উদ্দীপকের সাইফ সাহেব প্রাকৃতিক পদ্ধতির পরিবর্তে কৃত্রিম পদ্ধতিতে ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা উৎপাদন করেন। নিচে তার উদ্যোগটি মূল্যায়ন করা হলো-
বাণিজ্যিকভাবে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোর জন্য কৃত্রিম পদ্ধতি সবচেয়ে আধুনিক ও উপযুক্ত। এ পদ্ধতিতে ইনকিউবেটর নামক যন্ত্র ব্যবহার করে ডিম ফোটানো হয়। কৃত্রিম পদ্ধতিতে একসাথে অনেক ডিম ফুটানো যায়। ডিমে তা দেওয়ার সময় যেসব সংক্রামক ব্যাধি মুরগি হতে বাচ্চার মধ্যে বিস্তার লাভ করার আশঙ্কা থাকে তা এ পদ্ধতিতে প্রতিরোধ করা যায়। বছরের যেকোনো সময় ডিম ফুটানো যায়। এ পদ্ধতিতে সব ডিম ফুটে, কোনো ডিম নষ্ট হয় না। এতে ডিম ভাঙা ও বাচ্চা মরার আশঙ্কা নেই। এ পদ্ধতিতে ডিম ফুটানোর জন্য কোনো মুরগির প্রয়োজন হয় না।
অপরদিকে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে কম সংখ্যক ডিম ফুটানো যায়। যেকোনো সময় ডিম ফুটানো যায় না। সব ডিম ফুটে না, কারণ কখনো কখনো মুরগি ডিম ভেঙে ফেলে ও বাচ্চা মেরে ফেলে। এ পদ্ধতিতে ডিম ফুটানোর জন্য নির্দিষ্ট কুঁচে মুরগির প্রয়োজন হয়।
উপরের বর্ণনার আলোকে দেখা যায়, প্রাকৃতিক পদ্ধতির চেয়ে কৃত্রিম পদ্ধতিতে ডিম ফুটানোর সুবিধা অনেক বেশি। কৃত্রিম পদ্ধতিতে প্রাথমিক খরচ কিছুটা বেশি হলেও অল্পদিনে সে খরচ পুষিয়ে নিয়ে পরবর্তীতে অর্থনৈতিকভাবে অনেক লাভবান হওয়া যায়। তাই বলা যায়, সাইফ সাহেবের উদ্যোগটি যথার্থ ছিল।