উদ্দীপকে সালেহা বেগম উন্মুক্ত পদ্ধতিতে মুরগি পালন করেন।
মুরগি পালনের জন্য স্বাধীনভাবে বা মুক্ত অবস্থায় মুরগি পালন পদ্ধতিটি সবচেয়ে সহজ। এ পদ্ধতিতে মুরগি খুব সকালে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ পদ্ধতিতে মুরগির চলাফেরার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সীমানা নেই। মুরগি ইচ্ছামতো যেখানে খুশি চলে যায় আবার সন্ধ্যার সময় নিরাপদ স্থানে বা ঘরে আশ্রয় নেয়। দেশি জাতের মুরগি সাধারণত এ পদ্ধতিতে পালা হয়। পারিবারিক উচ্ছিষ্ট খাবার খেয়ে অযত্নে এরা বড় হয়। এ পদ্ধতিতে মুরগিকে কোনো খাবার দিতে হয় না। এরা মাঠে চরে কাঁচা ঘাস, শস্যদানা, পোকা ইত্যাদি খেয়ে বেঁচে থাকে বলে খাদ্য খরচ কম। সাধারণ ঘরেই মুরগি থাকতে পারে বলে উন্নত বাসস্থানের তেমন কোনো প্রয়োজন পড়ে না। এছাড়া এ পদ্ধতিতে মুরগির তেমন কোনো পরিচর্যাও লাগে না । গ্রামবাংলার প্রায় প্রতিটি পরিবারই এই পদ্ধতিতে মুরগি পালন করে থাকে।
সুতরাং বলা যায় যে, গ্রামাঞ্চলে মুরগি পালনে সালেহা বেগমের গৃহীত পদ্ধতিটি যথার্থ ছিল।