজিক নিরাপত্তা ভালো ও উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা আছে এমন জায়গায় খামার স্থাপন করেন।
৪. শহরে বা বড় বাজারের সাথে ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা ও যানবাহন আছে এমন স্থানে খামার স্থাপন করেন।
৫. যেখানে শ্রমিক সহজলভ্য ও শ্রমমূল্য কম সেখানে খামার স্থাপন করেন।
৬. খামারে পর্যাপ্ত পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা করেন।
৭. খামারের স্থায়িত্বের উপর নির্ভর করে বাসস্থান তৈরি করতে হয়। এজন্য তিনি ইটের তৈরি বাসস্থান নির্মাণ করেন।
৮. সরকারি বা বেসরকারি হ্যাচারি থেকে উন্নত জাতের বাচ্চা সংগ্রহ করেন।
৯. পোল্ট্রির রোগবালাই দমনের প্রতিরোধ ও প্রতিকার ব্যবস্থা ও জৈব নিরাপত্ত ব্যবস্থা যথাযথভাবে প্রয়োগ করেন।
১০. খামারে উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণের সুবন্দোবস্ত করেন।
১১. খামার সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য খামারের আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করেন।
পরিশেষে বলা, যায়, লাভজনক পোল্ট্রি খামার স্থাপনে কামাল উপরোল্লিখিত পরিকল্পনাগুলো করেছিল।