উদ্দীপকে পশুসম্পদ কর্মকর্তা শেষে ডিম নির্বাচনের বিবেচ্য বিষয়গুলোর বিশদ ব্যাখ্যা করেন। স্বাস্থ্যবান বাচ্চা উৎপাদনের জন্য সুস্থ ডিম নির্বাচন করা প্রয়োজন। নিম্নে ডিম নির্বাচনের বিবেচ্য বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করা হলো-
১. সুস্থ সবল মুরগির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও নিষিক্ত বা উর্বর ডিম বাচ্চা ফুটানোর জন্য ব্যবহার করতে হয়।
২. উর্বর ডিমের জন্য সুস্থ, সবল, প্রজননক্ষম মোরগ-মুরগি একসাথে থাকতে হবে।
৩. মাঝারি আকৃতির মসৃণ এবং স্বাভাবিক ও মোটা খোসাযুক্ত ডিম বাছাই করতে হবে, নরম খোসাযুক্ত ডিম ফোটানোর অনুপযোক্ত ।
৪. মুরগির হালকা জাতের জন্য ১০ : ১ এবং ভারী জাতের জন্য ৮ : ১ অনুপাতে মোরগ থাকতে হবে।
৫. অপরিষ্কার ডিম পানিতে ধোয়া যাবে না; পরিষ্কার কাপড় বা শিরিষ কাগজ দিয়ে মুছে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
৬. বাচ্চা ফুটানোর ডিমের ওজন মুরগি ও হাঁসের ক্ষেত্রে যথাক্রমে ৫০-৫৫ গ্রাম ও ৬০-৭০ গ্রাম হতে হবে।
৭. ফাটা কিংবা ভাঙা, বাঁকা, অমসৃণ, অসমান বা পাতলা খোসাযুক্ত ডিম থেকে বাচ্চা হয় না।
৮. ডিমের ভেতরের অংশ স্বচ্ছ এবং কুসুম মাঝখানে থাকলে সেই ডিম ফুটানোর জন্য উপযুক্ত।
৯. ফুটানোর ডিম গ্রীষ্মকালে ৩-৫ দিন এবং শীতকালে ৭-১০ দিনের বেশি জমা করে রাখা ঠিক নয়। বেশি দিন জমা রাখলে ডিমের বাচ্চা ফুটার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় ।
১০. সুযোগ থাকলে বাতির আলোর সাহায্যে ডিমের ভ্রূণ দেখে নেওয়া যায়। ডিমের মধ্যে বুদবুদ, ডিমের কুসুম মাঝখানে না থাকলে, ডিমের মধ্যে মাংসের বা রক্তের দাগ থাকলে সে ডিম ফোটানোর জন্য নির্বাচন করা যাবে না।